ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

চাঁদপুরের প্রথম শহীদ মিনারটি ভাঙা হতে পারে আবারও

চাঁদপুরের পুরানবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি পুনঃনির্মাণের দাবি উঠেছে। শহীদ দিবস উদযাপন পরিষদ চাঁদপুরের স্থানীয় নেতারা এ নিয়ে তদবির করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এ দাবি করছেন। এই শহীদ মিনারটিই ছিল ভাষা শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত চাঁদপুরের প্রথম শহীদ মিনার।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৬৯ সনের পয়লা জানুয়ারি মধূসুদন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্ত রঞ্জন রায় চৌধুরী পুরানবাজারে শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। একই বছর ২১ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন এটি উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয়রা আরও জানান, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোষর রাজাকার আলবদরদের সহযোগিতায় তৎকালীন সময়ে এই শহীদ মিনারটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতা পরবর্তীতে পুরানবাজারের ছাত্র সংসদের নেতারা এবং পুরানবাজারের সচ্ছ্বল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমে শহীদ মিনারটি পুনঃনির্মাণ করা হয়।

এ বিষয়ে শহীদ দিবস উদযাপন পরিষদ চাঁদপুরের পুরানবাজারের মহাসচিব বীর মুক্তিযুদ্ধা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে এই শহীদ মিনারটির জন্য আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছে। চাঁদপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল শহীদ মিনারটি নিয়ে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। একই সঙ্গে পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আলী মাঝীও আমাদের আশ্বস্ত করেছেন এটির পুনঃনির্মাণ করা হবে। আশা করছি, শিগগিরই পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শহীদ মিনার পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু করবেন।

এদিকে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে শহীদ মিনারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। নতুন করে রংয়ের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারটি প্রস্তুত হয়ে যাবে জানা গেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

চাঁদপুরের প্রথম শহীদ মিনারটি ভাঙা হতে পারে আবারও

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চাঁদপুরের পুরানবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি পুনঃনির্মাণের দাবি উঠেছে। শহীদ দিবস উদযাপন পরিষদ চাঁদপুরের স্থানীয় নেতারা এ নিয়ে তদবির করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এ দাবি করছেন। এই শহীদ মিনারটিই ছিল ভাষা শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত চাঁদপুরের প্রথম শহীদ মিনার।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৬৯ সনের পয়লা জানুয়ারি মধূসুদন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্ত রঞ্জন রায় চৌধুরী পুরানবাজারে শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। একই বছর ২১ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন এটি উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয়রা আরও জানান, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোষর রাজাকার আলবদরদের সহযোগিতায় তৎকালীন সময়ে এই শহীদ মিনারটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতা পরবর্তীতে পুরানবাজারের ছাত্র সংসদের নেতারা এবং পুরানবাজারের সচ্ছ্বল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমে শহীদ মিনারটি পুনঃনির্মাণ করা হয়।

এ বিষয়ে শহীদ দিবস উদযাপন পরিষদ চাঁদপুরের পুরানবাজারের মহাসচিব বীর মুক্তিযুদ্ধা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে এই শহীদ মিনারটির জন্য আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছে। চাঁদপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল শহীদ মিনারটি নিয়ে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। একই সঙ্গে পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আলী মাঝীও আমাদের আশ্বস্ত করেছেন এটির পুনঃনির্মাণ করা হবে। আশা করছি, শিগগিরই পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শহীদ মিনার পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু করবেন।

এদিকে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে শহীদ মিনারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। নতুন করে রংয়ের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারটি প্রস্তুত হয়ে যাবে জানা গেছে।