ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’ শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয় : ড. মঈন খান বাউফলে মৎস্যজীবী দলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, মোবাইল ভাঙচুর সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গাঁজা-স্কাফসহ গ্রেপ্তার ৪ মঠবাড়িয়ায় বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নওগাঁর রাণীনগরে ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ কালিহাতীতে ৪ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক লালমনিরহাটে পাঁচ মাসের শিশুকে রেখে মাকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কুমিল্লায় আইটি সেন্টারের নামে জামানত প্রতারণা, টাকা ফেরত চাইলে পুলিশি হুমকির অভিযোগ

  • ​এম আর রানা
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫৩৯ বার পড়া হয়েছে

আইটি প্রশিক্ষণ ও নিশ্চিত কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অগ্রীম জামানত ও একাডেমিক সার্টিফিকে এবং তা পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে ভীতি প্রদর্শনের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার একটি কথিত আইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বহু তরুণ-তরুণী ও চাকরিপ্রার্থী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে প্রশিক্ষণ ও কাজের গ্যারান্টি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করায়। তবে শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এককালীন ‘জামানত’ বা ডিপোজিট হিসেবে রেখে দেয়। জামানত নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়—প্রশিক্ষণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদের কাজ শেষে বা সার্টিফিকেট প্রদানের সময় এই জামানতের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

​তবে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট হাতে পেলেও জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো নাজেহাল হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জামানতের টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা তাদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করে এবং ভুয়া মামলা ও পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম ব্যবহারকারী) কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের ক্ষোভ ও অভিজ্ঞতার কথা জানান:

* ​আফরোজা,নিলা,তিথি (ছদ্মনাম): সাংবাদিকদের বলেন কুমিল্লা আইটি ইনিস্টিটিউট প্রশিক্ষণ শেষে জামানতের পুরো টাকা ফেরত পাব। এখন সার্টিফিকেট দেওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছে এবং ভুয়া আইনি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দিচ্ছে।”

* ​হালিম (ছদ্মনাম): “আমি কষ্ট করে জামানতের টাকা জোগাড় করে জমা দিয়েছিলাম। এখন টাকা ফেরত না দিয়ে তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

* ​কোহিনুর (ছদ্মনাম): “আইটি খাতে কাজের নামে এটি একটি পরিকল্পিত ফাঁদ। প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের জামানত আটকে রাখা এবং ভয় দেখানোই তাদের মূল ব্যবসায়িক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা আইটি কোম্পানির কাজ বা প্র

আইটি প্রশিক্ষণ ও নিশ্চিত কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অগ্রিম জামানত ও একাডেমিক সার্টিফিকেট নিয়ে পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে ভীতি প্রদর্শনের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার একটি কথিত আইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বহু তরুণ-তরুণী ও চাকরিপ্রার্থী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে প্রশিক্ষণ ও কাজের গ্যারান্টি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করায়। তবে শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এককালীন ‘জামানত’ বা ডিপোজিট হিসেবে রেখে দেয়। জামানত নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়—প্রশিক্ষণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদের কাজ শেষে অথবা সার্টিফিকেট প্রদানের সময় জামানতের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

তবে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট হাতে পেলেও জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো নাজেহাল হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জামানতের টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন এবং ভুয়া মামলা ও পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম ব্যবহারকারী) কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের ক্ষোভ ও অভিজ্ঞতার কথা জানান।

আফরোজা, নিলা ও তিথি (ছদ্মনাম): সাংবাদিকদের বলেন, ‘কুমিল্লা আইটি ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ শেষে জামানতের পুরো টাকা ফেরত পাব—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এখন সার্টিফিকেট দেওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছে এবং ভুয়া আইনি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

হালিম (ছদ্মনাম): ‘আমি কষ্ট করে জামানতের টাকা জোগাড় করে জমা দিয়েছিলাম। এখন টাকা ফেরত না দিয়ে তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

কোহিনুর (ছদ্মনাম): ‘আইটি খাতে কাজের নামে এটি একটি পরিকল্পিত ফাঁদ। প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের জামানত আটকে রাখা এবং ভয় দেখানোই তাদের মূল ব্যবসায়িক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা আইটি কোম্পানির কাজ বা প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফেরতযোগ্য ‘জামানত’ বা ডিপোজিট নেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। প্রশিক্ষণ ও চাকরির লোভ দেখিয়ে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং জামানত আটকে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার সুযোগ বন্ধ করা অনৈতিক ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের শামিল।

জামানতের টাকা ফেরত না পেয়ে তরুণ-তরুণীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। টাকা ফেরত চাওয়ায় মিথ্যা মামলা ও পুলিশি হুমকির মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণার কারণে প্রকৃত ও বৈধ আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকেও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে।

এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং তরুণদের সুরক্ষা নিশ্চিতে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত উক্ত কথিত আইটি সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। জেলায় পরিচালিত আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও ফার্মগুলোর ট্রেড লাইসেন্স এবং কার্যক্রম বৈধ কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা দরকার। বৈধ ও অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য তুলে ধরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানোও জরুরি।

কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ বা কাজের জন্য জামানত চাইলে শুরুতেই তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। ভর্তি বা চুক্তির আগে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাকগ্রাউন্ড ও পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা যাচাই করা প্রয়োজন। প্রতারণার শিকার হলে চুপ না থেকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা উচিত।

কারিগরি শিক্ষার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

শিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফেরতযোগ্য ‘জামানত’ বা ডিপোজিট নেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। প্রশিক্ষণ ও চাকরির লোভ দেখিয়ে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া। জামানত আটকে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার সুযোগ বন্ধ করা।

জামানতের টাকা ফেরত না পেয়ে তরুণ-তরুণীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। টাকা ফেরত চাওয়ায় মিথ্যা মামলা ও পুলিশি হুমকির মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে হয়। এ ধরনের প্রতারণার কারণে প্রকৃত ও বৈধ আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে।

​এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং তরুণদের সুরক্ষা নিশ্চিতে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত উক্ত কথিত আইটি সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জেলায় পরিচালিত আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও ফার্মগুলোর ট্রেড লাইসেন্স এবং কার্যক্রম বৈধ কি না তা নিয়মিত তদারকি করা। বৈধ ও অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য তুলে ধরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানো।

কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ বা কাজের জন্য জামানত চাইলে শুরুতেই তা প্রত্যাখ্যান করা। ভর্তি বা চুক্তির আগে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাকগ্রাউন্ড ও পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা যাচাই করা। প্রতারণার শিকার হলে চুপ না থেকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা। কারিগরি শিক্ষার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’

কুমিল্লায় আইটি সেন্টারের নামে জামানত প্রতারণা, টাকা ফেরত চাইলে পুলিশি হুমকির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

আইটি প্রশিক্ষণ ও নিশ্চিত কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অগ্রীম জামানত ও একাডেমিক সার্টিফিকে এবং তা পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে ভীতি প্রদর্শনের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার একটি কথিত আইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বহু তরুণ-তরুণী ও চাকরিপ্রার্থী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে প্রশিক্ষণ ও কাজের গ্যারান্টি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করায়। তবে শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এককালীন ‘জামানত’ বা ডিপোজিট হিসেবে রেখে দেয়। জামানত নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়—প্রশিক্ষণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদের কাজ শেষে বা সার্টিফিকেট প্রদানের সময় এই জামানতের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

​তবে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট হাতে পেলেও জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো নাজেহাল হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জামানতের টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা তাদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করে এবং ভুয়া মামলা ও পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম ব্যবহারকারী) কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের ক্ষোভ ও অভিজ্ঞতার কথা জানান:

* ​আফরোজা,নিলা,তিথি (ছদ্মনাম): সাংবাদিকদের বলেন কুমিল্লা আইটি ইনিস্টিটিউট প্রশিক্ষণ শেষে জামানতের পুরো টাকা ফেরত পাব। এখন সার্টিফিকেট দেওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছে এবং ভুয়া আইনি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দিচ্ছে।”

* ​হালিম (ছদ্মনাম): “আমি কষ্ট করে জামানতের টাকা জোগাড় করে জমা দিয়েছিলাম। এখন টাকা ফেরত না দিয়ে তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

* ​কোহিনুর (ছদ্মনাম): “আইটি খাতে কাজের নামে এটি একটি পরিকল্পিত ফাঁদ। প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের জামানত আটকে রাখা এবং ভয় দেখানোই তাদের মূল ব্যবসায়িক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা আইটি কোম্পানির কাজ বা প্র

