চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপনের বিষয়ে করা আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। ২০২৬ সালের রিট পিটিশন নং ৯০২৬-এর শুনানি শেষে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে দায়ের করা রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হলো। বিবাদীদের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদনকারীর ১১ জুন ২০২৬ তারিখের আবেদনপত্র (সংযুক্তি-ডি-১) নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ হাসান নামে এক ব্যক্তি রিট আবেদনটি দায়ের করেন। আবেদনে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপনের জন্য ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবর জারি করা সার্কুলার, যার স্মারক নম্বর এমপবি. নিকার/১(৩)/ক্যাম/১৮৫(৯৫), বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
রিট আবেদনে ১১ জুন ২০২৬ তারিখের আবেদন নিষ্পত্তি না করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
আদালত আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আফরোজা সুলতানার বক্তব্য শোনেন এবং রিট আবেদন ও এর সঙ্গে দাখিল করা নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। পরে আদালত রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আবেদনটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
আদেশে বলা হয়, আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য এবং নথিতে থাকা অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনায় নিয়ে আদালত এ নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
হাইকোর্টের এ আদেশকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর দপ্তর কমপ্লেক্স স্থাপনের দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের আদেশ অনুযায়ী এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
আদেশে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আকতার হোসেন মোঃ আব্দুল ওয়াহাবসহ সংশ্লিষ্ট আইন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আফরোজা সুলতানা।
বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এ আদেশ দেন।
হুমায়ুন কবির নিজস্ব প্রতিবেদক 
























