ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে নতুন নিয়ম সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব রাড্ডা ক্লিনিক যারা দখল করেছিল, তারাই এসে এখন পরিষ্কার করছে: আসিফ মাহমুদ তাড়াইলে ৯৫ হাজার টাকার চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস অভিষেককে নিয়ে অমিতাভের খোলা চিঠি মেহেরপুরে ফারুক বাহিনীর জমি দখল-চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী সমঅধিকারের ভিত্তিতে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযান, ১০ জন গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক কেন আইকন নন, ব্যাখ্যা দিলেন তামিম পঞ্চগড়ে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে মশারি আলমারিতে, রোগীর বিছানায় নেই

মেহেরপুরে ফারুক বাহিনীর জমি দখল-চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

মেহেরপুর সদর উপজেলার বামনপাড়া গ্রামে মীর গোলাম ফারুক, তাঁর ভাই ও ভাতিজাদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি চক্রের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, আদালতের রায় ও প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে ওই চক্রটি একের পর এক সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯২৭ সালে কাজী রেজাউল হক ৯৪ শতক জমির ওপর ‘বামনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালে কাজী মোজাম্মেল হক, কাজী সিরাজুল হক ও কাজী নজরুল ইসলাম কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নামে ৮৫ শতক জমি দান করেন। ১৯৬২ সালের আরএস রেকর্ডেও ওই ৮৫ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়।

অবশিষ্ট ৯ শতক জমির মধ্যে ৩ শতক জমি ঈদগাহের নামে দান করা হয়। বাকি ৬ শতক জমির নকশাগত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ২০০৭ সালে জমির মূল মালিকরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে মেহেরপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। শুনানি শেষে আদালত বাদীদের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে বিবাদীপক্ষ জেলা জজ আদালতে আপিল করলে ২০১৮ সালে আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই রায়ের পর ৬ শতক জমির মালিকপক্ষ সেখানে একতলা পাকা মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের ১৮ জুন মার্কেটের দ্বিতীয় তলার নির্মাণকাজ শুরু করলে মীর গোলাম ফারুক, মারুফ, শান্ত, সাহেব ও আনসারসহ পাঁচজন ব্যক্তি সেখানে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় মার্কেটের অন্যতম মালিক কাজী নজরুল ইসলাম মেহেরপুর সদর থানায় বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বামনপাড়ার আরও কয়েকজন ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছেও লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। তবে প্রভাবের ভয়ে অনেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

অনুসন্ধানে ওই চক্রের বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। ফারুকের ভাই মীর আসাদুল বামনপাড়া জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালে আদালতে বিচারাধীন একটি বিরোধপূর্ণ জমি মসজিদের কাছে বিক্রির কথা বলে ফারুক ও আসাদুল দুই ভাই মিলে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এর প্রতিবাদ করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তাঁকে ‘সমীর হাজীর বাড়ি পোড়ানো’ সংক্রান্ত একটি বিচারাধীন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বামনপাড়ার কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকের তালিকা তৈরি করে বিচারাধীন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

অন্য একটি ঘটনায় জানা যায়, ফারুকের বাবা মোকসেদ আলী তাঁর বোন সূরাতুন্নেসার কাছে ৫০ শতক জমি বিক্রি করেন। সূরাতুন্নেসা ১৯৮৭ সালে ওই জমি মো. জলিল খান ও তাঁর স্ত্রীর কাছে বিক্রি করেন। তবে ভুলবশত এসএ রেকর্ডে জমিটি মোকসেদ আলীর নামে রেকর্ডভুক্ত হলে জলিল খান মেহেরপুর আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেন। এর কিছুদিন পর ফারুক গং একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার চূড়ান্ত রায় হওয়ার আগেই তারা জমিটি দখলে নেয়।

এছাড়া বামনপাড়ার মধু খাঁর ছেলে গফুর খাঁর ৪০ থেকে ৫০ শতক এবং শুকুর মীরের ছেলে মীর মুলুকের ৪০ থেকে ৫৫ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করা হয়েছে বলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

আইন লঙ্ঘন ও সরকারি সম্পত্তি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে ওই চক্রের বিরুদ্ধে। বামনপাড়া গ্রামের শেখপাড়ার সিরাজ খাঁর প্রায় ৪০ শতক জমি ভুলক্রমে খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয় বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি সিরাজ খাঁর দখলে ছিল। জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য সরকারের সঙ্গে তাঁর মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সিরাজ খাঁ মারা যাওয়ার পর তাঁর দুই ছেলে খালেক ও মালেক মামলাটি পরিচালনা করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ফারুক বাহিনী ওই জমি নিজেদের দখলে নিয়ে ৮ থেকে ১০টি পরিবারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এ বিষয়ে খালেক ও মালেকের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা ফারুক ও মারুফের ভয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বলে প্রতিবেদককে জানান।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে মীর গোলাম ফারুকের বক্তব্য জানতে তাঁর বামনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ব্যক্তিগত অফিসে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এলাকাবাসী অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে নতুন নিয়ম

