ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ, মঙ্গলবার থেকে নিবন্ধন শুরু ডিএসসিসিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার আভাসে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস কুমিল্লায় মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় আশাবাদী ঢাকা আবু বকর চরিত্রে মুগ্ধতা, কে এই অভিনেতা শেহরিয়ার মুনাওয়ার? মেসির বাঁ পা পেলে থামানো কঠিন হতো: কেইন গণপূর্তে বৈষম্য সৃষ্টির অভিযোগে আলোচনায় নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ ইসকান্দার আলী মিয়ানমারে ক্লিনিক ও স্কুলে বিমান হামলা, নবজাতকসহ নিহত ১৫ এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে নতুন সংকটের আশঙ্কা গোলাম পরওয়ারের প্রধানমন্ত্রীর বিমানে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি, কারণ জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

কুমিল্লায় মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কুমিল্লায় মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ভুক্তভোগীর পার্শ্ববর্তী ‘বিসমিল্লাহ কম্পিউটার’-এর মালিক জাকির হোসেনের সঙ্গে কিছুদিন আগে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করতে গেলে জাকির হোসেন উগ্র আচরণ শুরু করেন এবং মারধরের উদ্দেশ্যে দোকান থেকে লোহার লাঠি বা স্ট্যান্ড নিয়ে তেড়ে আসেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের সরিয়ে দিয়ে ঝগড়া থামান। যাওয়ার সময় জাকির হোসেন দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় জাকির হোসেন তাঁর স্ত্রী আছিয়া খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগীপক্ষ থেকেও পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়। কোতোয়ালি থানার এসআই সুমনের উদ্যোগে সালিশ বৈঠক হলেও জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তা মেনে না নিয়ে অন্যায়ভাবে জরিমানা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাঁরা ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে জাকিরের স্ত্রীকে মারধর ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ তোলেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সালিশ চলাকালে জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী এসআই সুমনের নির্দেশ অমান্য করে আছিয়া খাতুনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অর্থের বিনিময়ে একটি ভুয়া ও বানোয়াট মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি করানো হয় বলে দাবি করা হয়। ওই রিপোর্টে মাথায় কুপিয়ে জখম করার কথা উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি ভুক্তভোগীর। পরবর্তী সময়ে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সামাজিকভাবে হয়রানি ও বড় ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও থানায় বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন নারীর সঙ্গে কেলেঙ্কারি ছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কাজের কথা বলে টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন একজন ব্যক্তি নিজের স্বার্থ হাসিল করতে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলেও দাবি করা হয়।

উক্ত মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতিকার ও ন্যায়বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ, মঙ্গলবার থেকে নিবন্ধন শুরু ডিএসসিসিতে

কুমিল্লায় মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

কুমিল্লায় মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ভুক্তভোগীর পার্শ্ববর্তী ‘বিসমিল্লাহ কম্পিউটার’-এর মালিক জাকির হোসেনের সঙ্গে কিছুদিন আগে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করতে গেলে জাকির হোসেন উগ্র আচরণ শুরু করেন এবং মারধরের উদ্দেশ্যে দোকান থেকে লোহার লাঠি বা স্ট্যান্ড নিয়ে তেড়ে আসেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের সরিয়ে দিয়ে ঝগড়া থামান। যাওয়ার সময় জাকির হোসেন দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় জাকির হোসেন তাঁর স্ত্রী আছিয়া খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগীপক্ষ থেকেও পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়। কোতোয়ালি থানার এসআই সুমনের উদ্যোগে সালিশ বৈঠক হলেও জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তা মেনে না নিয়ে অন্যায়ভাবে জরিমানা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাঁরা ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে জাকিরের স্ত্রীকে মারধর ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ তোলেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সালিশ চলাকালে জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী এসআই সুমনের নির্দেশ অমান্য করে আছিয়া খাতুনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অর্থের বিনিময়ে একটি ভুয়া ও বানোয়াট মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি করানো হয় বলে দাবি করা হয়। ওই রিপোর্টে মাথায় কুপিয়ে জখম করার কথা উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি ভুক্তভোগীর। পরবর্তী সময়ে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সামাজিকভাবে হয়রানি ও বড় ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও থানায় বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন নারীর সঙ্গে কেলেঙ্কারি ছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কাজের কথা বলে টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন একজন ব্যক্তি নিজের স্বার্থ হাসিল করতে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলেও দাবি করা হয়।

উক্ত মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতিকার ও ন্যায়বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী।