ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

সাউথ সাউথ কো-অপারেশনে নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার আহ্বান বাংলা‌দেশের

সাউথ সাউথ কো-অপারেশনকে আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার জোরালো আহ্বান জানি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শুক্রবার মন্ত্রী পর্যায়ের ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিষয়ে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দি‌য়ে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্থায়ী মিশন জানায়, বৈঠকে আর্জেন্টিনা, চীন, কিউবা, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মালাউই, মরক্কো, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, সলোমন দীপপুঞ্জ, থাইল্যান্ড, উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ফোরাম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে, এই মুহূর্তে সাউথ সাউথ কো-অপারেশনে মন্ত্রী পর্যায়ের কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই।

তিনি বলেন, এ ফোরামের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে গ্লোবাল সাউথের সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করার সুযোগ পাবে।

মো‌মেন বলেন, আমি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, জাতিসংঘের মহাসচিব এবং গ্লোবাল সাউথের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর কাছ থেকে এ প্রস্তাবে খুবই আশাব্যঞ্জক সমর্থন পেয়েছি।

এ ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব ত্বরান্বিত করার জন্য এ বছরের যে কোনো সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে ফোরামের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করার ইচ্ছে ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ সালের এজেন্ডা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি অর্জনে সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তারা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আনয়নের জন্য বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কিউবা, কেনিয়া, মিশর, রুয়ান্ডা এবং মরক্কোর প্রতিনিধিরা এই ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের প্রতি অ সমর্থনের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এছাড়া এ বিষয়ে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেপালের প্রতিনিধিরা গঠনমূলক বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রস্তাবটিকে বাণিজ্য, অর্থ, বিনিয়োগ, জ্ঞান ভাগাভাগিসহ সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের অব্যবহৃত সুযোগ কাজে লাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসাবে বিবেচনা করছে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সাউথ-সাউথ কো-অপারেশনের জাতিসংঘ অফিসের একজন প্রতিনিধিও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাউথ সাউথ কো-অপারেশনে নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার আহ্বান বাংলা‌দেশের

আপডেট সময় ০২:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সাউথ সাউথ কো-অপারেশনকে আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার জোরালো আহ্বান জানি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শুক্রবার মন্ত্রী পর্যায়ের ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিষয়ে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দি‌য়ে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্থায়ী মিশন জানায়, বৈঠকে আর্জেন্টিনা, চীন, কিউবা, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মালাউই, মরক্কো, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, সলোমন দীপপুঞ্জ, থাইল্যান্ড, উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ফোরাম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে, এই মুহূর্তে সাউথ সাউথ কো-অপারেশনে মন্ত্রী পর্যায়ের কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই।

তিনি বলেন, এ ফোরামের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে গ্লোবাল সাউথের সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করার সুযোগ পাবে।

মো‌মেন বলেন, আমি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, জাতিসংঘের মহাসচিব এবং গ্লোবাল সাউথের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর কাছ থেকে এ প্রস্তাবে খুবই আশাব্যঞ্জক সমর্থন পেয়েছি।

এ ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব ত্বরান্বিত করার জন্য এ বছরের যে কোনো সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে ফোরামের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করার ইচ্ছে ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ সালের এজেন্ডা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি অর্জনে সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তারা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আনয়নের জন্য বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কিউবা, কেনিয়া, মিশর, রুয়ান্ডা এবং মরক্কোর প্রতিনিধিরা এই ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের প্রতি অ সমর্থনের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এছাড়া এ বিষয়ে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেপালের প্রতিনিধিরা গঠনমূলক বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রস্তাবটিকে বাণিজ্য, অর্থ, বিনিয়োগ, জ্ঞান ভাগাভাগিসহ সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের অব্যবহৃত সুযোগ কাজে লাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসাবে বিবেচনা করছে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সাউথ-সাউথ কো-অপারেশনের জাতিসংঘ অফিসের একজন প্রতিনিধিও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।