ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

পর্নোগ্রাফী মামলায় বায়া পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল গ্রেপ্তার

পর্নোগ্রাফী আইনের মামলায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যের নাম রাশেদুল খান। তিনি এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত।

শনিবার (১ এপ্রিল) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ধানসুরা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার সহযোগী শহিদুল ইসলাম সুমনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সুমনের পরিচয় হয়। গত ৫ মার্চ ওই শিক্ষক রাজশাহীতে আসলে সুমন তাকে নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর এলাকার একটি বাড়িতে ডেকে নেন। ওই বাড়িতে সুমন ভাড়া থাকতেন। পূর্ব পরিচয়ের কারণে শিক্ষক সেখানে যান। বাড়িতে আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন একজন নারী।

এর পর জোর করে শিক্ষকের সঙ্গে ওই নারীর অন্তরঙ্গ কিছু ছবি ও ভিডিও তুলে নেন সুমন ও পুলিশ সদস্য রাশেদুল খান। পরে ওই ছবি দেখিয়ে তারা শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। তাকে ফাঁসাতে সুমনকে সহযোগীতা করেন পুলিশ সদস্য রাশেদুল খান। এ ঘটনার পর গত ২০ মার্চ রাজপাড়া থানায় ভুক্তভোগী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন।

মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর উপজেলার মাইনুদ্দিনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল রাশেদুল খান ও বাইশা পুকুর ময়ামারি ভোলাহাট চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার রবিউল ইসলাম রবুর ছেলে শহিদুল ইসলাম সুমনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা আরও বেশ কয়েক জনকে আসামি করা হয়।

আরএমপির মুখপাত্র ও এডিসি রফিকুল আলম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রাশেদুল খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

পর্নোগ্রাফী মামলায় বায়া পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

পর্নোগ্রাফী আইনের মামলায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যের নাম রাশেদুল খান। তিনি এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত।

শনিবার (১ এপ্রিল) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ধানসুরা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার সহযোগী শহিদুল ইসলাম সুমনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সুমনের পরিচয় হয়। গত ৫ মার্চ ওই শিক্ষক রাজশাহীতে আসলে সুমন তাকে নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর এলাকার একটি বাড়িতে ডেকে নেন। ওই বাড়িতে সুমন ভাড়া থাকতেন। পূর্ব পরিচয়ের কারণে শিক্ষক সেখানে যান। বাড়িতে আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন একজন নারী।

এর পর জোর করে শিক্ষকের সঙ্গে ওই নারীর অন্তরঙ্গ কিছু ছবি ও ভিডিও তুলে নেন সুমন ও পুলিশ সদস্য রাশেদুল খান। পরে ওই ছবি দেখিয়ে তারা শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। তাকে ফাঁসাতে সুমনকে সহযোগীতা করেন পুলিশ সদস্য রাশেদুল খান। এ ঘটনার পর গত ২০ মার্চ রাজপাড়া থানায় ভুক্তভোগী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন।

মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর উপজেলার মাইনুদ্দিনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল রাশেদুল খান ও বাইশা পুকুর ময়ামারি ভোলাহাট চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার রবিউল ইসলাম রবুর ছেলে শহিদুল ইসলাম সুমনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা আরও বেশ কয়েক জনকে আসামি করা হয়।

আরএমপির মুখপাত্র ও এডিসি রফিকুল আলম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রাশেদুল খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।