ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ আহতদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ইশরাক হোসেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ পিনাকী-ইলিয়াস জামায়াতের হয়ে টাকার বিনিময়ে গুজব ছড়ান: প্রতিমন্ত্রী নুর বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ স্বজনদের, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের জাজিরা থানার ওসি মোঃ সালেহ আহাম্মদ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে চুরি-ছিনতাই ও কিশোরগ্যাং আতঙ্ক, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও

সিরিজ বোমা হামলার ১৮ বছর আজ

১৭ আগস্ট।  বহুল আলোচিত দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৮ বছরে গড়ালো আজ। সাক্ষীর অভাবে এখনও ঝুলছে ৪১টি মামলার কার্যক্রম।

জঙ্গিরা সুসংগঠিত হয়ে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তার জলন্ত চিত্র দেখা গেছে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট। মুন্সিগঞ্জ বাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) একযোগে চালানো সিরিজ বোমা হামলায় কেঁপে ওঠে দেশের ৬৩টি জেলা। ওই হামলায় দুই জন নিহত আর বহু মানুষ আহত হন।

এ ঘটনার পর সারাদেশে মোট ১৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়। যার মধ্যে এখনও চলমান ৪১টি। বাকী ১০২টি মামলায় ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়েছে ১৫ জনকে, যার মধ্যে ৬ জনের অন্য মামলায় ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। তারা সবাই জেএমবি সদস্য। এছাড়া আরও কমপক্ষে সাড়ে ৩০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। সাক্ষী না থাকায় ১৭ টি মামলায় চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

ঢাকা মহানগর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু জানান, “সবকিছু এডজাস্ট না হলে মামলা শেষ করা যাচ্ছে না, এটা একটা বড় সমস্যা। যদি সাক্ষী না পাওয়া যায়, তবে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই মামলাগুলো সেন্সিটিভ। তাই সাক্ষী না থাকলে মামলাগুলো শেষ করা যাবে না।”

সিরিজ বোমা হামলার পর ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজানের বর্বর হামলা ফের ভাবিয়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। দেশজুড়ে টানা অভিযানে উগ্রবাদিদের মূল শক্তি ধ্বংসের দাবি করা হয় তাদের পক্ষ থেকে। এখন জঙ্গিদের নতুন নতুন নামে মাথাচাড়া দেয়ার কথাও বলছে তারা। এ প্রসঙ্গে র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, “যারা আগে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ ছিল, দেশকে অস্থিতিশীল করতে বা সদস্য সংগ্রহের কাজে এখন তাদের অ্যাক্টিভ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।” এ বিষয়ে র‍্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তবে শক্তি দিয়ে নয়, অভিযানের পাশপাশি উগ্রবাদীদের আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করা বেশি জরুরি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ

সিরিজ বোমা হামলার ১৮ বছর আজ

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

১৭ আগস্ট।  বহুল আলোচিত দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৮ বছরে গড়ালো আজ। সাক্ষীর অভাবে এখনও ঝুলছে ৪১টি মামলার কার্যক্রম।

জঙ্গিরা সুসংগঠিত হয়ে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তার জলন্ত চিত্র দেখা গেছে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট। মুন্সিগঞ্জ বাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) একযোগে চালানো সিরিজ বোমা হামলায় কেঁপে ওঠে দেশের ৬৩টি জেলা। ওই হামলায় দুই জন নিহত আর বহু মানুষ আহত হন।

এ ঘটনার পর সারাদেশে মোট ১৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়। যার মধ্যে এখনও চলমান ৪১টি। বাকী ১০২টি মামলায় ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়েছে ১৫ জনকে, যার মধ্যে ৬ জনের অন্য মামলায় ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। তারা সবাই জেএমবি সদস্য। এছাড়া আরও কমপক্ষে সাড়ে ৩০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। সাক্ষী না থাকায় ১৭ টি মামলায় চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

ঢাকা মহানগর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু জানান, “সবকিছু এডজাস্ট না হলে মামলা শেষ করা যাচ্ছে না, এটা একটা বড় সমস্যা। যদি সাক্ষী না পাওয়া যায়, তবে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই মামলাগুলো সেন্সিটিভ। তাই সাক্ষী না থাকলে মামলাগুলো শেষ করা যাবে না।”

সিরিজ বোমা হামলার পর ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজানের বর্বর হামলা ফের ভাবিয়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। দেশজুড়ে টানা অভিযানে উগ্রবাদিদের মূল শক্তি ধ্বংসের দাবি করা হয় তাদের পক্ষ থেকে। এখন জঙ্গিদের নতুন নতুন নামে মাথাচাড়া দেয়ার কথাও বলছে তারা। এ প্রসঙ্গে র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, “যারা আগে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ ছিল, দেশকে অস্থিতিশীল করতে বা সদস্য সংগ্রহের কাজে এখন তাদের অ্যাক্টিভ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।” এ বিষয়ে র‍্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তবে শক্তি দিয়ে নয়, অভিযানের পাশপাশি উগ্রবাদীদের আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করা বেশি জরুরি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।