ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন রংপুরের এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মুসার সম্পদের পাহাড় কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৫,৩১০ ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার ইউএনডিপি দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক কুমিল্লা দাউদকান্দিতে গাঁজা-চাপাতিসহ গ্রেপ্তার-৭ বোরহানউদ্দিনে কোস্টগার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, ৮ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ কালুখালী মহিলা কলেজ পরিদর্শনে এমপি হারুন অর রশিদ

নাতিরপুর এলাকায় রেলের ভূমিতে অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস

হবিগঞ্জ শহরের নাতিরপুর এলাকায় রেলের ভূমিতে অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করার অভিযোগে প্রায় আড়াইশো পরিবারকে উচ্ছেদ করছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকাল ১১ টা থেকে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহরুল হোসেন। এতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সহযোগিতা করেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,শহরের বাইপাস রোড থেকে গরুর বাজারের দিকে পূর্বের রেলের রাস্তার দুই পাশে গড়ে ওঠা কাঁচাপাকা প্রায় আড়াইশো পরিবারের ঘরবাড়ি অবৈধভাবে দখল করার অভিযোগে উচ্ছেদ করছে প্রশাসন।

এ সময় দীর্ঘদিন থেকে ওই ভূমিতে বসবাসকারী কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান,এই রাস্তা দিয়ে রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার পর পরিত্যক্ত ভূমিতে নিজেরা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। আবার অনেকে শুরুর দিকে যারা দখল করেছিল তাদের কাছ থেকে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন। স্থায়ী বন্দোবস্তের জন্য আদালতে মামলা আছে বলেও অনেকে দাবী করেছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন এতগুলো পরিবারকে উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসনের কথা সরকারের লোকেরা চিন্তা করা উচিত ছিল।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জাহুরুল হোসেন বলেন.একসময়ের রেলের পরিত্যক্ত ভূমি বর্তমানে সড়ক ও জনপদের নামে আছে। এই ভূমি দীর্ঘদিন ধরে নিম্ন আয়ের মানুষজন দখল করে ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস করে আসছিল। বেদখল হওয়া ভুমিটি উদ্ধারের জন্য সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে আজ অভিযান চালিয়ে বেদখল হওয়া ভূমি উদ্ধার করে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু কিছু নিম্ম আয়ের মানুষের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আগামীকাল পাঁচটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা নিজেদের স্থাপনা গুলো নিজেরাই ভেঙে নিয়ে যেতে পারে। এতে তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন

নাতিরপুর এলাকায় রেলের ভূমিতে অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩

হবিগঞ্জ শহরের নাতিরপুর এলাকায় রেলের ভূমিতে অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করার অভিযোগে প্রায় আড়াইশো পরিবারকে উচ্ছেদ করছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকাল ১১ টা থেকে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহরুল হোসেন। এতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সহযোগিতা করেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,শহরের বাইপাস রোড থেকে গরুর বাজারের দিকে পূর্বের রেলের রাস্তার দুই পাশে গড়ে ওঠা কাঁচাপাকা প্রায় আড়াইশো পরিবারের ঘরবাড়ি অবৈধভাবে দখল করার অভিযোগে উচ্ছেদ করছে প্রশাসন।

এ সময় দীর্ঘদিন থেকে ওই ভূমিতে বসবাসকারী কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান,এই রাস্তা দিয়ে রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার পর পরিত্যক্ত ভূমিতে নিজেরা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। আবার অনেকে শুরুর দিকে যারা দখল করেছিল তাদের কাছ থেকে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন। স্থায়ী বন্দোবস্তের জন্য আদালতে মামলা আছে বলেও অনেকে দাবী করেছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন এতগুলো পরিবারকে উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসনের কথা সরকারের লোকেরা চিন্তা করা উচিত ছিল।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জাহুরুল হোসেন বলেন.একসময়ের রেলের পরিত্যক্ত ভূমি বর্তমানে সড়ক ও জনপদের নামে আছে। এই ভূমি দীর্ঘদিন ধরে নিম্ন আয়ের মানুষজন দখল করে ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস করে আসছিল। বেদখল হওয়া ভুমিটি উদ্ধারের জন্য সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে আজ অভিযান চালিয়ে বেদখল হওয়া ভূমি উদ্ধার করে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু কিছু নিম্ম আয়ের মানুষের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আগামীকাল পাঁচটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা নিজেদের স্থাপনা গুলো নিজেরাই ভেঙে নিয়ে যেতে পারে। এতে তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।