ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনায় ৯ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার, সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত মৌলভীবাজারে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে : সারজিস আলম ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কে জড়ালেন জিতু কামাল গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশন মিশিগানের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন রানীশংকৈলে লটকনের বাম্পার ফলন বাণিজ্যিক চাষে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চান স্থানীয়রা ঈদুল ফিতরে উদযাপনে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন কামাল বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসির উদ্যোগে এতিমদের ঈদ উপহার গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য দৈনিক মাতৃভূমির স্টাফ রিপোর্টার মোছাদ্দেক সৈকত

অবরোধে বিশেষ নিরাপত্তা, যথাসময়ে ঢাকা ছেড়েছে সব ট্রেন

ঢাকা: বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় ছেড়েছে ট্রেন। রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী রেলওয়ে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে ঢিল থেকে বাঁচতে ট্রেনচালকদের (লোকোমাস্টার) হেলমেট পরে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার।

তিনি বলেন রেলের যাত্রীরা যেন বিরক্ত বা ভীত না হন, সেজন্য আমরা প্রস্তুতি রেখেছি। প্রতিটি ট্রেনে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাহিনী থাকবে। সকাল থেকে প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে স্টেশন ছেড়ে গিয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির অবরোধ কেন্দ্র করে ট্রেনের যাত্রী ও চালক-গার্ডদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত আনসার মোতায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, বিএনপির হরতালের দিন থেকেই সব ট্রেনে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য দেওয়া হয়েছে। স্টেশন এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ইঞ্জিনের নিরাপত্তায় প্রয়োজন হলে অস্ত্রধারী পুলিশ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করছি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবরোধ বা হরতাল যাই হোক না কেন শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। অবরোধের জন্য ট্রেন বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্দিষ্ট দিনে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা ট্রেনগুলো শুধু বন্ধ থাকবে।

সতকর্তার অংশ হিসেবে ট্রেনে নিয়মিত নাশকতাবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানা গেছে। এছাড়া কমলাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোয় পুলিশি পাহারা বাড়ানো হয়েছে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় ৯ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার, সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত

অবরোধে বিশেষ নিরাপত্তা, যথাসময়ে ঢাকা ছেড়েছে সব ট্রেন

আপডেট সময় ১১:৪৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় ছেড়েছে ট্রেন। রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী রেলওয়ে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে ঢিল থেকে বাঁচতে ট্রেনচালকদের (লোকোমাস্টার) হেলমেট পরে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার।

তিনি বলেন রেলের যাত্রীরা যেন বিরক্ত বা ভীত না হন, সেজন্য আমরা প্রস্তুতি রেখেছি। প্রতিটি ট্রেনে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাহিনী থাকবে। সকাল থেকে প্রত্যেকটি ট্রেন যথাসময়ে স্টেশন ছেড়ে গিয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির অবরোধ কেন্দ্র করে ট্রেনের যাত্রী ও চালক-গার্ডদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত আনসার মোতায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, বিএনপির হরতালের দিন থেকেই সব ট্রেনে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য দেওয়া হয়েছে। স্টেশন এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ইঞ্জিনের নিরাপত্তায় প্রয়োজন হলে অস্ত্রধারী পুলিশ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করছি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবরোধ বা হরতাল যাই হোক না কেন শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। অবরোধের জন্য ট্রেন বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্দিষ্ট দিনে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা ট্রেনগুলো শুধু বন্ধ থাকবে।

সতকর্তার অংশ হিসেবে ট্রেনে নিয়মিত নাশকতাবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানা গেছে। এছাড়া কমলাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোয় পুলিশি পাহারা বাড়ানো হয়েছে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে।