ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

আড়িয়াল বিলের শাপলায় জীবন চলে পাড়ের মানুষের

ঢাকা: বাংলাদেশে এ সময় খাল-বিল থেকে প্রচুর পরিমাণে শাপলা পাওয়া যায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ।

মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলের আলমপুরগ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিলের পানিতে দিগন্তজুড়ে ফুটে রয়েছে শাপলা ফুল। বিলের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে শাপলা। আরেকটু এগিয়ে গেলেই দেখা মেলে নৌকা থেকে শাপলা গাড়িতে তোলা হচ্ছে। এখানকার কৃষকরা শাপলা ফুল থেকে আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন। শাপলা সংগ্রহ করে নৌকায় করে চলে যান ঘাটে। এরপর রাজধানীসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়।

পাশাপাশি জায়গাটিতে বেড়েছে পর্যটকদের ভিড়। শাপলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে সকালে দলবেঁধে নৌকা নিয়ে নারী-পুরুষ চলে আসেন এই বিলে।

আজিম উদ্দিন নামে একজন শাপলা বিক্রেতা বাংলানিউজকে জানান, আলমপুরগ্রামে আড়িয়াল বিল থেকে আমরা শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করি। এতে বাড়তি আয় হয়, যা আমাদের সংসার চালাতে একটু সুবিধা হয়। এছাড়া বিনা পুঁজিতেই এই ব্যবসা করা যায় বলে সুবিধা বেশি। প্রতিদিন শাপলা তুলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয় বলেও জানান আজিম।

আলমপুর গ্রামের এলাকার কৃষক আবুল বাশার বাংলানিউজকে বলেন, আমি মূলত কৃষিকাজ করি। বর্ষার পরও জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এই মৌসুমে কৃষি কাজ করতে পারি না, তাই এ সময়ে খাল বিল থেকেই শাপলা সংগ্রহ করি। পরে, সেগুলো বাজারে বিক্রি করে তা দিয়ে সংসার চালাই। আমাদের মতো অনেক কৃষক আছেন, যারা এ সময় বিলের শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করেন।

বর্ষায় শ্রীনগর, সিরাজদিখান মুন্সিগঞ্জ সদরসহ কয়েকটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ও ফসলি জমি ও খাল-বিল থেকে অনেক কৃষক ও দিনমজুররা ভোর থেকে শুরু করে শাপলা তুলে তা বাজারে বিক্রি করেন।

বর্ষা মৌসুমে বিশেষ করে আলমপুর গ্রামে বিলের পানিতে শাপলা সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করেই অনেক পরিবারের চলে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খাল-বিল ও বিস্তীর্ণ জমিতে শাপলা তুলে নৌকায় করে তা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন কৃষক ও দিনমজুররা। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন আড়্ৎ মুন্সিগঞ্জ থেকেই শাপলা কিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

আড়িয়াল বিলের শাপলায় জীবন চলে পাড়ের মানুষের

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: বাংলাদেশে এ সময় খাল-বিল থেকে প্রচুর পরিমাণে শাপলা পাওয়া যায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ।

মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলের আলমপুরগ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিলের পানিতে দিগন্তজুড়ে ফুটে রয়েছে শাপলা ফুল। বিলের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে শাপলা। আরেকটু এগিয়ে গেলেই দেখা মেলে নৌকা থেকে শাপলা গাড়িতে তোলা হচ্ছে। এখানকার কৃষকরা শাপলা ফুল থেকে আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন। শাপলা সংগ্রহ করে নৌকায় করে চলে যান ঘাটে। এরপর রাজধানীসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়।

পাশাপাশি জায়গাটিতে বেড়েছে পর্যটকদের ভিড়। শাপলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে সকালে দলবেঁধে নৌকা নিয়ে নারী-পুরুষ চলে আসেন এই বিলে।

আজিম উদ্দিন নামে একজন শাপলা বিক্রেতা বাংলানিউজকে জানান, আলমপুরগ্রামে আড়িয়াল বিল থেকে আমরা শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করি। এতে বাড়তি আয় হয়, যা আমাদের সংসার চালাতে একটু সুবিধা হয়। এছাড়া বিনা পুঁজিতেই এই ব্যবসা করা যায় বলে সুবিধা বেশি। প্রতিদিন শাপলা তুলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয় বলেও জানান আজিম।

আলমপুর গ্রামের এলাকার কৃষক আবুল বাশার বাংলানিউজকে বলেন, আমি মূলত কৃষিকাজ করি। বর্ষার পরও জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এই মৌসুমে কৃষি কাজ করতে পারি না, তাই এ সময়ে খাল বিল থেকেই শাপলা সংগ্রহ করি। পরে, সেগুলো বাজারে বিক্রি করে তা দিয়ে সংসার চালাই। আমাদের মতো অনেক কৃষক আছেন, যারা এ সময় বিলের শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করেন।

বর্ষায় শ্রীনগর, সিরাজদিখান মুন্সিগঞ্জ সদরসহ কয়েকটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ও ফসলি জমি ও খাল-বিল থেকে অনেক কৃষক ও দিনমজুররা ভোর থেকে শুরু করে শাপলা তুলে তা বাজারে বিক্রি করেন।

বর্ষা মৌসুমে বিশেষ করে আলমপুর গ্রামে বিলের পানিতে শাপলা সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করেই অনেক পরিবারের চলে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খাল-বিল ও বিস্তীর্ণ জমিতে শাপলা তুলে নৌকায় করে তা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন কৃষক ও দিনমজুররা। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন আড়্ৎ মুন্সিগঞ্জ থেকেই শাপলা কিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে।