ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ অফিসে বসে বস্তা ভরে টাকা নেন প্রকৌশলী হাসান শওকত বিপিসির কর্মকর্তা এটিএম সেলিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিএমইটি ঘিরে একচেটিয়া প্রভাবের অভিযোগ ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন ডিএই’তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত আরিফুরের পুনর্বহালের তদবির সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম : রিজভী নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ ও একজন সংবাদকর্মীর জাতীয় সম্মান প্রাপ্তি

মেলান্দহে ব্রীজ থাকলেও রাস্তা নেই ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

জামালপুরের মেলান্দহে ব্রীজ থাকলেও রাস্তা না থাকায় ভোগান্তিতে এলাকার লোকজন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মান করা হয়।

উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের বাগুরপাড়া এলাকায় কনক রাইচ মিলের পিছনে মানুষের যাতায়াতের জন্য ২০১৯- ২০২০ অর্থবছরে প্রায় ৩২ লাখ টাকা খরচ করে ব্রীজ বানানো হয়। কিন্তু যাদের জন্য বানানো, তাদের কোনো উপকারেই আসছে না ব্রীজটি। কারণ, এক পাশে রাইচ মিলে যাওয়ার রাস্তা আরেক পাশে এখন পর্যন্ত কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে শুধু দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি।

জানা গেছে, ২০১৯ – ২০২০ অর্থ বছরের গ্রামীন রাস্তায় ব্রীজ, কালভাট, নির্মান প্রকল্পের আওতায় ত্রাণের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকা। ব্রীজ নির্মাণ হলেও হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বয়রাডাঙ্গা উত্তর পাড়া , বাগুরপাড়া ও হরিপুরের আংশিক এলাকার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, ব্রীজটি নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় আজও ব্রীজের অপর প্রান্তে সড়ক হয়নি। বাধ্য হয়েই মানুষ কৃষিজমি দিয়ে ব্রীজে উঠে চলাচল করে। তবে বৃষ্টির সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর । কারন বৃষ্টি হলে উচুঁ ব্রীজে আর উঠা যায়না।

বাগুরপাড়া এলাকার কৃষক হামেদ আলী বলেন – ব্রীজের সংযোগ সড়ক না থাকায় চলাফেরা করতে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । কৃষিপন্য দূর দিয়ে আনার জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। জনস্বার্থে ব্রীজের অপর প্রান্তে যাতে সড়ক নির্মাণ করা হয়।

এসএসসি পরীক্ষার্থী জিহাদ মিয়া বলেন- ব্রীজ থাকলেও রাস্তা না থাকায় যাতায়াতে কষ্ট হয়।বৃষ্টি হলে অনেক সময় পোশাকে কাঁদা লাগে যায়। কাঁদা লাগার কারণে অনেক সময় ময়লা পোশাকেই স্কুলে যেতে হয় এই পথে যাতায়াত করা শিক্ষার্থীদের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আঃ রাজ্জাক বলেন, যখন ব্রীজটি নির্মান হয়, তখন রাস্তা করা হয়। পরবর্তীতে বন্যার কারনে রাস্তা ভেঙে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম মিঞা বলেন- তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ

মেলান্দহে ব্রীজ থাকলেও রাস্তা নেই ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

আপডেট সময় ১২:২২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

জামালপুরের মেলান্দহে ব্রীজ থাকলেও রাস্তা না থাকায় ভোগান্তিতে এলাকার লোকজন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মান করা হয়।

উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের বাগুরপাড়া এলাকায় কনক রাইচ মিলের পিছনে মানুষের যাতায়াতের জন্য ২০১৯- ২০২০ অর্থবছরে প্রায় ৩২ লাখ টাকা খরচ করে ব্রীজ বানানো হয়। কিন্তু যাদের জন্য বানানো, তাদের কোনো উপকারেই আসছে না ব্রীজটি। কারণ, এক পাশে রাইচ মিলে যাওয়ার রাস্তা আরেক পাশে এখন পর্যন্ত কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে শুধু দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি।

জানা গেছে, ২০১৯ – ২০২০ অর্থ বছরের গ্রামীন রাস্তায় ব্রীজ, কালভাট, নির্মান প্রকল্পের আওতায় ত্রাণের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকা। ব্রীজ নির্মাণ হলেও হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বয়রাডাঙ্গা উত্তর পাড়া , বাগুরপাড়া ও হরিপুরের আংশিক এলাকার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, ব্রীজটি নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় আজও ব্রীজের অপর প্রান্তে সড়ক হয়নি। বাধ্য হয়েই মানুষ কৃষিজমি দিয়ে ব্রীজে উঠে চলাচল করে। তবে বৃষ্টির সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর । কারন বৃষ্টি হলে উচুঁ ব্রীজে আর উঠা যায়না।

বাগুরপাড়া এলাকার কৃষক হামেদ আলী বলেন – ব্রীজের সংযোগ সড়ক না থাকায় চলাফেরা করতে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । কৃষিপন্য দূর দিয়ে আনার জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। জনস্বার্থে ব্রীজের অপর প্রান্তে যাতে সড়ক নির্মাণ করা হয়।

এসএসসি পরীক্ষার্থী জিহাদ মিয়া বলেন- ব্রীজ থাকলেও রাস্তা না থাকায় যাতায়াতে কষ্ট হয়।বৃষ্টি হলে অনেক সময় পোশাকে কাঁদা লাগে যায়। কাঁদা লাগার কারণে অনেক সময় ময়লা পোশাকেই স্কুলে যেতে হয় এই পথে যাতায়াত করা শিক্ষার্থীদের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আঃ রাজ্জাক বলেন, যখন ব্রীজটি নির্মান হয়, তখন রাস্তা করা হয়। পরবর্তীতে বন্যার কারনে রাস্তা ভেঙে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম মিঞা বলেন- তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।