ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ আহতদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ইশরাক হোসেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ পিনাকী-ইলিয়াস জামায়াতের হয়ে টাকার বিনিময়ে গুজব ছড়ান: প্রতিমন্ত্রী নুর বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ স্বজনদের, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের জাজিরা থানার ওসি মোঃ সালেহ আহাম্মদ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে চুরি-ছিনতাই ও কিশোরগ্যাং আতঙ্ক, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও

পাটের বান্ডিলে ২৯০ কেজি ইলিশ পাচার হচ্ছিল ভারতে

কলকাতা: বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসা ৩২৫ কেজি পদ্মার ইলিশ উদ্ধার করল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ ঘটনায় পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবৈধভাবে ইলিশ পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম নিতাই মণ্ডল। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানা এলাকার বাসিন্দা

দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে ৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি মাহিন্দ্রার বিএসএফ সদস্যরা এ বিপুল পরিমাণ ইলিশ জব্দ করে ও পাচারকারীতে পুলিশে সোপর্দ করে।

জব্দ হওয়া ইলিশের ভারতীয় মুদ্রায় বাজারমূল্য ৫ লাখ ২০ হাজার রুপির বেশি।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিএসএফ।

তারা জানিয়েছে, দুই ধাপে উদ্ধার হয়েছে মোট ৩২৫ কেজি পদ্মার ইলিশ। প্রথমে নৌকায় পাটের বান্ডিলের ভেতর পাওয়া যায় ২৯০ কেজি। অপর স্থান থেকে মিলেছে ৩৫ কেজি ইলিশ।

জানা যায়, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) অন্যান্য দিনের মতো মুর্শিদাবাদের মাথাভাঙা নদীর সীমান্ত এলাকায় স্পিড বোটে টহল দিচ্ছিলেন বিএসএফ সদস্যরা। স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টার দিকে তাদের চোখে পড়ে একজন মাঝি বাংলাদেশ সীমানা থেকে কাঁচা পাটের বান্ডিল বোঝাই করা নৌকা নিয়ে আসছেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ব্যক্তিটির কথায় একাধিক অসঙ্গতি মিললে তার সঙ্গে থাকা পাটের মধ্যে কী আছে, দেখতে চায় বাহিনী।

সার্চ করে পাটের বোঝাইয়ের মধ্যে থরে থরে সাজানো ১৬টি প্লাস্টিকের বস্তায় উদ্ধার হয় পদ্মার ইলিশ। প্রতি ইলিশের আনুমানিক ওজন প্রায় এক কেজি। সব মিলিয়ে ১৬টি বস্তায় উদ্ধার হয় ২৯০ কেজি ইলিশ।

বিএসএফের দাবি, মাছগুলো পদ্মা নদী থেকে ধরা। সেটা পাচার হয়ে আসছিল পশ্চিমবঙ্গে।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার নিতাই জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে চারজন তার হাতে এক হাজার রুপি দিয়ে তাকে বলেছিল, ওই পাটের বান্ডিল নদী পেরিয়ে ভারতে নিয়ে যেতে। এবং সীমান্ত পেরিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার তালতলী গ্রামের বাপন মণ্ডলের কাছে হস্তান্তর করতে। তিনি সেই অনুযায়ী কাজ করেছেন। পাটের বান্ডিলের ভেতরে মাছ আছে, তা তার জানা ছিল না বলে বিএসএফকে জানিয়েছে নিতাই।

নিতাইয়ের দেওয়া তথ্য মতে পাচারকারীদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

অপরদিকে, অন্য একটি ঘটনায়, বর্ডার পোস্ট ফারজিপাড়া, অ্যাডহোক -১০ কোরের সীমান্তরক্ষী সদস্যরা তাদের দায়িত্বের এলাকা থেকে ৩৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেছে।

এনিয়ে বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি একে আর্য বলেছেন, এক সপ্তাহে দুটি ইলিশ পাচারের ঘটনা রুখে দিল বিএসএফ। বাংলাদেশ থেকে মাছের এই বিশাল মাছের চালান ভারতে আনার চেষ্টা করছিল চোরাকারবারিরা। চোরাচালান ঠেকাতে আমরা বদ্ধপরিকর আমরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ

