ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ইসিতে সভা ময়মনসিংহে ট্রাক-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩ সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয় : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনায় ৩ লাল কার্ড দেখা একমাত্র দল আর্জেন্টিনা গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ৭০০ মানুষের চিকিৎসা, ২০০ গবাদি পশুর সেবা কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তবু বহাল সিডিএর প্রকৌশলীরা বাজারদর যাচাই ছাড়াই ৬ হাজার কোটির গ্রিড প্রকল্পে ২,২১৫ কোটির চুক্তি মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে: আইনমন্ত্রী

তথ্য ফাঁস ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের পরও দোহাটেকের সঙ্গে নতুন চুক্তির পাঁয়তারা

সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সহজ করার লক্ষ্যে চালু হওয়া ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থা এখন একটি নির্দিষ্ট মহলের জিম্মিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের একাংশের যোগসাজশে প্রায় ১৬ বছর ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ‘দোহাটেক নিউ মিডিয়া’ নামের একটি বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প পরিচালক নাজমুল ইসলাম ভূইয়ার বিরুদ্ধে অত্যন্ত সংবেদনশীল ডেটাবেজ ও দরপত্রের গোপনীয় মূল্য (প্রাইস) ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও, চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে আবারও এই ই-জিপি ব্যবস্থাকে একই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র চলছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ই-জিপি সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রকল্পের দীর্ঘকালীন টেকনিক্যাল পার্টনার দোহাটেক নিউ মিডিয়ার প্রজেক্ট ম্যানেজার বা প্রকল্প পরিচালক নাজমুল ইসলাম ভূইয়া ও তার ঘনিষ্ঠদের হাতে রয়েছে ই-জিপি ডাটাবেজের অত্যন্ত সংবেদনশীল অ্যাক্সেস ও পাসওয়ার্ড। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদমে অনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দরপত্র উন্মুক্ত হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট চক্রের কাছে গোপন মূল্য বা ‘প্রাইস ফাঁস’ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রকৃত ও যোগ্য ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়ছেন এবং একটি নির্দিষ্ট চক্র শত শত কোটি টাকার সরকারি কাজ হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে নাজমুল ইসলাম ভূইয়া ও বিপিপিএ-এর একাধিক কর্মকর্তা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বব্যাংকের স্পষ্ট নীতিমালায় দীর্ঘমেয়াদে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একক আধিপত্যকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলেও, বিপিপিএ-এর (সাবেক সিপিটিইউ) কিছু অসাধু কর্মকর্তা দোহাটেক-কে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছেন। সরকারি বিধিমালা ও প্রতিযোগিতার তোয়াক্কা না করে গত দেড় দশক ধরে এই একই বলয়কে কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চলমান প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে দোহাটেক বিশ্বব্যাংকের চোখ ফাঁকি দিতে নাম পরিবর্তন করে ‘eGP STAR’ নামের নতুন সত্তা তৈরি করে একই কাজ বাগিয়ে নেওয়ার কৌশল নেয়। শুধু ই-জিপি-ই নয়,পরিকল্পনা কমিশনের আইএমইডি বিভাগের ‘e-PMIS’ প্রকল্প থেকে আই ওয়াশ এর উদ্দেশ্যে সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকোকে বাদ দিয়ে এককভাবে দোহাটেককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, রাজউকের অনলাইন সিস্টেম এবং আরজেএসসির ডিজিটাল কার্যক্রমেও এই একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের রহস্যজনক একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদ অধিবেশনেও ই-জিপির এই সিন্ডিকেট ও টেন্ডার কারচুপির বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী ঠিকাদার এবং টেকনিক্যাল সিন্ডিকেট পর্দার আড়ালে থেকে ই-জিপির কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। কাজগুলো অনৈতিকভাবে বারবার বিক্রি হওয়ার ফলে মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হচ্ছে।

এই তীব্র সমালোচনার মুখে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী ঠিকাদার ও সিন্ডিকেটের আধিপত্য ভাঙতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ) এবং ই-জিপি আইনটি সরকার জরুরি ভিত্তিতে পর্যালোচনা করছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বচ্ছতার সাথে অংশ নিতে পারে।

উল্লেখ্য, দোহাটেকের মূল কর্ণধার এ কে এম সামসুদ্দোহা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবশালী উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ব্যবসায়িক অংশীদার। ১৯৯৬ সালের বহুল আলোচিত শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতেও এ কে এম সামসুদ্দোহা ও সালমান এফ রহমানের নাম একসঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিগত ১৬ বছর ধরে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের সম্পূর্ণ সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মতো একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল জাতীয় অবকাঠামোকে (যা প্রায় ৭২.২৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পন্ন করেছে) দীর্ঘদিন ধরে একটি বিতর্কিত ও রাজনৈতিক প্রভাবপুষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া চরম ঝুঁকিপূর্ণ। দরপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল ক্রয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ফেরাতে অবিলম্বে বর্তমান চুক্তি বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তৃতীয় পক্ষকে কারিগরি দায়িত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, নতুন করে চুক্তি করার এই পায়তারা সফল হলে দেশের সরকারি অর্থের হরিলুট এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়বে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ইসিতে সভা

