ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

ভয়ংকর সাপের আতঙ্কে থানা পুলিশ, সাপুড়ে ডাকলেন ওসি

নতুন থানা ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করছিল শ্রমিকরা। এ সময় বেরিয়ে আসে একের পর এক বিশালাকৃতির ভয়ংকর সব সাপ। সাপগুলো গ্রিল বেয়ে ভবনের ওপরে উঠতে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে থানা পুলিশসহ শ্রমিকদের মধ্যে।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে শরীয়তপুরের সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান সাপুড়ে ডাকেন সাপ ধরতে।

থানা পুলিশ ও কর্মরত শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সখিপুর থানার নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্কাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করলে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। সাপগুলো থানার আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যে স্থান থেকে সাপ বেড়িয়ে এসেছে, সেই স্থানের কাজ বন্ধ রেখেছে শ্রমিকরা। পরে আজ সোমবার দুপুরে থানার ওসি মাসুদুর রহমান সাপ ধরতে সাপুড়ে ডেকেছেন। সাপুড়ে এসে থানার বিভিন্ন স্থানে কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি থানা চত্বর থেকে এখনও কোনো সাপ ধরতে পারেননি।

সাপুড়ে মিনু ঢালী ঢাকা পোস্টকে বলেন, থানা চত্বরে সাপের উপদ্রবে আমাকে খবর দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে দেখেছি এখানে বড় বড় অনেক সাপ রয়েছে। তবে আমি আসার পরে কোনো সাপ দেখতে পাইনি। সখিপুর চরাঞ্চল এলাকা হওয়ায় এখানে প্রায়ই সাপ দেখা যায়। আমি এর আগে সখিপুর থেকে রাসেল ভাইপার সাপ ধরে প্রাণী সম্পদ অফিসারের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম। থানা চত্বরে কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দিয়েছি, আশা করছি সব সাপ চলে যাবে। সাপ ধরার চেষ্টা করছি।

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন দেলোয়ার হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করলে একের পর এক সাপ বেড়িয়ে আসে। সাপগুলোর ৬ ফুট থেকে ১০ ফুট লম্বা। সাপগুলো পালানোর জন্য আবাসিক ভবনসহ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে যায় সবাই। যে স্থান থেকে সাপ বেড়িয়ে এসেছিল, ওই স্থানের কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। দেখি সাপুড়ে কি করে!

বিষয়টি নিয়ে সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, নতুন থানা ভবনের কাজ করতে গেলে গতকাল থানা চত্বরের ভেতর সাপ দেখা গেছে। এরপর আজ সাপুড়ে ডেকেছি। কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাপুড়ে এখনও কোনো সাপ ধরতে পেরেছে কি না, সেটা বলতে পারব না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

ভয়ংকর সাপের আতঙ্কে থানা পুলিশ, সাপুড়ে ডাকলেন ওসি

আপডেট সময় ১১:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

নতুন থানা ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করছিল শ্রমিকরা। এ সময় বেরিয়ে আসে একের পর এক বিশালাকৃতির ভয়ংকর সব সাপ। সাপগুলো গ্রিল বেয়ে ভবনের ওপরে উঠতে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে থানা পুলিশসহ শ্রমিকদের মধ্যে।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে শরীয়তপুরের সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান সাপুড়ে ডাকেন সাপ ধরতে।

থানা পুলিশ ও কর্মরত শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সখিপুর থানার নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্কাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করলে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। সাপগুলো থানার আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যে স্থান থেকে সাপ বেড়িয়ে এসেছে, সেই স্থানের কাজ বন্ধ রেখেছে শ্রমিকরা। পরে আজ সোমবার দুপুরে থানার ওসি মাসুদুর রহমান সাপ ধরতে সাপুড়ে ডেকেছেন। সাপুড়ে এসে থানার বিভিন্ন স্থানে কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি থানা চত্বর থেকে এখনও কোনো সাপ ধরতে পারেননি।

সাপুড়ে মিনু ঢালী ঢাকা পোস্টকে বলেন, থানা চত্বরে সাপের উপদ্রবে আমাকে খবর দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে দেখেছি এখানে বড় বড় অনেক সাপ রয়েছে। তবে আমি আসার পরে কোনো সাপ দেখতে পাইনি। সখিপুর চরাঞ্চল এলাকা হওয়ায় এখানে প্রায়ই সাপ দেখা যায়। আমি এর আগে সখিপুর থেকে রাসেল ভাইপার সাপ ধরে প্রাণী সম্পদ অফিসারের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম। থানা চত্বরে কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দিয়েছি, আশা করছি সব সাপ চলে যাবে। সাপ ধরার চেষ্টা করছি।

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন দেলোয়ার হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করলে একের পর এক সাপ বেড়িয়ে আসে। সাপগুলোর ৬ ফুট থেকে ১০ ফুট লম্বা। সাপগুলো পালানোর জন্য আবাসিক ভবনসহ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে যায় সবাই। যে স্থান থেকে সাপ বেড়িয়ে এসেছিল, ওই স্থানের কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। দেখি সাপুড়ে কি করে!

বিষয়টি নিয়ে সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, নতুন থানা ভবনের কাজ করতে গেলে গতকাল থানা চত্বরের ভেতর সাপ দেখা গেছে। এরপর আজ সাপুড়ে ডেকেছি। কার্বলিক অ্যাসিড ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাপুড়ে এখনও কোনো সাপ ধরতে পেরেছে কি না, সেটা বলতে পারব না।