ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

জনবল সংকটে হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়:ব্যাহত হচ্ছে বন্যপ্রাণী উদ্ধার অভিযান

(১ জন বাগান মালি, ১ জন নৈশ প্রহরী ও ১ জন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মাত্র ৩ জন লোকবল দিয়েই চলছে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ,উদ্ধার ও উদ্ধার পরবর্তী সেবা কাজসহ এই সংস্লিষ্ট বহুমাত্রিক কাজ করে থাকেন বন অধিদপ্তরে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ ও মৌলভিবাজার জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়।ওই কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলায় পর্যাপ্ত জনবল থাকলেও কিন্তু হবিগঞ্জ জেলার কার্যালয়টিতে প্রচন্ড লোকবল সংকটে রয়েছে ।

মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা, একজন বাগান মালি ও একজন নৈশপ্রহরী নিয়ে বেহালদশায় চলছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষন মত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মযজ্ঞ।

লোকবল সংকটের কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করলেন ওই কার্যালয়ের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী।তিনি আরো জানান,বন্যপ্রাণী উদ্ধার অভিযানের সরকারি খরচ বা বাজেটও মিলছে না।

তিনি বলেন,হবিগঞ্জসহ আরো ৫ জেলার বন্যপ্রানী উদ্ধার সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড করে থাকি। একজন মালিক ও একজন নৈশপ্রহরী ছাড়া অফিসের আর কোন স্টাফ নেই। তারপরেও জানপ্রাণ দিয়ে বিশাল এলাকার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

কার্যালয়টির অফিসসুত্রে জানা যায়,হবিগঞ্জ জেলাসহ সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও নেত্রকোনা জেলার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও উদ্ধারসহ যাবতীয় কাজ ওই বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় করে থাকেন। এদের কার্য এলাকার মধ্যেই রয়েছে লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান,রেমা-কালেঙ্গা,হাকালুকি হাওর,বাইক্কাবিলসহ অসংখ্য হাওর-বাওর ও অভয়ারণ্যের মতো মত গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণীদের বিচরণ ক্ষেত্র।

অভিযোগ রয়েছে,হবিগঞ্জ জেলার জাতীয় তথ্য বাতায়নেও এই অফিসের কোন নাম ও তথ্য অন্তর্ভুক্ত নেই।এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা আইসিটি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান বন অফিস থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নি কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. মো:জাহাঙ্গীর আলম জানান,সীমিত লোকবল দিয়েও আমরা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি বন্যপ্রাণীর সেবামান সুনিশ্চিত করতে। তবে হবিগঞ্জের ওই অফিসের লোকবল সংকট নিরসনে আমরা অধিদপ্তরের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ কররো ইনশাল্লাহ।

বন্যপ্রাণী স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির যুগ্ম আহবায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন,এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যালয়ে তিনজন লোকবল দিয়ে ৬ জেলার বন্যপ্রাণী উদ্ধারে হিমশিম খেতে হচ্ছে এদের। ফলে অত্র এলাকায় বন্যপ্রাণীর উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেব।লোকবল সংকটের সমস্যা সমাধান না হলে সকলকে নিয়ে মানববন্ধনও করতেও রাজি আছি ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

জনবল সংকটে হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়:ব্যাহত হচ্ছে বন্যপ্রাণী উদ্ধার অভিযান

আপডেট সময় ০৮:১৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

(১ জন বাগান মালি, ১ জন নৈশ প্রহরী ও ১ জন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মাত্র ৩ জন লোকবল দিয়েই চলছে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ,উদ্ধার ও উদ্ধার পরবর্তী সেবা কাজসহ এই সংস্লিষ্ট বহুমাত্রিক কাজ করে থাকেন বন অধিদপ্তরে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ ও মৌলভিবাজার জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়।ওই কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলায় পর্যাপ্ত জনবল থাকলেও কিন্তু হবিগঞ্জ জেলার কার্যালয়টিতে প্রচন্ড লোকবল সংকটে রয়েছে ।

মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা, একজন বাগান মালি ও একজন নৈশপ্রহরী নিয়ে বেহালদশায় চলছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষন মত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মযজ্ঞ।

লোকবল সংকটের কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করলেন ওই কার্যালয়ের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী।তিনি আরো জানান,বন্যপ্রাণী উদ্ধার অভিযানের সরকারি খরচ বা বাজেটও মিলছে না।

তিনি বলেন,হবিগঞ্জসহ আরো ৫ জেলার বন্যপ্রানী উদ্ধার সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড করে থাকি। একজন মালিক ও একজন নৈশপ্রহরী ছাড়া অফিসের আর কোন স্টাফ নেই। তারপরেও জানপ্রাণ দিয়ে বিশাল এলাকার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

কার্যালয়টির অফিসসুত্রে জানা যায়,হবিগঞ্জ জেলাসহ সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও নেত্রকোনা জেলার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও উদ্ধারসহ যাবতীয় কাজ ওই বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় করে থাকেন। এদের কার্য এলাকার মধ্যেই রয়েছে লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান,রেমা-কালেঙ্গা,হাকালুকি হাওর,বাইক্কাবিলসহ অসংখ্য হাওর-বাওর ও অভয়ারণ্যের মতো মত গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণীদের বিচরণ ক্ষেত্র।

অভিযোগ রয়েছে,হবিগঞ্জ জেলার জাতীয় তথ্য বাতায়নেও এই অফিসের কোন নাম ও তথ্য অন্তর্ভুক্ত নেই।এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা আইসিটি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান বন অফিস থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নি কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. মো:জাহাঙ্গীর আলম জানান,সীমিত লোকবল দিয়েও আমরা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি বন্যপ্রাণীর সেবামান সুনিশ্চিত করতে। তবে হবিগঞ্জের ওই অফিসের লোকবল সংকট নিরসনে আমরা অধিদপ্তরের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ কররো ইনশাল্লাহ।

বন্যপ্রাণী স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির যুগ্ম আহবায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন,এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যালয়ে তিনজন লোকবল দিয়ে ৬ জেলার বন্যপ্রাণী উদ্ধারে হিমশিম খেতে হচ্ছে এদের। ফলে অত্র এলাকায় বন্যপ্রাণীর উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেব।লোকবল সংকটের সমস্যা সমাধান না হলে সকলকে নিয়ে মানববন্ধনও করতেও রাজি আছি ।