জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের বাঘারচর ব্যাপারীপাড়া এলাকার ফাতেমা আক্তার নামে এক তরুণীর প্রতারণার অভিযোগের ঘটনায় ২৫ দিন পার হলেও বিচার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
পরিবারের অভিযোগ, একাধিকবার সালিশ বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও ছেলে পক্ষের বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিবারই তা ভেঙে যায়। ফলে দিনের পর দিন বিচার না পেয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক কষ্টের মধ্যে রয়েছেন তারা। এছাড়া একপর্যায়ে অভিযুক্ত আলামিনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের বাঘারচর ব্যাপারীপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম শহিদের ছেলে আলামিন দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের আমজাদের মেয়ে ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ফাতেমার বিয়ের আগ থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। পরে ফাতেমার অন্যত্র বিয়ে হলেও আলামিনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।
পরিবারের আরও অভিযোগ, আলামিন বিভিন্নভাবে ফাতেমার দাম্পত্য জীবনে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করেন এবং একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর পরিবারের চাপে আলামিন বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে আলামিনের বাবা শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি আলামিন ও ফাতেমার মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করেছেন । তিনি বলেন আমার ছেলে ১০ম শ্রেণিতে পড়ে তবে তার সাথে কোন শারীরিক সম্পর্ক হয়নি, মেয়ে বিবাহিত আমার পরিবারের পক্ষে বিয়ে সম্ভব না ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 






















