ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল নায়েব ফিরোজের ‘রাজত্বে’ কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়ন ভূমি অফিস বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি নওগাঁয় ছাত্রীকে উত্ত্যক্তকারী যুবক মোটরসাইকেলসহ ডিবি পুলিশ হাতে গ্রেপ্তার  অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন অপু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান বিদায়ী সিভিল সার্জন নোমান মিয়া ওএসডি ক্রেতা নেই, হিমাগার থেকে আলু নিচ্ছে না কৃষক ও ব্যবসায়ী বড়লেখায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎলাইন সংস্কারে ঘুষ আদায়, ৩ গ্রাহক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ নবাব ফয়জুন্নেছা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় নদী ও প্রকৃতি বাঁচাতে গঙ্গাচড়ায় খয়রুন নাস ফাউন্ডেশনের সবুজ বিপ্লব ‎

মাধবপুরে জালিয়াতি মাধ্যমে হিন্দুপরিবারের জমি আত্মসাতের অভিযোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক হিন্দু পরিবারের স্থানীয় মাধবপুর পৌরসভার এক কর্মচারীর পিতৃজমি ওয়ারিশ জালিয়াতি ও ভুয়া নামজারির মাধ্যমে আত্বসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া মৌজার জেএল নং-৩৫, খতিয়ান নং-১২৬২, দাগ নং-১০৬৬৪ মোয়াজী ১.৭৩ একর জায়গার স্থানীয় আনন্দ মোহন রায় ও ভবতারণ রায়দের খরিদা সম্পত্তি যাদের নাতী ও বৈধ ওয়ারিশ শংকর রায় হলেও স্থানীয় মৃত আনন্দ মোহন রায়ের পুত্র অমরেন্দ্র রায় (৭৯) ওয়ারিশ জালিয়াতি মাধ্যমের নিজ নামে রেজিষ্ট করেছে ৯৬৮৭/২০২২ দলিলের মাধ্যমে এক মুসলিম লোকের কাছে বিক্রিও করে দিয়েছে।

জমির ক্রেতা এলাকার প্রভাবশালী মুসলিম হওয়ায় দাবীদার হিন্দু পরিবারের লোকজন ভয়ে জমিতে যেতে পারছেন না।থানায় অভিযোগ থাকার সত্ত্বেও কোন বিচারও পাচ্ছেন না মাধবপুর পৌরসভার মোদক পট্টিতে বসবাসরত ওই ভুক্তভোগীর পরিবার।

সরেজমিন অনুসন্ধানে,জমি ক্রয় বিক্রয়ে ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সাব রেজিস্ট্রি অফিসের গাফিলতি ও অনিয়মের প্রমাণও পাওয়া যায়।

মাধবপুর পৌরসভার হিসাব সহকারী পদে কর্মরত ও ভুক্তভোগী শংকর রায় জানান,ওই লোক আমাদের ওয়ারিশ সম্পদ জালিয়াতি মাধ্যমে মালিক হয়ে এক মুসলিম ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

যাতে আমরা ভয়ে কিছু বলতে না পারি।আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি এরপরেও তারা রাজনৈতিক শক্তির ব্যবহার করে আমাদের হয়রানি করছে। অমরেন্দ্র আমার চাচা হলেও সে জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের ওয়ারিশান সম্পত্তি গ্রাস করছে।

এ ব্যাপারে অমরেন্দ্র রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি কোন জালিয়াতি করি নি।থানার অফিসার ইনচার্জ এর কাছে গিয়েছি আমার অন্যায় থাকলে তিনি বলবেন।

এলাকার সচেতন মহলের দাবী,ওই জায়গায়কে কেন্দ্র করে যাতে কোন আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না ঘটে এবং প্রকৃত হকদারের যথার্থ বিচার প্রতিষ্টিত হয়।কোন অবস্থাতেই যাতে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বিনষ্টের পরিস্থিতি না হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল

মাধবপুরে জালিয়াতি মাধ্যমে হিন্দুপরিবারের জমি আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক হিন্দু পরিবারের স্থানীয় মাধবপুর পৌরসভার এক কর্মচারীর পিতৃজমি ওয়ারিশ জালিয়াতি ও ভুয়া নামজারির মাধ্যমে আত্বসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া মৌজার জেএল নং-৩৫, খতিয়ান নং-১২৬২, দাগ নং-১০৬৬৪ মোয়াজী ১.৭৩ একর জায়গার স্থানীয় আনন্দ মোহন রায় ও ভবতারণ রায়দের খরিদা সম্পত্তি যাদের নাতী ও বৈধ ওয়ারিশ শংকর রায় হলেও স্থানীয় মৃত আনন্দ মোহন রায়ের পুত্র অমরেন্দ্র রায় (৭৯) ওয়ারিশ জালিয়াতি মাধ্যমের নিজ নামে রেজিষ্ট করেছে ৯৬৮৭/২০২২ দলিলের মাধ্যমে এক মুসলিম লোকের কাছে বিক্রিও করে দিয়েছে।

জমির ক্রেতা এলাকার প্রভাবশালী মুসলিম হওয়ায় দাবীদার হিন্দু পরিবারের লোকজন ভয়ে জমিতে যেতে পারছেন না।থানায় অভিযোগ থাকার সত্ত্বেও কোন বিচারও পাচ্ছেন না মাধবপুর পৌরসভার মোদক পট্টিতে বসবাসরত ওই ভুক্তভোগীর পরিবার।

সরেজমিন অনুসন্ধানে,জমি ক্রয় বিক্রয়ে ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সাব রেজিস্ট্রি অফিসের গাফিলতি ও অনিয়মের প্রমাণও পাওয়া যায়।

মাধবপুর পৌরসভার হিসাব সহকারী পদে কর্মরত ও ভুক্তভোগী শংকর রায় জানান,ওই লোক আমাদের ওয়ারিশ সম্পদ জালিয়াতি মাধ্যমে মালিক হয়ে এক মুসলিম ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

যাতে আমরা ভয়ে কিছু বলতে না পারি।আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি এরপরেও তারা রাজনৈতিক শক্তির ব্যবহার করে আমাদের হয়রানি করছে। অমরেন্দ্র আমার চাচা হলেও সে জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের ওয়ারিশান সম্পত্তি গ্রাস করছে।

এ ব্যাপারে অমরেন্দ্র রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি কোন জালিয়াতি করি নি।থানার অফিসার ইনচার্জ এর কাছে গিয়েছি আমার অন্যায় থাকলে তিনি বলবেন।

এলাকার সচেতন মহলের দাবী,ওই জায়গায়কে কেন্দ্র করে যাতে কোন আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না ঘটে এবং প্রকৃত হকদারের যথার্থ বিচার প্রতিষ্টিত হয়।কোন অবস্থাতেই যাতে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বিনষ্টের পরিস্থিতি না হয়।