ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শওকত আলীর অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান গতি বাড়িয়েছে দুদক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগে ঘুষের সিন্ডিকেটের অভিযোগ আর্জেন্টিনা ফাইনালে হারের পর সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল সংঘর্ষ ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা নগরীতে অভিযানে ৩ জনকে জরিমানা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলালেন লামিন ইয়ামাল সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার দেড় হাজার বিলাসবহুল পণ্য স্পেনের জয়ে যা লিখলেন শাকিব-বুবলী-অপু দাবি বাস্তবায়নে ৩ আগস্ট অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জে লোডশেডিংয়ের একক প্রতিবাদকারী শাকিলের জীবননাশের আশঙ্কা রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতার মধ্যে না থাকলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে : রিজভী

স্থানীয় নির্বাচন আ.লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ প্রশ্নে যা জানালেন রিজভী 

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ব্যাপারে ক্ষমতাসীন বিএনপির অবস্থান কী, সাংবাদিকরা তা জানতে চেয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপির ২০২৫ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকরা এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করেন তাকে।

জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনে কে অংশ নিতে পারবেন আর কে পারবেন না, তা সম্পূর্ণভাবে আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। প্রচলিত এবং নতুন প্রণীত আইন পর্যালোচনা করে ইসিই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল কী বলল, তা এখানে বিবেচ্য নয়।

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে হচ্ছে না স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে যাওয়ার যোগ্য তা দেখার দায়িত্ব একমাত্র নির্বাচন কমিশনের এবং বিএনপি বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে।

নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার রূপরেখা কেমন হবে কিংবা সবার জন্য প্রার্থিতা উন্মুক্ত থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী জানান, প্রতীকহীন নির্বাচন হওয়ায় দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। পাশাপাশি দলের আগামী জাতীয় কাউন্সিলের বিষয়ে তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব ইতোমধ্যে সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপারে কথা বলেছেন। খুব দ্রুতই সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করে তা প্রকাশ করা হবে।

এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, এই বিপ্লব দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অর্জিত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃবহালের দাবিতে বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণবিপ্লব ছিল তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয়কে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে অভিহিত করেন রুহুল কবির রিজভী।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শওকত আলীর অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান গতি বাড়িয়েছে দুদক

স্থানীয় নির্বাচন আ.লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ প্রশ্নে যা জানালেন রিজভী 

আপডেট সময় ০৪:৩৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ব্যাপারে ক্ষমতাসীন বিএনপির অবস্থান কী, সাংবাদিকরা তা জানতে চেয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপির ২০২৫ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকরা এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করেন তাকে।

জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনে কে অংশ নিতে পারবেন আর কে পারবেন না, তা সম্পূর্ণভাবে আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। প্রচলিত এবং নতুন প্রণীত আইন পর্যালোচনা করে ইসিই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল কী বলল, তা এখানে বিবেচ্য নয়।

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে হচ্ছে না স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে যাওয়ার যোগ্য তা দেখার দায়িত্ব একমাত্র নির্বাচন কমিশনের এবং বিএনপি বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে।

নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার রূপরেখা কেমন হবে কিংবা সবার জন্য প্রার্থিতা উন্মুক্ত থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী জানান, প্রতীকহীন নির্বাচন হওয়ায় দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। পাশাপাশি দলের আগামী জাতীয় কাউন্সিলের বিষয়ে তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব ইতোমধ্যে সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপারে কথা বলেছেন। খুব দ্রুতই সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করে তা প্রকাশ করা হবে।

এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, এই বিপ্লব দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অর্জিত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃবহালের দাবিতে বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণবিপ্লব ছিল তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয়কে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে অভিহিত করেন রুহুল কবির রিজভী।