ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

সাংবাদিক রামকৃষ্ণ তালুকদার ও বর্তমান মেম্বার কৃষ্ণ তালুকদারের পিতার শ্রাদ্ব অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক রামকৃষ্ণ তালুকদার ও বর্তমান মেম্বার কৃষ্ণ তালুকদারের পিতার শ্রাদ্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে২১/৮/২০২৩ইং আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের বলদী গ্রামের নিজ বাড়িতে “জন্মিলে মরিতে হইবে অমর কে কোথা রবে” উপরের উদ্ধৃতিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের। সনাতন ধর্মের মতে মৃতের পুত্রকণ্যাদের কিছু ধর্মীয় রীতি পালন করতে হয় যাতে মৃতের আত্মা দিব্যধাম তথা বন্ধন মুক্ত হয়ে স্বর্গে প্রবেশ করতে পারে। যদিও মুক্তি কেউ কাউ কে এনে দিতে পারে না কারণ প্রত্যেকেই নিজ কর্ম দিয়ে মুক্তি অর্জন করতে হয়। বুদ্ধ যেমন বলেছেন, ” অত্তদীপ বিহরত” অর্থাৎ প্রত্যেককে তার নিজের দীপ হয়ে জ্বলতে হবে।

তদুপরি ও ধর্মীয় ও লোকাচারের অংশ হিসেবে এ ধর্মীয় ঐতিহ্য জীবিত লোকদের আত্মানুসন্ধান এর একটি পথ। বৌদ্ধ দর্শনে যাকে স্মৃতি বলা হয়ে থাকে অর্থাৎ অপরের অবস্থা দেখে নিজের স্বরূপ উপলব্ধি করা।

মৃত্যু যদিও শোকগাঁথা রচনা করে তদুপরিও রবীন্দ্রনাথ মৃত্যুকে আনন্দ সহকারে বরণ করেছেন, আমি ও মনে করি রবীন্দ্রনাথের এ উপলব্ধি যথার্থ কারণ রবীন্দ্রনাথ বলেছেন যে, “মৃত্যুকে জানালার পাশে না রাখলে জীবনকে উপভোগ করা যায় না”

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “মরণ, আমার মরণ, তুমি কও আমারে কথা। তোমার লাগি সারাজীবন প্রতিদিন যে আছি জাগি তোমার তরে বয়ে বেড়াই দু:খ সুখের কথা।” ( কবিতা : “ওগো আমার এ জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা- গীতান্জলী কাব্য থেকে নেওয়া )।উক্ত অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করেন শ্রী হিমাংশু চক্রবর্তী, জলসুখা। ভাগবত পাঠ করেন বাবু ডাঃ এস,কে দাশ চৌধুরী, নবীগঞ্জ। উপস্থিত ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শিক্ষক যাদব চৌধুরী, শংকর রায়,ননীগোপাল দাস,আশিষ কুমার দাস, বানিয়াচং উপজেলার বিশিষ্ট প্রঞ্চায়েত প্রধান নিশিকান্ত চৌধুরী, বদলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও মেম্বার অরুণ কুমার তালুকদার, মহিলা মেম্বার দীপালি রানী দাস, মহিলা মেম্বার বিউটি রানী দাস, সাংবাদিক জামিনুল ইসলাম, সাংবাদিক শুভ রায়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কালিপদ দাস,মনা দাস,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অমর চাঁদ দাশ, সাধারণ সম্পাদক মহানন্দ দাশ,শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি প্রজেশ চক্রবর্তী, মেম্বার গুনসিন্দু চক্রবর্তী, পাহাড় পুর বাজার পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি গৌউর দাস,ডাঃ জয়ন্ত সরকার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জয়কান্ত দাস সহ এলাকার প্রায় সাতশত ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক রামকৃষ্ণ তালুকদার ও বর্তমান মেম্বার কৃষ্ণ তালুকদারের পিতার শ্রাদ্ব অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০১:১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

সাংবাদিক রামকৃষ্ণ তালুকদার ও বর্তমান মেম্বার কৃষ্ণ তালুকদারের পিতার শ্রাদ্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে২১/৮/২০২৩ইং আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের বলদী গ্রামের নিজ বাড়িতে “জন্মিলে মরিতে হইবে অমর কে কোথা রবে” উপরের উদ্ধৃতিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের। সনাতন ধর্মের মতে মৃতের পুত্রকণ্যাদের কিছু ধর্মীয় রীতি পালন করতে হয় যাতে মৃতের আত্মা দিব্যধাম তথা বন্ধন মুক্ত হয়ে স্বর্গে প্রবেশ করতে পারে। যদিও মুক্তি কেউ কাউ কে এনে দিতে পারে না কারণ প্রত্যেকেই নিজ কর্ম দিয়ে মুক্তি অর্জন করতে হয়। বুদ্ধ যেমন বলেছেন, ” অত্তদীপ বিহরত” অর্থাৎ প্রত্যেককে তার নিজের দীপ হয়ে জ্বলতে হবে।

তদুপরি ও ধর্মীয় ও লোকাচারের অংশ হিসেবে এ ধর্মীয় ঐতিহ্য জীবিত লোকদের আত্মানুসন্ধান এর একটি পথ। বৌদ্ধ দর্শনে যাকে স্মৃতি বলা হয়ে থাকে অর্থাৎ অপরের অবস্থা দেখে নিজের স্বরূপ উপলব্ধি করা।

মৃত্যু যদিও শোকগাঁথা রচনা করে তদুপরিও রবীন্দ্রনাথ মৃত্যুকে আনন্দ সহকারে বরণ করেছেন, আমি ও মনে করি রবীন্দ্রনাথের এ উপলব্ধি যথার্থ কারণ রবীন্দ্রনাথ বলেছেন যে, “মৃত্যুকে জানালার পাশে না রাখলে জীবনকে উপভোগ করা যায় না”

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “মরণ, আমার মরণ, তুমি কও আমারে কথা। তোমার লাগি সারাজীবন প্রতিদিন যে আছি জাগি তোমার তরে বয়ে বেড়াই দু:খ সুখের কথা।” ( কবিতা : “ওগো আমার এ জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা- গীতান্জলী কাব্য থেকে নেওয়া )।উক্ত অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করেন শ্রী হিমাংশু চক্রবর্তী, জলসুখা। ভাগবত পাঠ করেন বাবু ডাঃ এস,কে দাশ চৌধুরী, নবীগঞ্জ। উপস্থিত ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শিক্ষক যাদব চৌধুরী, শংকর রায়,ননীগোপাল দাস,আশিষ কুমার দাস, বানিয়াচং উপজেলার বিশিষ্ট প্রঞ্চায়েত প্রধান নিশিকান্ত চৌধুরী, বদলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও মেম্বার অরুণ কুমার তালুকদার, মহিলা মেম্বার দীপালি রানী দাস, মহিলা মেম্বার বিউটি রানী দাস, সাংবাদিক জামিনুল ইসলাম, সাংবাদিক শুভ রায়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কালিপদ দাস,মনা দাস,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অমর চাঁদ দাশ, সাধারণ সম্পাদক মহানন্দ দাশ,শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি প্রজেশ চক্রবর্তী, মেম্বার গুনসিন্দু চক্রবর্তী, পাহাড় পুর বাজার পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি গৌউর দাস,ডাঃ জয়ন্ত সরকার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জয়কান্ত দাস সহ এলাকার প্রায় সাতশত ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।