ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উঠান বৈঠক ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আজ ২৭ আগস্ট রোজ রবিবার মির্জাপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ ওয়ার্ড কর্তৃক উঠান বৈঠক ও মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত।মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ মির্জাপুর টাঙ্গাইল। পৌর মেয়র সালমা আক্তার, শিমুল সহ মির্জাপুর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার তাহরিম হোসেন সীমান্ত বলেন, আমার বাবা চার চারবারে নির্বাচিত টাঙ্গাইল ৭ এর প্রয়াত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একাব্বর হোসেন ছিলেন এই এলাকার মধ্যমণি। সংসদ সদস্য হয়েও তিনি অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন, সাধারণ মানুষের সাথে মিশতেন, সুখে দুখে তিনি সাধারন মানুষের কথা শুনতেন।তিনি সবসময় এলাকার মানুষের ভালো চাইতেন, এলাকার সাধারণ মানুষের কথা তিনি দিনরাত চিন্তা করে গেছেন। প্রতিপক্ষকে মামলা দিয়ে হেয় করার পক্ষে ছিলেন না তিনি। এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি তাই নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন। ক্ষমতায় থেকে কখনো তিনি তার অপব্যবহার করেননি। আমি তার সন্তান মানে আপনাদেরই সন্তান। আমার বাবা যে মির্জাপুরের উন্নয়ন করে গেছেন তার জলজ্যান্ত সাক্ষী আপনারাই। আমি আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের মাঝে পাঠালে আমি মির্জাপুর বাসীর কল্যাণে আমার বাবার মতোই নিজেকে সদা নিয়োজিত রাখব ইনশাআল্লাহ। এজন্য আমি আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।

নৌকা প্রতীকে নমিনেশন পেলে উপস্থিত এলাকার লোকজন ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্তর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উত্তম ঘোষ, বিদ্যুৎ ঘোষ, মিন্টু ঘোষ, নরেন ঘোষ প্রমুখ।

পরিশেষে সভাপতি সাহা প্রান গোপাল প্রফেসরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উঠান বৈঠক ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

আজ ২৭ আগস্ট রোজ রবিবার মির্জাপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ ওয়ার্ড কর্তৃক উঠান বৈঠক ও মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত।মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ মির্জাপুর টাঙ্গাইল। পৌর মেয়র সালমা আক্তার, শিমুল সহ মির্জাপুর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার তাহরিম হোসেন সীমান্ত বলেন, আমার বাবা চার চারবারে নির্বাচিত টাঙ্গাইল ৭ এর প্রয়াত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একাব্বর হোসেন ছিলেন এই এলাকার মধ্যমণি। সংসদ সদস্য হয়েও তিনি অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন, সাধারণ মানুষের সাথে মিশতেন, সুখে দুখে তিনি সাধারন মানুষের কথা শুনতেন।তিনি সবসময় এলাকার মানুষের ভালো চাইতেন, এলাকার সাধারণ মানুষের কথা তিনি দিনরাত চিন্তা করে গেছেন। প্রতিপক্ষকে মামলা দিয়ে হেয় করার পক্ষে ছিলেন না তিনি। এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি তাই নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন। ক্ষমতায় থেকে কখনো তিনি তার অপব্যবহার করেননি। আমি তার সন্তান মানে আপনাদেরই সন্তান। আমার বাবা যে মির্জাপুরের উন্নয়ন করে গেছেন তার জলজ্যান্ত সাক্ষী আপনারাই। আমি আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের মাঝে পাঠালে আমি মির্জাপুর বাসীর কল্যাণে আমার বাবার মতোই নিজেকে সদা নিয়োজিত রাখব ইনশাআল্লাহ। এজন্য আমি আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।

নৌকা প্রতীকে নমিনেশন পেলে উপস্থিত এলাকার লোকজন ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্তর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উত্তম ঘোষ, বিদ্যুৎ ঘোষ, মিন্টু ঘোষ, নরেন ঘোষ প্রমুখ।

পরিশেষে সভাপতি সাহা প্রান গোপাল প্রফেসরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।