আজিজ মুসুল্লি হুজুরের বাড়ি বরগুনার গৌরিচন্না বাজারের পুর্ব পাশ্বে। এলাকার সবাই তাঁকে খুব শ্রদ্বা সম্মান করে থাকে, হাস্যোজ্জ্বল সদালাপী মিষ্টভাষী সমাজের মানুষের কাছে তিনি সাদা মনের আজিজ মুসুল্লি হুজুর নামেই পরিচিত ।
সে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে গৌরিচন্না বাজার কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের প্রতিস্ঠাকাল থেকে সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আযান দিতেন। যে সময় মাইক ছিলোনা, মুখেই আযান দিতে হতো। তা’র সুউচ্চ কন্ঠের আযানের আওয়াজ আশেপাশের কয়েক কিলোমিটার দূরের মুসুল্লিরাও শুনতে পেতো। সেই সময়ে “তালপাতায় ” নির্মিত গৌরিচন্না বাজার কেন্দ্রীয় এ জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন তারই বন্ধু জনাব আমির আলী হজুর । সেই আমির আলী হজুর প্রায় ৩২ বছর এ মসজিদের খেদমত করে পরোপারে চলেগেছেন।
জনাব আজিজ মুসুল্লি হুজুর গ্লোবাল এভিয়েশন অ্যান্ড টুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের বরগুনা জেলা সভাপতি মাওলানা মো: আব্দুল মোতালেব কে জানিয়েছেন – তিনি একসময় ১ টাকায় ২ কুড়ি ইলিশ মাছ, ১২ পয়সা সের চাউল, ২৫ পয়সায় দশ মনের ১ গাড়ি বেগুন, ৪ টাকায় ৪০০ পিছ কাঠাল, ৪ টাকায় ১২০০ পিছ বেল , এবং ৫ টাকায় (৪৫ সের) এক কলস খেজুরের গুড় কিনেছেন।
এলাকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের পরম শ্রদ্ধেয় ও ভালোবাসার মানুষটির “বয়স নব্বইয়ের কাছাকাছি” বয়সের ভারে নুইয়ে পরা এ মানুষটি এখন আর লাঠি দিয়েও হাটতে চলতে পারেনা। এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দু’বছর বিছানায় পড়ে আছেন। দাম্পত্য জীবনে জনাব আজিজ মুসুল্লি হুজুর ২ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জনক। জীবন সায়াহ্নে এসে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে ক্ষমা ও দোয়া চেয়েছেন।
মাওলানা মোঃ আব্দুল মোতালেব, স্টাফ রিপোটার 






