মেহেরপুরে ফারুক বাহিনীর জমি দখল-চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেহেরপুর সদর উপজেলার বামনপাড়া গ্রামে মীর গোলাম ফারুক, তাঁর ভাই ও ভাতিজাদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি চক্রের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, আদালতের রায় ও প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে ওই চক্রটি একের পর এক সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯২৭ সালে কাজী রেজাউল হক ৯৪ শতক জমির ওপর ‘বামনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালে কাজী মোজাম্মেল হক, কাজী সিরাজুল হক ও কাজী নজরুল ইসলাম কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নামে ৮৫ শতক জমি দান করেন। ১৯৬২ সালের আরএস রেকর্ডেও ওই ৮৫ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়।

অবশিষ্ট ৯ শতক জমির মধ্যে ৩ শতক জমি ঈদগাহের নামে দান করা হয়। বাকি ৬ শতক জমির নকশাগত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ২০০৭ সালে জমির মূল মালিকরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে মেহেরপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। শুনানি শেষে আদালত বাদীদের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে বিবাদীপক্ষ জেলা জজ আদালতে আপিল করলে ২০১৮ সালে আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই রায়ের পর ৬ শতক জমির মালিকপক্ষ সেখানে একতলা পাকা মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের ১৮ জুন মার্কেটের দ্বিতীয় তলার নির্মাণকাজ শুরু করলে মীর গোলাম ফারুক, মারুফ, শান্ত, সাহেব ও আনসারসহ পাঁচজন ব্যক্তি সেখানে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় মার্কেটের অন্যতম মালিক কাজী নজরুল ইসলাম মেহেরপুর সদর থানায় বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বামনপাড়ার আরও কয়েকজন ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছেও লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। তবে প্রভাবের ভয়ে অনেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

অনুসন্ধানে ওই চক্রের বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। ফারুকের ভাই মীর আসাদুল বামনপাড়া জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালে আদালতে বিচারাধীন একটি বিরোধপূর্ণ জমি মসজিদের কাছে বিক্রির কথা বলে ফারুক ও আসাদুল দুই ভাই মিলে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এর প্রতিবাদ করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তাঁকে ‘সমীর হাজীর বাড়ি পোড়ানো’ সংক্রান্ত একটি বিচারাধীন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বামনপাড়ার কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকের তালিকা তৈরি করে বিচারাধীন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

অন্য একটি ঘটনায় জানা যায়, ফারুকের বাবা মোকসেদ আলী তাঁর বোন সূরাতুন্নেসার কাছে ৫০ শতক জমি বিক্রি করেন। সূরাতুন্নেসা ১৯৮৭ সালে ওই জমি মো. জলিল খান ও তাঁর স্ত্রীর কাছে বিক্রি করেন। তবে ভুলবশত এসএ রেকর্ডে জমিটি মোকসেদ আলীর নামে রেকর্ডভুক্ত হলে জলিল খান মেহেরপুর আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেন। এর কিছুদিন পর ফারুক গং একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার চূড়ান্ত রায় হওয়ার আগেই তারা জমিটি দখলে নেয়।

এছাড়া বামনপাড়ার মধু খাঁর ছেলে গফুর খাঁর ৪০ থেকে ৫০ শতক এবং শুকুর মীরের ছেলে মীর মুলুকের ৪০ থেকে ৫৫ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করা হয়েছে বলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

আইন লঙ্ঘন ও সরকারি সম্পত্তি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে ওই চক্রের বিরুদ্ধে। বামনপাড়া গ্রামের শেখপাড়ার সিরাজ খাঁর প্রায় ৪০ শতক জমি ভুলক্রমে খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয় বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি সিরাজ খাঁর দখলে ছিল। জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য সরকারের সঙ্গে তাঁর মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সিরাজ খাঁ মারা যাওয়ার পর তাঁর দুই ছেলে খালেক ও মালেক মামলাটি পরিচালনা করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ফারুক বাহিনী ওই জমি নিজেদের দখলে নিয়ে ৮ থেকে ১০টি পরিবারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এ বিষয়ে খালেক ও মালেকের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা ফারুক ও মারুফের ভয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বলে প্রতিবেদককে জানান।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে মীর গোলাম ফারুকের বক্তব্য জানতে তাঁর বামনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ব্যক্তিগত অফিসে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এলাকাবাসী অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।