ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ৭ মাদক কারবারী ও মাদক সেবী গ্রেফতার  ফুলবাড়ীতে যুব প্রতিনিধিত্ব ও নারী-শিশুবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবিতে অ্যাডভোকেসি সভা মহেশখালীতে তাজিয়াকাটা ঘাটের পাম্প বন্ধ করল উপজেলা প্রশাসন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবাসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা আত্রাইয়ে সরকারি জায়গা থেকে গাছ কাটার অপরাধে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়  পীরগঞ্জে আরডিআরএস এর উদ্যোগে কিশোরীদের শিখন সহযোগিতা সভা অনুষ্ঠিত বালিয়াডাঙ্গীতে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার কালুখালীতে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ কর্মসূচির উদ্বোধন ব্রাহ্মণপাড়া মোবাইল কোর্টের অভিযানে গ্রেপ্তার ১০ জন, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড গঙ্গাচড়ায় এনএসআই পরিচয়ে বিয়ে, ভুয়া পরিচয়পত্রেই ধরা খেলেন যুবক

গভীর রাতে দম্পতিকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ঘুমন্ত অবস্থায় দম্পতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখমের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টায় উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কামালপুর গ্রামের মৃত সলু মিয়ার ছেলে নাছির মিয়া (৩০) ও তার স্ত্রী আলপিনা বেগম(২৫)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজিনুর মিয়া ও স্থানীয়রা জানান, কামালপুর গ্রামের ফরহাদ মিয়ার ছেলে আতাবুর (২৮) এই নেক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে। সে সম্পর্কে ভিকটিম নাছিরের চাচাতো ভাই। দীর্ঘ দিন ধরে নাছির ও তার বউয়ের প্রতি তার ক্ষোভ দেখা গেছে। আগেও একবার তাদের উপর আক্রমণ করেছে। আমরা তাকে বুঝিয়েছি এবং সামাজিক ভাবে শেষ করেছি। কিন্তু গত রাত আনুমানিক ৩টায় সবাই যখন ঘুমে ছিলো তখন নাছিরের ঘরে ঢুকে ধারালো দেশিয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করে। তখন তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন বিপ্লব জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাছির ও তার স্ত্রী মারাত্মক ভাবে জখম হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে দম্পতিকে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে দম্পতি।

এবিষয়ে তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন বলেন, দম্পতিকে কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। তবে কেউ এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার দেবিদ্বার থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ৭ মাদক কারবারী ও মাদক সেবী গ্রেফতার 

গভীর রাতে দম্পতিকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম

আপডেট সময় ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ঘুমন্ত অবস্থায় দম্পতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখমের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টায় উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কামালপুর গ্রামের মৃত সলু মিয়ার ছেলে নাছির মিয়া (৩০) ও তার স্ত্রী আলপিনা বেগম(২৫)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজিনুর মিয়া ও স্থানীয়রা জানান, কামালপুর গ্রামের ফরহাদ মিয়ার ছেলে আতাবুর (২৮) এই নেক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে। সে সম্পর্কে ভিকটিম নাছিরের চাচাতো ভাই। দীর্ঘ দিন ধরে নাছির ও তার বউয়ের প্রতি তার ক্ষোভ দেখা গেছে। আগেও একবার তাদের উপর আক্রমণ করেছে। আমরা তাকে বুঝিয়েছি এবং সামাজিক ভাবে শেষ করেছি। কিন্তু গত রাত আনুমানিক ৩টায় সবাই যখন ঘুমে ছিলো তখন নাছিরের ঘরে ঢুকে ধারালো দেশিয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করে। তখন তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন বিপ্লব জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাছির ও তার স্ত্রী মারাত্মক ভাবে জখম হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে দম্পতিকে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে দম্পতি।

এবিষয়ে তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন বলেন, দম্পতিকে কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। তবে কেউ এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।