তথ্য ফাঁস ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের পরও দোহাটেকের সঙ্গে নতুন চুক্তির পাঁয়তারা

আপডেট সময় ০৩:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সহজ করার লক্ষ্যে চালু হওয়া ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থা এখন একটি নির্দিষ্ট মহলের জিম্মিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের একাংশের যোগসাজশে প্রায় ১৬ বছর ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ‘দোহাটেক নিউ মিডিয়া’ নামের একটি বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প পরিচালক নাজমুল ইসলাম ভূইয়ার বিরুদ্ধে অত্যন্ত সংবেদনশীল ডেটাবেজ ও দরপত্রের গোপনীয় মূল্য (প্রাইস) ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও, চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে আবারও এই ই-জিপি ব্যবস্থাকে একই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র চলছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ই-জিপি সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রকল্পের দীর্ঘকালীন টেকনিক্যাল পার্টনার দোহাটেক নিউ মিডিয়ার প্রজেক্ট ম্যানেজার বা প্রকল্প পরিচালক নাজমুল ইসলাম ভূইয়া ও তার ঘনিষ্ঠদের হাতে রয়েছে ই-জিপি ডাটাবেজের অত্যন্ত সংবেদনশীল অ্যাক্সেস ও পাসওয়ার্ড। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদমে অনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দরপত্র উন্মুক্ত হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট চক্রের কাছে গোপন মূল্য বা ‘প্রাইস ফাঁস’ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রকৃত ও যোগ্য ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়ছেন এবং একটি নির্দিষ্ট চক্র শত শত কোটি টাকার সরকারি কাজ হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে নাজমুল ইসলাম ভূইয়া ও বিপিপিএ-এর একাধিক কর্মকর্তা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বব্যাংকের স্পষ্ট নীতিমালায় দীর্ঘমেয়াদে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একক আধিপত্যকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলেও, বিপিপিএ-এর (সাবেক সিপিটিইউ) কিছু অসাধু কর্মকর্তা দোহাটেক-কে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছেন। সরকারি বিধিমালা ও প্রতিযোগিতার তোয়াক্কা না করে গত দেড় দশক ধরে এই একই বলয়কে কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চলমান প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে দোহাটেক বিশ্বব্যাংকের চোখ ফাঁকি দিতে নাম পরিবর্তন করে ‘eGP STAR’ নামের নতুন সত্তা তৈরি করে একই কাজ বাগিয়ে নেওয়ার কৌশল নেয়। শুধু ই-জিপি-ই নয়,পরিকল্পনা কমিশনের আইএমইডি বিভাগের ‘e-PMIS’ প্রকল্প থেকে আই ওয়াশ এর উদ্দেশ্যে সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকোকে বাদ দিয়ে এককভাবে দোহাটেককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, রাজউকের অনলাইন সিস্টেম এবং আরজেএসসির ডিজিটাল কার্যক্রমেও এই একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের রহস্যজনক একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদ অধিবেশনেও ই-জিপির এই সিন্ডিকেট ও টেন্ডার কারচুপির বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী ঠিকাদার এবং টেকনিক্যাল সিন্ডিকেট পর্দার আড়ালে থেকে ই-জিপির কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। কাজগুলো অনৈতিকভাবে বারবার বিক্রি হওয়ার ফলে মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হচ্ছে।

এই তীব্র সমালোচনার মুখে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী ঠিকাদার ও সিন্ডিকেটের আধিপত্য ভাঙতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ) এবং ই-জিপি আইনটি সরকার জরুরি ভিত্তিতে পর্যালোচনা করছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বচ্ছতার সাথে অংশ নিতে পারে।

উল্লেখ্য, দোহাটেকের মূল কর্ণধার এ কে এম সামসুদ্দোহা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবশালী উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ব্যবসায়িক অংশীদার। ১৯৯৬ সালের বহুল আলোচিত শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতেও এ কে এম সামসুদ্দোহা ও সালমান এফ রহমানের নাম একসঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিগত ১৬ বছর ধরে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের সম্পূর্ণ সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মতো একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল জাতীয় অবকাঠামোকে (যা প্রায় ৭২.২৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পন্ন করেছে) দীর্ঘদিন ধরে একটি বিতর্কিত ও রাজনৈতিক প্রভাবপুষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া চরম ঝুঁকিপূর্ণ। দরপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল ক্রয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ফেরাতে অবিলম্বে বর্তমান চুক্তি বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তৃতীয় পক্ষকে কারিগরি দায়িত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, নতুন করে চুক্তি করার এই পায়তারা সফল হলে দেশের সরকারি অর্থের হরিলুট এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়বে।