রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ঘন কুয়াশায় জনজীবন যখন স্থবির হয়ে পড়েছে তখন কৃষকের হালের গরু চুরির ঘটনা বেরেছ।
সম্প্রতি মিঠাপুকুরের ৬ নং কাফ্রিখাল ৫ নং বালারহাট ৩নং পায়রাবান ইউনিয়ন সহ গত এক মাসে ১৭ টি ইউনিয়নে ৩০টি ও অধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। খোদ ৬ নং কাফ্রিখাল ইউনিয়নের গত ১৩/০১/২৪ ইং তারিখে রাতের আঁধারে আলিপুর গ্রামের আলহাজ্ব আঃ বাতেন সরকারের ছেলে আনারুল মিয়ার তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় গরুর গায়ের রং ছিলো,লাল, কালো সাদা। গত কিছুদিন আগে ৬ কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বুজরুক তাজপুর গ্রামের মাওলানা শাহানত আলীর বড় ছেলে সাফুজার রহমানের দুটি হালের গরু চুরি করে নিয়ে যায় যার মূল্য প্রায় ৩ (তিন) লাখ টাকা আর এই হালের গরু দুটি হারিয়ে পরিবারটি বর্তমান নিঃস্ব কেননা গরু দুটি দিয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্য মানুষের জমিতে হাল চাষ করে চলতো তার সংসার ও ছেলে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ। ৩,৫,৪,১২,১১, ইউনিয়নের গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
সরোজিনে কয়েকটি চুরির ঘটনা পরিদর্শন করে দেখা যায়, গত কয়েকদিন থেকে সমগ্র দেশ তথা উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে চোরের যেন বসেছে মিলন মেলা বিশেষ করে রংপুরের মিঠাপুকুরের কয়েকটি চুরির ঘটনায় জানান দিয়ে দেয় তারা এই এলাকায় বেশ সক্রিয় অবস্থানে আছে। তার সাথে পরিবারগুলি সর্বোচ্চ হারিয়ে দিশেহারা মানুষগুলো থানায় করে না কোন মামলা বা কোন প্রকারের জিডি পুলিশ প্রশাসনও নিতে পারেনা কোন পদক্ষে তাই জনসচেতনতা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এমন চুরির ঘটনা রোধ করা সম্ভব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে জানায়,ভুক্তভোগীরা অভিযোগ নিয়ে থানায় আসে না, ঘন কুয়াশার কারণে কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে তবে আমরা হারিয়ে যাওয়া গরু উদ্ধার করেছি পাশাপাশি বিট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছি কিভাবে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা যায় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেই সাথে অপরাধী কেউ চিহ্নিত করতে তার জন্য চাই স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চুরির মত ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করবেন।
শহিদুল ইসলাম উত্তরবঙ্গ আবাসিক প্রতিনিধি। 





