পাটের বান্ডিলে ২৯০ কেজি ইলিশ পাচার হচ্ছিল ভারতে

আপডেট সময় ০১:০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কলকাতা: বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসা ৩২৫ কেজি পদ্মার ইলিশ উদ্ধার করল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ ঘটনায় পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবৈধভাবে ইলিশ পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম নিতাই মণ্ডল। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানা এলাকার বাসিন্দা

দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে ৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি মাহিন্দ্রার বিএসএফ সদস্যরা এ বিপুল পরিমাণ ইলিশ জব্দ করে ও পাচারকারীতে পুলিশে সোপর্দ করে।

জব্দ হওয়া ইলিশের ভারতীয় মুদ্রায় বাজারমূল্য ৫ লাখ ২০ হাজার রুপির বেশি।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিএসএফ।

তারা জানিয়েছে, দুই ধাপে উদ্ধার হয়েছে মোট ৩২৫ কেজি পদ্মার ইলিশ। প্রথমে নৌকায় পাটের বান্ডিলের ভেতর পাওয়া যায় ২৯০ কেজি। অপর স্থান থেকে মিলেছে ৩৫ কেজি ইলিশ।

জানা যায়, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) অন্যান্য দিনের মতো মুর্শিদাবাদের মাথাভাঙা নদীর সীমান্ত এলাকায় স্পিড বোটে টহল দিচ্ছিলেন বিএসএফ সদস্যরা। স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টার দিকে তাদের চোখে পড়ে একজন মাঝি বাংলাদেশ সীমানা থেকে কাঁচা পাটের বান্ডিল বোঝাই করা নৌকা নিয়ে আসছেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ব্যক্তিটির কথায় একাধিক অসঙ্গতি মিললে তার সঙ্গে থাকা পাটের মধ্যে কী আছে, দেখতে চায় বাহিনী।

সার্চ করে পাটের বোঝাইয়ের মধ্যে থরে থরে সাজানো ১৬টি প্লাস্টিকের বস্তায় উদ্ধার হয় পদ্মার ইলিশ। প্রতি ইলিশের আনুমানিক ওজন প্রায় এক কেজি। সব মিলিয়ে ১৬টি বস্তায় উদ্ধার হয় ২৯০ কেজি ইলিশ।

বিএসএফের দাবি, মাছগুলো পদ্মা নদী থেকে ধরা। সেটা পাচার হয়ে আসছিল পশ্চিমবঙ্গে।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার নিতাই জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে চারজন তার হাতে এক হাজার রুপি দিয়ে তাকে বলেছিল, ওই পাটের বান্ডিল নদী পেরিয়ে ভারতে নিয়ে যেতে। এবং সীমান্ত পেরিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার তালতলী গ্রামের বাপন মণ্ডলের কাছে হস্তান্তর করতে। তিনি সেই অনুযায়ী কাজ করেছেন। পাটের বান্ডিলের ভেতরে মাছ আছে, তা তার জানা ছিল না বলে বিএসএফকে জানিয়েছে নিতাই।

নিতাইয়ের দেওয়া তথ্য মতে পাচারকারীদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

অপরদিকে, অন্য একটি ঘটনায়, বর্ডার পোস্ট ফারজিপাড়া, অ্যাডহোক -১০ কোরের সীমান্তরক্ষী সদস্যরা তাদের দায়িত্বের এলাকা থেকে ৩৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেছে।

এনিয়ে বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি একে আর্য বলেছেন, এক সপ্তাহে দুটি ইলিশ পাচারের ঘটনা রুখে দিল বিএসএফ। বাংলাদেশ থেকে মাছের এই বিশাল মাছের চালান ভারতে আনার চেষ্টা করছিল চোরাকারবারিরা। চোরাচালান ঠেকাতে আমরা বদ্ধপরিকর আমরা।