ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ সদস্য স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রতারিত হয়ে পটুয়াখালীতে স্বামীদের মানববন্ধন অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী ভোলায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার শ্রীপুর পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন আবুল মনসুর মন্ডল যৌতুক মামলায় আদালতে বাদীপক্ষের হাতে মার খেলেন আইনজীবী ও আসামি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস, নবীপ্রেমের সুমহান বার্তায় মুখরিত জনপদ রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নীলফামারীতে সত্যের সন্ধানে ও মানবসেবায় অনন্য এক তরুণ: আল মিজান

  • বিশেষ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫২৪ বার পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রের বস্তুনিষ্ঠতা আর নিঃস্বার্থ মানবসেবা—এই দুইয়ের সমন্বয়ে নীলফামারীতে গণমাধ্যম ও সামাজিক অঙ্গনে আলাদা এক ভালোবাসার জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন তরুণ গণমাধ্যমকর্মী আল মিজান ইসলাম। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবিক কাজের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন এক ভরসার প্রতীক।
পেশাগত জীবনে আল মিজান ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দৈনিক ‘আমাদের মাতৃভূমি’ এবং জাতীয় দৈনিক ‘জনতার দেশকণ্ঠ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যম ‘JUFAS News’-এর সহকারী পরিচালক পদে থেকে তিনি সুনামের সাথে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নীলফামারীর সাংবাদিক সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
সাংবাদিকতার বাইরেও মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’। এই সংগঠনের ব্যানারে নীলফামারীর অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি রক্তদান কর্মসূচি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণ এবং যেকোনো মানবিক সংকটে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে আসছে তাঁর টিম। এতসব ব্যস্ততার মাঝেও বাঙালির শিকড়কে ভুল যাননি তিনি—সময় পেলেই শৈশবের ঐতিহ্যবাহী লাটিম খেলায় মেতে উঠে জীবনের সরলতা খুঁজে নেন এই সংবাদকর্মী।
এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধুই মিজানের মানবিকতার গল্প। স্থানীয় এক বাসিন্দা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান, “মিজান আমাদের এলাকার গর্ব। রোগ হলে ডাক্তার দেখানো, রক্ত যোগাড় করা কিংবা গাছের চারা হাতে আমাদের বিপদে পাশে আসা—যেকোনো প্রয়োজনে মিজানকে ডাকলেই পাওয়া যায়। ও আমাদের কাছে এক সত্যিকারের নীরব নায়ক।”
নিজের কাজ ও মানবসেবা নিয়ে অত্যন্ত বিনয়ী আল মিজান ইসলাম বলেন:
“আমি কোনো হিরো বা বড় কিছু হওয়ার জন্য কাজ করি না। নীলফামারীর কাদা-মাটির সাথে আমার শিকড়। আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য শুধু তথ্য পরিবেশন নয়, বরং সমাজ পরিবর্তন ও মানুষের কষ্ট লাঘব করা। কলম দিয়ে যেমন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়, ঠিক তেমনি একটু সহানুভূতি দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’ সেই স্বপ্নেরই এক ছোট প্রয়াস। যত দিন বেঁচে থাকব, নীলফামারীর মানুষের অধিকার ও কল্যাণেই আমার কলম এবং সেবা নিবেদিত থাকবে।”
সত্যের সন্ধানে অবিচল থেকে মানবিক সেবার এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নীলফামারীর তরুণ সমাজের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর

নীলফামারীতে সত্যের সন্ধানে ও মানবসেবায় অনন্য এক তরুণ: আল মিজান

আপডেট সময় ১১:৪০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সংবাদপত্রের বস্তুনিষ্ঠতা আর নিঃস্বার্থ মানবসেবা—এই দুইয়ের সমন্বয়ে নীলফামারীতে গণমাধ্যম ও সামাজিক অঙ্গনে আলাদা এক ভালোবাসার জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন তরুণ গণমাধ্যমকর্মী আল মিজান ইসলাম। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবিক কাজের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন এক ভরসার প্রতীক।
পেশাগত জীবনে আল মিজান ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দৈনিক ‘আমাদের মাতৃভূমি’ এবং জাতীয় দৈনিক ‘জনতার দেশকণ্ঠ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যম ‘JUFAS News’-এর সহকারী পরিচালক পদে থেকে তিনি সুনামের সাথে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নীলফামারীর সাংবাদিক সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
সাংবাদিকতার বাইরেও মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’। এই সংগঠনের ব্যানারে নীলফামারীর অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি রক্তদান কর্মসূচি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণ এবং যেকোনো মানবিক সংকটে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে আসছে তাঁর টিম। এতসব ব্যস্ততার মাঝেও বাঙালির শিকড়কে ভুল যাননি তিনি—সময় পেলেই শৈশবের ঐতিহ্যবাহী লাটিম খেলায় মেতে উঠে জীবনের সরলতা খুঁজে নেন এই সংবাদকর্মী।
এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধুই মিজানের মানবিকতার গল্প। স্থানীয় এক বাসিন্দা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান, “মিজান আমাদের এলাকার গর্ব। রোগ হলে ডাক্তার দেখানো, রক্ত যোগাড় করা কিংবা গাছের চারা হাতে আমাদের বিপদে পাশে আসা—যেকোনো প্রয়োজনে মিজানকে ডাকলেই পাওয়া যায়। ও আমাদের কাছে এক সত্যিকারের নীরব নায়ক।”
নিজের কাজ ও মানবসেবা নিয়ে অত্যন্ত বিনয়ী আল মিজান ইসলাম বলেন:
“আমি কোনো হিরো বা বড় কিছু হওয়ার জন্য কাজ করি না। নীলফামারীর কাদা-মাটির সাথে আমার শিকড়। আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য শুধু তথ্য পরিবেশন নয়, বরং সমাজ পরিবর্তন ও মানুষের কষ্ট লাঘব করা। কলম দিয়ে যেমন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়, ঠিক তেমনি একটু সহানুভূতি দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’ সেই স্বপ্নেরই এক ছোট প্রয়াস। যত দিন বেঁচে থাকব, নীলফামারীর মানুষের অধিকার ও কল্যাণেই আমার কলম এবং সেবা নিবেদিত থাকবে।”
সত্যের সন্ধানে অবিচল থেকে মানবিক সেবার এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নীলফামারীর তরুণ সমাজের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।