ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণগ্রাম পদ্মা বিলে নৌকা ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ, পর্যটকদের অভিযোগ ‘সিন্ডিকেটের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন রংপুরের এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মুসার সম্পদের পাহাড় কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৫,৩১০ ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার ইউএনডিপি দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক কুমিল্লা দাউদকান্দিতে গাঁজা-চাপাতিসহ গ্রেপ্তার-৭ বোরহানউদ্দিনে কোস্টগার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, ৮ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ

বেনাপোলে মাছের পেটি থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

ভারতীয় পেট্রাপোল সীমান্তরক্ষী বাহিনী বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি করা মাছের মধ্য থেকে দুই কোটি ৭৮ লাখ ভারতীয় রুপি মূল্যের ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর আমদানি-রপ্তানিতে নজরদারি শুরু করছে প্রশাসন। বেনাপোল এলাকার একটি শক্তিশালি চক্র এই স্বর্ণ পাচারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জড়িত থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তারা। ফলে একের পর এক স্বর্ণ পাচার হয়ে যাচ্ছে।ব্যবসায়ীদের দাবি, বেনাপোল বন্দর সুরক্ষিত না থাকায় একের পর এক অনিয়ম ধরা পড়ছে।

বেনাপোল কাস্টমস কার্গো শাখা সূত্রে জানা যায়, সাতীরার মোস্তফা অর্গানিক নামক একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তিন টন তেলাপিয়া মাছ ট্রাকে (সাতীরা ড-১১-০০৪৭) ভারতে রপ্তানি করেন। পণ্যের মূল্য ৭৫০০ মার্কিন ডলার। পণ্য চালানটি রপ্তানির জন্য ব্রাদার্স সেন্ডিগেট নামক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বেনাপোল কাস্টমসে ডকুমেন্টস দাখিল করে। পণ্য চালানটি আমদানি করে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার বাবা ইন্টারন্যাশনাল। পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েস ইন্টারন্যাশনাল। বৈধ মাছের মধ্য থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ভারতের পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশি মাছবোঝাই ট্রাকটি নো ম্যান্সল্যান্ডে পৌঁছলে বিএসএফ সদস্যরা ট্রাকটি তাদের জিম্মায় নিয়ে নেন। পরে ট্রাক থেকে মাছের প্যাকেট নামিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তেলাপিয়া মাছের মধ্য থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন চার কেজি ৬৬৭ গ্রাম। আটক করা সোনার মোট মূল্য দুই কোটি ৭৮ লাখ ভারতীয় রুপি।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, সোনাসহ ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে। তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ওই পাচারকারীর নাম সুশঙ্কর দাস। তিনি বাংলাদেশের সাতক্ষীরার জেলার বাসিন্দা।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই ট্রাকচালক জানিয়েছেন, তিনি ১৫ বছর ধরে ট্রাক চালাচ্ছেন। ট্রাক মালিক সফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরার জেলার বাসিন্দা বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই মাছ কলকাতার বাবা ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সংস্থাকে হস্তান্তর করার কথা ছিল। অভিযুক্তকে সোনার বিস্কুট এবং ট্রাকসহ পেট্রাপোলের শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। এ ব্যাপারে পেট্রাপোল থানায় একটি মামলা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণগ্রাম পদ্মা বিলে নৌকা ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ, পর্যটকদের অভিযোগ ‘সিন্ডিকেটের

বেনাপোলে মাছের পেটি থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

ভারতীয় পেট্রাপোল সীমান্তরক্ষী বাহিনী বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি করা মাছের মধ্য থেকে দুই কোটি ৭৮ লাখ ভারতীয় রুপি মূল্যের ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর আমদানি-রপ্তানিতে নজরদারি শুরু করছে প্রশাসন। বেনাপোল এলাকার একটি শক্তিশালি চক্র এই স্বর্ণ পাচারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জড়িত থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তারা। ফলে একের পর এক স্বর্ণ পাচার হয়ে যাচ্ছে।ব্যবসায়ীদের দাবি, বেনাপোল বন্দর সুরক্ষিত না থাকায় একের পর এক অনিয়ম ধরা পড়ছে।

বেনাপোল কাস্টমস কার্গো শাখা সূত্রে জানা যায়, সাতীরার মোস্তফা অর্গানিক নামক একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তিন টন তেলাপিয়া মাছ ট্রাকে (সাতীরা ড-১১-০০৪৭) ভারতে রপ্তানি করেন। পণ্যের মূল্য ৭৫০০ মার্কিন ডলার। পণ্য চালানটি রপ্তানির জন্য ব্রাদার্স সেন্ডিগেট নামক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বেনাপোল কাস্টমসে ডকুমেন্টস দাখিল করে। পণ্য চালানটি আমদানি করে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার বাবা ইন্টারন্যাশনাল। পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েস ইন্টারন্যাশনাল। বৈধ মাছের মধ্য থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ভারতের পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশি মাছবোঝাই ট্রাকটি নো ম্যান্সল্যান্ডে পৌঁছলে বিএসএফ সদস্যরা ট্রাকটি তাদের জিম্মায় নিয়ে নেন। পরে ট্রাক থেকে মাছের প্যাকেট নামিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তেলাপিয়া মাছের মধ্য থেকে ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন চার কেজি ৬৬৭ গ্রাম। আটক করা সোনার মোট মূল্য দুই কোটি ৭৮ লাখ ভারতীয় রুপি।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, সোনাসহ ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে। তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ওই পাচারকারীর নাম সুশঙ্কর দাস। তিনি বাংলাদেশের সাতক্ষীরার জেলার বাসিন্দা।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই ট্রাকচালক জানিয়েছেন, তিনি ১৫ বছর ধরে ট্রাক চালাচ্ছেন। ট্রাক মালিক সফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরার জেলার বাসিন্দা বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই মাছ কলকাতার বাবা ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সংস্থাকে হস্তান্তর করার কথা ছিল। অভিযুক্তকে সোনার বিস্কুট এবং ট্রাকসহ পেট্রাপোলের শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। এ ব্যাপারে পেট্রাপোল থানায় একটি মামলা হয়েছে।