ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে চুরি-ছিনতাই ও কিশোরগ্যাং আতঙ্ক, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও জেলা প্রশাসক, বরগুনা কর্তৃক সাপ্তাহিক গণশুনানি গ্রহণ অনুষ্ঠিত শ্রমিক লীগ নেতার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শেয়ার দখল ও হুমকির অভিযোগ বরগুনার তালতলীতে ১ টি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ পাঁচজন আটক লালমনিরহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এআই ক্যামেরার নজরদারিতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা, জরিমানা ১৫ লাখ ৫১ হাজার পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুমিল্লার দেবিদ্বার থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ৭ মাদক কারবারী ও মাদক সেবী গ্রেফতার  ফুলবাড়ীতে যুব প্রতিনিধিত্ব ও নারী-শিশুবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবিতে অ্যাডভোকেসি সভা

লেমিনেটিং এনআইডিধারীরাই প্রবাসে পাবেন স্মার্টকার্ড

ঢাকা: প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্যক্রম আরও সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  

এক্ষেত্রে যারা দেশে থাকতে লেমিনেটিং এনআইডি নিয়েছিলেন, তাদের স্মার্টকার্ড প্রবাসে পৌঁছে দেবে সংস্থাটি।

নতুন করে যারা আবেদন করবেন তাদের ভুল সংশোধনেরও সুযোগ থাকছে প্রবাসেই।

 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য এনআইডি মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীর ইসির সিস্টেম ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, দেশে থাকতে যারা ভোটার হয়ে লেমিনেটিং এনআইডি নিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের  মাধ্যমে তালিকা সংগ্রহ করে তাদের স্মার্ট এনআইডি কার্ড দেওয়া যেতে পারে। তবে যারা দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং আইরিশ দেননি তাদের ক্ষেত্রে কি প্রক্রিয়ায় তা সংগ্রহ করা যায় সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান এনআইডি কার্যক্রমে কারো আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে বা ভুল হলে সেই আবেদন বাতিল করা হতো। এতে সংশ্লিষ্ট নাগরিকের দেশে আসা ছাড়া পথ ছিল না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর আবেদন বাতিল না করে সংশোধনের সুযোগ রাখবে ইসি।

তদন্ত প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে প্রয়োজনীয় দলিলাদি সরবরাহ করতে দেরি হলে বা অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হলে সেগুলোর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন অফিসার কর্তৃক সেই আবেদন বাতিল না করে ইনভেস্টিগেশন পেন্ডিং নামে একটি অপশন তৈরি করা হচ্ছে সফটওয়্যারে।

এর ফলে প্রযোজ্য দলিলাদি সরবরাহ করা হলে সেগুলোকে পুনরায় প্রক্রিয়াকরণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করা হবে।

এদিকে, প্রবাসীরা যখন সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আবেদন করেন, সে সময় কন্টাক্ট পারসনের কেবল একটি ফোন/মোবাইল নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকে। এতে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাওয়া যায় না। তাই এখন থেকে একাধিক ফোন/মোবাইল নম্বর নেবে সংস্থাটি। অন্যদিকে এনআইডি সিস্টেম থেকে দেশে বসবাসরত নাগরিকরা যেমন মোবাইলে খুদে বার্তায় আবেদন সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। সেই ব্যবস্থা প্রবাসীদের জন্যেও রাখার বিবেচনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, প্রবাসে এনআইডি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের উপায়ও খুঁজছে ইসি।

বর্তমানে দূতাবাসের মাধ্যমে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। তাই এনআইডি উইং হতে প্রেরিত এনআইডি কার্ডসমূহ সংশ্লিষ্ট দূতাবাস/হাইকমিশন/কনস্যুলেট কর্তৃক বুঝে পাওয়া বা রিসিভিং হিস্ট্রিরি রাখার জন্য সিস্টেম ডেভেলপ করা; রেজিস্ট্রার পদ্ধতি অনুসরণ করা; সঠিক ব্যক্তিকেই যে তার এনআইডি প্রদান করা হলো সেজন্য আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে আঙ্গুলের ছাপ প্রদানপূর্বক রিসিভ করানোর ব্যবস্থা করা; নাগরিকগণের সুবিধার্থে বিদেশে ভিন্ন ভিন্ন এলাকা নির্ধারণ করে পূর্ব ঘোষণার প্রেক্ষিতে এনআইডি কার্ড বিতরণের ব্যবস্থা করা; কেউ কেউ স্থায়ীভাবে দেশে ফেরত আস তাদের তালিকা করে সেই এনআইডি কার্ডগুলো দেশে এনআইডি উইংকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করার কথাও ভাবছে ইসি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা পেয়ে কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৯ সালে এই উদ্যোগটি হাতে নেয়। ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের অনলাইনের ভোটার করে নেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করে ইসি।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর ইউএই প্রবাসীদের মাঝে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তার আগে একই বছর ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় অবস্থারত বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার অংশ হিসেবে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এরপর সৌদি আবর, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে থাকা বাংলাদেশিদের জন্যও এ সুযোগ চালু করা হয়।

সে সময় অনলাইনে আবেদন নিয়ে সেই আবেদন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপজেলা থেকে যাচাই করে সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট দেশে দূতাবাস থেকে এনআইডি সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল। এরপর করোনা মহামারির কারণে থমকে যায় দূতাবাসের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা।

কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই কার্যক্রমকে ফের উজ্জীবিত করেন। এক্ষেত্রে আগের আবেদনগুলো পাশ কাটিয়ে নতুন করে কার্যক্রম শুরু করেন তারা। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। দেশটিতে দুটি দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসীদের বাংলাদেশিদের এনআইডি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এ বিষয়ে বলেছেন, আমিরাতে সফল কার্যক্রমের পর প্রবাসীদের আধিক্য রয়েছে এমন ৪০টি দেশে এনআইডি সেবা নিয়ে যেতে চায় তার কমিশন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লেমিনেটিং এনআইডিধারীরাই প্রবাসে পাবেন স্মার্টকার্ড

আপডেট সময় ০৭:০০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩

ঢাকা: প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্যক্রম আরও সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  

এক্ষেত্রে যারা দেশে থাকতে লেমিনেটিং এনআইডি নিয়েছিলেন, তাদের স্মার্টকার্ড প্রবাসে পৌঁছে দেবে সংস্থাটি।

নতুন করে যারা আবেদন করবেন তাদের ভুল সংশোধনেরও সুযোগ থাকছে প্রবাসেই।

 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য এনআইডি মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীর ইসির সিস্টেম ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, দেশে থাকতে যারা ভোটার হয়ে লেমিনেটিং এনআইডি নিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের  মাধ্যমে তালিকা সংগ্রহ করে তাদের স্মার্ট এনআইডি কার্ড দেওয়া যেতে পারে। তবে যারা দশ আঙ্গুলের ছাপ এবং আইরিশ দেননি তাদের ক্ষেত্রে কি প্রক্রিয়ায় তা সংগ্রহ করা যায় সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান এনআইডি কার্যক্রমে কারো আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে বা ভুল হলে সেই আবেদন বাতিল করা হতো। এতে সংশ্লিষ্ট নাগরিকের দেশে আসা ছাড়া পথ ছিল না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর আবেদন বাতিল না করে সংশোধনের সুযোগ রাখবে ইসি।

তদন্ত প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে প্রয়োজনীয় দলিলাদি সরবরাহ করতে দেরি হলে বা অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হলে সেগুলোর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন অফিসার কর্তৃক সেই আবেদন বাতিল না করে ইনভেস্টিগেশন পেন্ডিং নামে একটি অপশন তৈরি করা হচ্ছে সফটওয়্যারে।

এর ফলে প্রযোজ্য দলিলাদি সরবরাহ করা হলে সেগুলোকে পুনরায় প্রক্রিয়াকরণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করা হবে।

এদিকে, প্রবাসীরা যখন সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আবেদন করেন, সে সময় কন্টাক্ট পারসনের কেবল একটি ফোন/মোবাইল নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকে। এতে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাওয়া যায় না। তাই এখন থেকে একাধিক ফোন/মোবাইল নম্বর নেবে সংস্থাটি। অন্যদিকে এনআইডি সিস্টেম থেকে দেশে বসবাসরত নাগরিকরা যেমন মোবাইলে খুদে বার্তায় আবেদন সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। সেই ব্যবস্থা প্রবাসীদের জন্যেও রাখার বিবেচনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, প্রবাসে এনআইডি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের উপায়ও খুঁজছে ইসি।

বর্তমানে দূতাবাসের মাধ্যমে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। তাই এনআইডি উইং হতে প্রেরিত এনআইডি কার্ডসমূহ সংশ্লিষ্ট দূতাবাস/হাইকমিশন/কনস্যুলেট কর্তৃক বুঝে পাওয়া বা রিসিভিং হিস্ট্রিরি রাখার জন্য সিস্টেম ডেভেলপ করা; রেজিস্ট্রার পদ্ধতি অনুসরণ করা; সঠিক ব্যক্তিকেই যে তার এনআইডি প্রদান করা হলো সেজন্য আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে আঙ্গুলের ছাপ প্রদানপূর্বক রিসিভ করানোর ব্যবস্থা করা; নাগরিকগণের সুবিধার্থে বিদেশে ভিন্ন ভিন্ন এলাকা নির্ধারণ করে পূর্ব ঘোষণার প্রেক্ষিতে এনআইডি কার্ড বিতরণের ব্যবস্থা করা; কেউ কেউ স্থায়ীভাবে দেশে ফেরত আস তাদের তালিকা করে সেই এনআইডি কার্ডগুলো দেশে এনআইডি উইংকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করার কথাও ভাবছে ইসি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা পেয়ে কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৯ সালে এই উদ্যোগটি হাতে নেয়। ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের অনলাইনের ভোটার করে নেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করে ইসি।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর ইউএই প্রবাসীদের মাঝে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তার আগে একই বছর ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় অবস্থারত বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার অংশ হিসেবে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এরপর সৌদি আবর, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে থাকা বাংলাদেশিদের জন্যও এ সুযোগ চালু করা হয়।

সে সময় অনলাইনে আবেদন নিয়ে সেই আবেদন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপজেলা থেকে যাচাই করে সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট দেশে দূতাবাস থেকে এনআইডি সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল। এরপর করোনা মহামারির কারণে থমকে যায় দূতাবাসের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা।

কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই কার্যক্রমকে ফের উজ্জীবিত করেন। এক্ষেত্রে আগের আবেদনগুলো পাশ কাটিয়ে নতুন করে কার্যক্রম শুরু করেন তারা। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। দেশটিতে দুটি দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসীদের বাংলাদেশিদের এনআইডি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এ বিষয়ে বলেছেন, আমিরাতে সফল কার্যক্রমের পর প্রবাসীদের আধিক্য রয়েছে এমন ৪০টি দেশে এনআইডি সেবা নিয়ে যেতে চায় তার কমিশন।