ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

মাদারিপুরে হত্যা মামলায় পালাতক ফাঁসির আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

মাদারীপুর সদর থানার মোস্তফাপুর এলাকায় মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত ঘরামি হত্যা মামলায় মো: সেন্টু শরীফকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ২০১৩ সালে হত্যা মামলা দায়েরের পর জামিন নিয়ে ১০ বছর ছিলেন পলাতক। পরে রোববার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় র‍্যাব-২ এবং র‍্যাব-৮ যৌথ অভিযান চালিয়ে শরীফকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম বলেন শাহাদাত ঘরামি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে প্রতিবেশী মিরাজ ও সেন্টু গৌরনদীর বার্থী এলাকায় যাওয়ার কথা বলে শাহাদাত ঘরামির মোটরসাইকেল ভাড়া নেন। পরে তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি শেষে শাহাদাতকে নির্জন এলাকায় নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ তাদের আত্মীয় ফজেল শেখের মাধ্যমে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সিকি-নওহাটা এলাকার এক পতিত জমিতে ফেলে রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।

ঘটনার পরদিন লাশ দেখে থানা পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে উদ্ধার করা হয় শাহাদাতের মরাদেহ। এই ঘটনায় ১৩ সেপ্টম্বর নিহতের বাবা মোকসেদ ঘরামী বাদী হয়ে মিরাজ ফকির, সেন্টু শরীফ, ফজেল শেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনকে আসামী করে মাদারীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে এক বছর জেল হাজতে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামি সেন্টু শরীফকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।আসামি শরীফ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক, মিনিবাস ও বাসের ড্রাইভার হিসেবে চাকরি করে আত্মগোপনে ছিলেন।গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ও পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

মাদারিপুরে হত্যা মামলায় পালাতক ফাঁসির আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৩:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

মাদারীপুর সদর থানার মোস্তফাপুর এলাকায় মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত ঘরামি হত্যা মামলায় মো: সেন্টু শরীফকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ২০১৩ সালে হত্যা মামলা দায়েরের পর জামিন নিয়ে ১০ বছর ছিলেন পলাতক। পরে রোববার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় র‍্যাব-২ এবং র‍্যাব-৮ যৌথ অভিযান চালিয়ে শরীফকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম বলেন শাহাদাত ঘরামি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে প্রতিবেশী মিরাজ ও সেন্টু গৌরনদীর বার্থী এলাকায় যাওয়ার কথা বলে শাহাদাত ঘরামির মোটরসাইকেল ভাড়া নেন। পরে তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি শেষে শাহাদাতকে নির্জন এলাকায় নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ তাদের আত্মীয় ফজেল শেখের মাধ্যমে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সিকি-নওহাটা এলাকার এক পতিত জমিতে ফেলে রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।

ঘটনার পরদিন লাশ দেখে থানা পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে উদ্ধার করা হয় শাহাদাতের মরাদেহ। এই ঘটনায় ১৩ সেপ্টম্বর নিহতের বাবা মোকসেদ ঘরামী বাদী হয়ে মিরাজ ফকির, সেন্টু শরীফ, ফজেল শেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনকে আসামী করে মাদারীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে এক বছর জেল হাজতে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামি সেন্টু শরীফকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।আসামি শরীফ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক, মিনিবাস ও বাসের ড্রাইভার হিসেবে চাকরি করে আত্মগোপনে ছিলেন।গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ও পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।