ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নীরবতায় ক্যাটরিনার ওপর অনুরাগীদের ক্ষোভ আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল ভোলার বাংলাবাজারে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস’ বিষয়ক আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত শরীরের বিশেষ কিছু অঙ্গ যা স্পর্শ করলে মহাবিপদ! ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ফিরোজ জামান ও ফনিন্দ্রনাথের ৪৭ লাখ টাকার দূর্নীতি পবিপ্রবি ও ইন্দোনেশিয়া নেগারি পাদং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমাঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপে মোদি সরকার ১ মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার

বাঘায় স্বামী স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামে একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাঘা থানা পুলিশ। সোমবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম (৪৫) ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৮) রোববার রাতের মতোই নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজায় ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে দরজা আটকানো থাকায় কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের ঘরের তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে বাঘা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
নিহতরা হলেন, আরিফপুর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৪৫) এবং তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৮)। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হতাশাগ্রস্ত হয়ে তারা বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া মরদেহের মুখে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বাঘা থানা পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নীরবতায় ক্যাটরিনার ওপর অনুরাগীদের ক্ষোভ

বাঘায় স্বামী স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার 

আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামে একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাঘা থানা পুলিশ। সোমবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম (৪৫) ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৮) রোববার রাতের মতোই নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজায় ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে দরজা আটকানো থাকায় কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের ঘরের তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে বাঘা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
নিহতরা হলেন, আরিফপুর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৪৫) এবং তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৮)। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হতাশাগ্রস্ত হয়ে তারা বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া মরদেহের মুখে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বাঘা থানা পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।