ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

বঙ্গবন্ধুর স্নেহের তোফায়েল-৯ বারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সহ ৯ম বারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দ্বীপ সিংহ নামে খ্যাত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব, সাবেক ডাকসুর ভিপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ তোফায়েল আহমেদ এমপি। তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৪ সালের বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি। আওয়ামী লীগের এই অন্যতম নেতা, ভোলা-১ সদর আসন থেকে ৬ বার এবং ভোলা-২ (দৌলতখান- বোরহানউদ্দিন) আসন থেকে ৩ বার সহ মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোলা সদর উপজলোর দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর ও রাজনৈতিক সচিব। তবে রাজনৈতিক সচিব হলেও মূলত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মা ভক্ত তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে মাত্র ২৭ বছর বয়সে প্রথম এমএনএ পদ লাভ করেন।

বঙ্গবন্ধু উপাধিকারী এই নেতা ’৬৯-এর গনঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯৬ এ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিসহ আওয়ামী লীগের সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে ভোলা জেলা সদর আসনসহ ভোলার ৪টি আসনের ৭ উপজেলায় আওয়ামী লীগের পক্ষে দলকে সাংগঠনিক ভাবে গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ভোলার অন্য আসন গুলোতেও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। গত ১৫ বছরে দলীয় কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে সাহায্য করেছে।

শুধু রাজনীতিই নয় ভোলার উন্নয়নেও তার অবদান জনস্বীকৃত। বিশেষ করে ব্লক ও জিও ব্যাগ স্থাপনে ভোলাকে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হলেও এই বর্ষীয়ান নেতা গ্যাস- বিদ্যুৎ সমৃদ্ধ জেলাকে ভোলা- বরিশাল ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে সংযুক্ত করে তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন দেখতে চান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর স্নেহের তোফায়েল-৯ বারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন

আপডেট সময় ১২:১৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সহ ৯ম বারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দ্বীপ সিংহ নামে খ্যাত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব, সাবেক ডাকসুর ভিপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ তোফায়েল আহমেদ এমপি। তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৪ সালের বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি। আওয়ামী লীগের এই অন্যতম নেতা, ভোলা-১ সদর আসন থেকে ৬ বার এবং ভোলা-২ (দৌলতখান- বোরহানউদ্দিন) আসন থেকে ৩ বার সহ মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোলা সদর উপজলোর দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর ও রাজনৈতিক সচিব। তবে রাজনৈতিক সচিব হলেও মূলত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মা ভক্ত তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে মাত্র ২৭ বছর বয়সে প্রথম এমএনএ পদ লাভ করেন।

বঙ্গবন্ধু উপাধিকারী এই নেতা ’৬৯-এর গনঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯৬ এ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিসহ আওয়ামী লীগের সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে ভোলা জেলা সদর আসনসহ ভোলার ৪টি আসনের ৭ উপজেলায় আওয়ামী লীগের পক্ষে দলকে সাংগঠনিক ভাবে গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ভোলার অন্য আসন গুলোতেও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। গত ১৫ বছরে দলীয় কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে সাহায্য করেছে।

শুধু রাজনীতিই নয় ভোলার উন্নয়নেও তার অবদান জনস্বীকৃত। বিশেষ করে ব্লক ও জিও ব্যাগ স্থাপনে ভোলাকে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হলেও এই বর্ষীয়ান নেতা গ্যাস- বিদ্যুৎ সমৃদ্ধ জেলাকে ভোলা- বরিশাল ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে সংযুক্ত করে তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন দেখতে চান।