ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

রাজশাহীতে গ্রীষ্মেই বর্ষার আমেজ

চলছে গ্রীষ্মকাল। কিন্তু এই গ্রীষ্মকালেও রাজশাহীতে বিরাজ করতে বর্ষাকালের আবহাওয়া। কালবৈশাখীর আতংকের এই সময়ে বদলেছে আবহাওয়ার রূপ। দেখা মিলছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির।

বিগত বেশ কয়েকদিন থেকে রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিলো উঠতির মুখে। যার ফলে ছিল ভ্যাপসা গরমও। তবে আকাশের গতিবিধি ও গরমের কারণে আবহাওয়া অফিসও বারবারই ঝড় বৃষ্টির আভাস দিয়ে আসছিল। সেই আভাসের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সামান্য শুষ্ক ঝড় হলেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি।

কিন্তু শুক্রবার সকাল ১০ টা ৪০ শুরু থেকে বর্ষাকালের মত বৃষ্টি শুরু হয়। এতে নগরীর রাস্তা-ঘাট যেমন ফাঁকা হয়ে যায়, তেমনি দুর্ভোগও পোহাতে হয় মানুষকে। যদিও আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে ঝড়ো হওয়ার সাথে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ভারি বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা নেই। বিশেষ করে শীতকালের মত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে সুর্যের মুখ দেখা যায়নি বলাই যায়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জেষ্ঠ্যপর্যবেক্ষক আব্দুস সালাম জানান, সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। দিনভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহীতে সকাল থেকে ৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামীকাল পর্যন্ত রাজশাহীর আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও রাজশাহীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভবনা বেশি দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে রাজশাহীর দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা কমেছে।

এদিকে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় লোকজন বাজার ঘাট করতে বের হয়ে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি কারণে দুর্ভোগে পড়েন। এমন কি নগরীতে জীবীকার তাগিদে যারা অটোরিক্সা চালন ও দিন মুজুরের কাজ করেন সেসব মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। বিভিন্ন কাজ সরতে বাইরে লোকজন বের হওয়ার পর যেমন যানবাহনের ভোগান্তিতে পড়েছেন, তেমনি ফিরতি পথেও যানরবাহনের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিশেষ করে বাজার করতে যাওয়া লোকজনদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বেশি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

রাজশাহীতে গ্রীষ্মেই বর্ষার আমেজ

আপডেট সময় ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

চলছে গ্রীষ্মকাল। কিন্তু এই গ্রীষ্মকালেও রাজশাহীতে বিরাজ করতে বর্ষাকালের আবহাওয়া। কালবৈশাখীর আতংকের এই সময়ে বদলেছে আবহাওয়ার রূপ। দেখা মিলছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির।

বিগত বেশ কয়েকদিন থেকে রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিলো উঠতির মুখে। যার ফলে ছিল ভ্যাপসা গরমও। তবে আকাশের গতিবিধি ও গরমের কারণে আবহাওয়া অফিসও বারবারই ঝড় বৃষ্টির আভাস দিয়ে আসছিল। সেই আভাসের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সামান্য শুষ্ক ঝড় হলেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি।

কিন্তু শুক্রবার সকাল ১০ টা ৪০ শুরু থেকে বর্ষাকালের মত বৃষ্টি শুরু হয়। এতে নগরীর রাস্তা-ঘাট যেমন ফাঁকা হয়ে যায়, তেমনি দুর্ভোগও পোহাতে হয় মানুষকে। যদিও আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে ঝড়ো হওয়ার সাথে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ভারি বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা নেই। বিশেষ করে শীতকালের মত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে সুর্যের মুখ দেখা যায়নি বলাই যায়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জেষ্ঠ্যপর্যবেক্ষক আব্দুস সালাম জানান, সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। দিনভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহীতে সকাল থেকে ৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামীকাল পর্যন্ত রাজশাহীর আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও রাজশাহীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভবনা বেশি দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে রাজশাহীর দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা কমেছে।

এদিকে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় লোকজন বাজার ঘাট করতে বের হয়ে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি কারণে দুর্ভোগে পড়েন। এমন কি নগরীতে জীবীকার তাগিদে যারা অটোরিক্সা চালন ও দিন মুজুরের কাজ করেন সেসব মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। বিভিন্ন কাজ সরতে বাইরে লোকজন বের হওয়ার পর যেমন যানবাহনের ভোগান্তিতে পড়েছেন, তেমনি ফিরতি পথেও যানরবাহনের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিশেষ করে বাজার করতে যাওয়া লোকজনদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বেশি।