আইটি প্রশিক্ষণ ও নিশ্চিত কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অগ্রিম জামানত ও একাডেমিক সার্টিফিকেট নিয়ে পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে ভীতি প্রদর্শনের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার একটি কথিত আইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বহু তরুণ-তরুণী ও চাকরিপ্রার্থী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে প্রশিক্ষণ ও কাজের গ্যারান্টি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করায়। তবে শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এককালীন ‘জামানত’ বা ডিপোজিট হিসেবে রেখে দেয়। জামানত নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়—প্রশিক্ষণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদের কাজ শেষে অথবা সার্টিফিকেট প্রদানের সময় জামানতের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

তবে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট হাতে পেলেও জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো নাজেহাল হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জামানতের টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন এবং ভুয়া মামলা ও পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম ব্যবহারকারী) কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের ক্ষোভ ও অভিজ্ঞতার কথা জানান।

আফরোজা, নিলা ও তিথি (ছদ্মনাম): সাংবাদিকদের বলেন, ‘কুমিল্লা আইটি ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ শেষে জামানতের পুরো টাকা ফেরত পাব—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এখন সার্টিফিকেট দেওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছে এবং ভুয়া আইনি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

হালিম (ছদ্মনাম): ‘আমি কষ্ট করে জামানতের টাকা জোগাড় করে জমা দিয়েছিলাম। এখন টাকা ফেরত না দিয়ে তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

কোহিনুর (ছদ্মনাম): ‘আইটি খাতে কাজের নামে এটি একটি পরিকল্পিত ফাঁদ। প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের জামানত আটকে রাখা এবং ভয় দেখানোই তাদের মূল ব্যবসায়িক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা আইটি কোম্পানির কাজ বা প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফেরতযোগ্য ‘জামানত’ বা ডিপোজিট নেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। প্রশিক্ষণ ও চাকরির লোভ দেখিয়ে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং জামানত আটকে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার সুযোগ বন্ধ করা অনৈতিক ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের শামিল।

জামানতের টাকা ফেরত না পেয়ে তরুণ-তরুণীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। টাকা ফেরত চাওয়ায় মিথ্যা মামলা ও পুলিশি হুমকির মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণার কারণে প্রকৃত ও বৈধ আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকেও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে।

এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং তরুণদের সুরক্ষা নিশ্চিতে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত উক্ত কথিত আইটি সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। জেলায় পরিচালিত আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও ফার্মগুলোর ট্রেড লাইসেন্স এবং কার্যক্রম বৈধ কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা দরকার। বৈধ ও অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য তুলে ধরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানোও জরুরি।

কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ বা কাজের জন্য জামানত চাইলে শুরুতেই তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। ভর্তি বা চুক্তির আগে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাকগ্রাউন্ড ও পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা যাচাই করা প্রয়োজন। প্রতারণার শিকার হলে চুপ না থেকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা উচিত।

কারিগরি শিক্ষার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

শিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফেরতযোগ্য ‘জামানত’ বা ডিপোজিট নেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। প্রশিক্ষণ ও চাকরির লোভ দেখিয়ে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া। জামানত আটকে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার সুযোগ বন্ধ করা।

জামানতের টাকা ফেরত না পেয়ে তরুণ-তরুণীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। টাকা ফেরত চাওয়ায় মিথ্যা মামলা ও পুলিশি হুমকির মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে হয়। এ ধরনের প্রতারণার কারণে প্রকৃত ও বৈধ আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে।

​এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং তরুণদের সুরক্ষা নিশ্চিতে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত উক্ত কথিত আইটি সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জেলায় পরিচালিত আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও ফার্মগুলোর ট্রেড লাইসেন্স এবং কার্যক্রম বৈধ কি না তা নিয়মিত তদারকি করা। বৈধ ও অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য তুলে ধরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানো।

কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ বা কাজের জন্য জামানত চাইলে শুরুতেই তা প্রত্যাখ্যান করা। ভর্তি বা চুক্তির আগে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাকগ্রাউন্ড ও পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা যাচাই করা। প্রতারণার শিকার হলে চুপ না থেকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা। কারিগরি শিক্ষার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।