সাক্কু ২০০৫ সালে কুমিল্লা পৌর সভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালের পর তিনি কোন জমি ক্রয় করেননি। ২০০৫ সালের পূর্বে তিনি প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। তারা বাবা এমএনএ ছিলেন। সাক্কু দরিদ্র পরিবারের সন্তান না। যারা ৭৮
ফ্ল্যাট নিয়ে প্রশ্ন করে। তারা অনুসন্ধান করে দেখেন। এটি ১৯৪৭ সালের দলিল আমার শ্বশুর মালিক। সাক্কুর সকল ভাই বোনসহ এম. আর.সি ডেভেলপারদের মিলে ৭৮ ফ্ল্যাট। সাক্কুর কোন অবৈধ সম্পত্তি আছে কিনা? শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন। যারা এসব প্রশ্ন তুলে তারা ২০০৮ সালের পূর্বে কী ছিলো? আট সালের পর কারা জমি কিনেছে লিষ্ট নেন। ২০০৩ সালের পর সমাজ সেবার জন্য আমরা কতোটা বিক্রি করেছি, সেটারও লিষ্ট নেন। গতকাল এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির আলোচনায় এ বক্তব্য রাখেন টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর স্ত্রী আফরোজা জেসমিন টিকলি।
উঠান বৈঠক অতিথি ছিলেন মনিরুল হক সাক্কুর তিন বোন। প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এডভোকেট
কাইমুল হক রিংকুর স্ত্রী ফেরদৌস আরা রত্না বলেন, ছোট ছোট বাচ্চারা রেডিমেট মেয়র হতে আসছে। আগে রাজনীতি শিখেন। জেলে যান। যুগের পর যুগ ষড়যন্ত্র চলছে। এসব করে লাভ নেই। ৯ মার্চ রোজা রাখবো। সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন। সন্ধ্যায় মিছিলে মিছিলে নানুয়ারদিঘীর পাড় আসবেন।
উপ-নির্বাচনে প্রার্থীরা হলেন মনিরুল হক সাক্কু, ডা. তাহসীন বাহার সূচনা, নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, ও নিজাম উদ্দিন কায়সার।
মোঃ মাহফুজ আনোয়ার, জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা 























