ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি আবারও চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের মতবিনিময় ‘ঘুষ সাইটে’ ৩ দিনে ২৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্তর কাস্টমস বন্ডে মাসুম-হাসনাইন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কুমিল্লায় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার কালুখালীতে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট ৬ বছর ধরে বন্ধ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে তিল পরিমাণ ছাড়ও দেওয়া হবে না : জামায়াত নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সবাই সভা-সমাবেশ করতে পারবে : আইনমন্ত্রী সালমান শাহ হ’ত্যা মামলায় ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি
চালু করতে ব্যয় হবে বড় অঙ্কের অর্থ

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট ৬ বছর ধরে বন্ধ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে উৎপাদনের বাইরে থাকা ইউনিটটি এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন অচল থাকার পর ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। পুরোনো প্রযুক্তির এসব ইউনিটের মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ। দীর্ঘ সময় উৎপাদনের বাইরে থাকায় ইউনিটটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সংস্কার, পরিবর্তন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ২ নম্বর ইউনিটটি পুনরায় সচল করতে ইউনিটটি মেরামত করে চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিং প্রয়োজন হবে বলে প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিকজানিয়েছিলেন ।

ইউনিটটির ওভারহোলিংয়ের জন্য একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলার কথাও তখন জানানো হয়। তবে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওভারহোলিং কাজ সম্পন্ন হয়ে ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ইউনিটটি উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। যান্ত্রিক সমস্যার পর সেটি আর স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ইউনিটটির পুরোনো যন্ত্রপাতির ওপরও ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে শুধু সাধারণ মেরামত করে ইউনিটটি চালু করার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ওভারহোলিং প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ওভারহোলিং বলতে মূলত ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি খুলে পরীক্ষা করা, ক্ষতিগ্রস্ত বা মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রাংশ পরিবর্তন, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পরবর্তী সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর প্রক্রিয়াকে বোঝানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে পুরোনো একটি ইউনিটকে কত বছর নির্ভরযোগ্যভাবে চালানো যাবে, সংস্কারের পর এর উৎপাদন দক্ষতা কতটা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে রক্ষণাবেক্ষণে কত ব্যয় হবে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটের সক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। ফলে ইউনিটটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে উত্তোলিত কয়লা ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এ ইউনিটটি গুরুত্বপূর্ণ। ইউনিটটি সচল হলে কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট—প্রায় ছয় বছর ধরে ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ থাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট অচল পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কারের ঘোষণা নয়, ২ নম্বর ইউনিটের ওভারহোলিংয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অর্থ বরাদ্দ, কাজ শুরুর সময়সীমা এবং উৎপাদনে ফেরার সম্ভাব্য তারিখ জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট চালুর বিষয়টি মূলত ওভারহোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউনিটটি সংস্কার করে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদে নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির দিকে যাওয়া হবে—এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট—প্রায় ছয় বছর ধরে ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ থাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট অচল পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কারের ঘোষণা নয়, ২ নম্বর ইউনিটের ওভারহোলিংয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অর্থ বরাদ্দ, কাজ শুরুর সময়সীমা এবং উৎপাদনে ফেরার সম্ভাব্য তারিখ জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট চালুর বিষয়টি মূলত ওভারহোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে। বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ে ইউনিটটি সংস্কার করে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদে নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির দিকে যাওয়া হবে—এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১২৫ মেগাওয়াটের এই ইউনিটটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে চালু করা গেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি আবারও চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চালু করতে ব্যয় হবে বড় অঙ্কের অর্থ

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট ৬ বছর ধরে বন্ধ

আপডেট সময় ০৫:১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে উৎপাদনের বাইরে থাকা ইউনিটটি এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন অচল থাকার পর ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। পুরোনো প্রযুক্তির এসব ইউনিটের মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ। দীর্ঘ সময় উৎপাদনের বাইরে থাকায় ইউনিটটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সংস্কার, পরিবর্তন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ২ নম্বর ইউনিটটি পুনরায় সচল করতে ইউনিটটি মেরামত করে চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিং প্রয়োজন হবে বলে প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিকজানিয়েছিলেন ।

ইউনিটটির ওভারহোলিংয়ের জন্য একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলার কথাও তখন জানানো হয়। তবে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওভারহোলিং কাজ সম্পন্ন হয়ে ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ইউনিটটি উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। যান্ত্রিক সমস্যার পর সেটি আর স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ইউনিটটির পুরোনো যন্ত্রপাতির ওপরও ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে শুধু সাধারণ মেরামত করে ইউনিটটি চালু করার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ওভারহোলিং প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ওভারহোলিং বলতে মূলত ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি খুলে পরীক্ষা করা, ক্ষতিগ্রস্ত বা মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রাংশ পরিবর্তন, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পরবর্তী সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর প্রক্রিয়াকে বোঝানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে পুরোনো একটি ইউনিটকে কত বছর নির্ভরযোগ্যভাবে চালানো যাবে, সংস্কারের পর এর উৎপাদন দক্ষতা কতটা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে রক্ষণাবেক্ষণে কত ব্যয় হবে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটের সক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। ফলে ইউনিটটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে উত্তোলিত কয়লা ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এ ইউনিটটি গুরুত্বপূর্ণ। ইউনিটটি সচল হলে কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট—প্রায় ছয় বছর ধরে ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ থাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট অচল পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কারের ঘোষণা নয়, ২ নম্বর ইউনিটের ওভারহোলিংয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অর্থ বরাদ্দ, কাজ শুরুর সময়সীমা এবং উৎপাদনে ফেরার সম্ভাব্য তারিখ জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট চালুর বিষয়টি মূলত ওভারহোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউনিটটি সংস্কার করে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদে নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির দিকে যাওয়া হবে—এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট—প্রায় ছয় বছর ধরে ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ থাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট অচল পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কারের ঘোষণা নয়, ২ নম্বর ইউনিটের ওভারহোলিংয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অর্থ বরাদ্দ, কাজ শুরুর সময়সীমা এবং উৎপাদনে ফেরার সম্ভাব্য তারিখ জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট চালুর বিষয়টি মূলত ওভারহোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে। বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ে ইউনিটটি সংস্কার করে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদে নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির দিকে যাওয়া হবে—এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১২৫ মেগাওয়াটের এই ইউনিটটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে চালু করা গেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।