কালাকচুয়া হোটেল মিয়ামির সামনে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হওয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উদ্যোগে সড়ক পারাপারের একটি পথ দেয়াল তুলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে আবারও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনা এড়াতে যে পথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেটি পুনরায় খুলে দেওয়ায় ওই স্থানে আবারও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে এভাবে যানবাহন চলাচলের সুযোগ তৈরি হওয়ায় পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
প্রশ্ন উঠেছে—পাঁচজনের প্রাণহানির মতো মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর যে পথটি নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেটি কী কারণে আবারও খুলে দেওয়া হলো? কার নির্দেশে বা কোন সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দেয়ালের অংশ ভেঙে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই স্থানে পুনরায় যান চলাচলের সুযোগ দেওয়ার আগে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় ভবিষ্যতে একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার কে নেবে—সেটিও এখন বড় প্রশ্ন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সড়কটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দুর্ঘটনা এড়াতে বন্ধ করা একটি পথ যদি আবারও ঝুঁকি তৈরি করে খুলে দেওয়া হয়, তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—নিরাপত্তার জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তটি কি তাহলে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে?
আব্দুর রহমান সাঈফ, কুমিল্লা 


















