ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেনটিনায় যোগ দিলেন দুই ব্রাজিল সমর্থক ৫ বছরেই দ্বিগুণ হতে পারে সোনার দাম জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৬১৬ কোটি, বাকিরা কে কত? এটা সেই দেশ, যে দেশ বারবার প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ করতে জানে: রিজভী কাজ শেষের আগেই বিল পরিশোধ, ৯২ কোটি টাকার প্রকল্প ১০৯ কোটিতে উন্নীত ফরিদপুরে জমি মাপকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকসহ পরিবারারের সদস্যদের উপর হামলা, আহত-৫  মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসন

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৬১৬ কোটি, বাকিরা কে কত?

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর এবার শুধু মাঠের লড়াইয়েই নয়, প্রাইজমানিতেও গড়েছে নতুন ইতিহাস। ৪৮ দলের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপ উপলক্ষে রেকর্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি) প্রাইজ ফান্ড ঘোষণা করেছে ফিফা, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। শিরোপা জিতলে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা)। রানার্স-আপ দল ঘরে তুলবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।

অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা) এবং চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা)।

বাকি কোন দল কত পাচ্ছে
রানার্স-আপ: ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)

তৃতীয় স্থান: ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)

চতুর্থ স্থান: ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা)

কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার

শেষ ১৬ থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার

শেষ ৩২ থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ১০ লাখ ডলার

গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়: ৯০ লাখ ডলার, সঙ্গে প্রস্তুতি খরচ হিসেবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডলার।

ফিফা জানায়, অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলের প্রত্যেকের জন্যই অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফিফা সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে এই অর্থ হস্তান্তর করে। এরপর ফেডারেশন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের বোনাস নির্ধারণ করে। বাকি অর্থ সাধারণত তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ব্যয় করা হয়।

অলাভজনক সংস্থা হলেও এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রাজস্ব আয়ের প্রক্ষেপণ রয়েছে। সে হিসাবে মোট আয়ের প্রায় ৬.৫ শতাংশ প্রাইজমানি হিসেবে দলগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

চার বছরের বর্তমান আর্থিক চক্রে ফিফার মোট আয় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের চক্রের ৭.৬ বিলিয়ন ডলার আয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এবার সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ডলারে, অর্থাৎ চ্যাম্পিয়নরা অতিরিক্ত ৮০ লাখ ডলার বেশি পাচ্ছে। একইভাবে রানার্স-আপ দলও আগের আসরের তুলনায় ৩০ লাখ ডলার বেশি প্রাইজমানি পাচ্ছে।

ফাইনাল শেষে সেরা খেলোয়াড়কে দেওয়া হবে গোল্ডেন বল, সেরা গোলরক্ষক পাবেন গোল্ডেন গ্লাভস এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা জিতবেন গোল্ডেন বুট। এছাড়া চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পাবে। তবে এসব ব্যক্তিগত পুরস্কারের সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো অর্থ প্রদান করা হবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেনটিনায় যোগ দিলেন দুই ব্রাজিল সমর্থক

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৬১৬ কোটি, বাকিরা কে কত?

আপডেট সময় ০৬:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর এবার শুধু মাঠের লড়াইয়েই নয়, প্রাইজমানিতেও গড়েছে নতুন ইতিহাস। ৪৮ দলের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপ উপলক্ষে রেকর্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি) প্রাইজ ফান্ড ঘোষণা করেছে ফিফা, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। শিরোপা জিতলে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা)। রানার্স-আপ দল ঘরে তুলবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।

অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা) এবং চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা)।

বাকি কোন দল কত পাচ্ছে
রানার্স-আপ: ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)

তৃতীয় স্থান: ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)

চতুর্থ স্থান: ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা)

কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার

শেষ ১৬ থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার

শেষ ৩২ থেকে বিদায়: প্রত্যেক দল ১ কোটি ১০ লাখ ডলার

গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়: ৯০ লাখ ডলার, সঙ্গে প্রস্তুতি খরচ হিসেবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডলার।

ফিফা জানায়, অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলের প্রত্যেকের জন্যই অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফিফা সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে এই অর্থ হস্তান্তর করে। এরপর ফেডারেশন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের বোনাস নির্ধারণ করে। বাকি অর্থ সাধারণত তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ব্যয় করা হয়।

অলাভজনক সংস্থা হলেও এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রাজস্ব আয়ের প্রক্ষেপণ রয়েছে। সে হিসাবে মোট আয়ের প্রায় ৬.৫ শতাংশ প্রাইজমানি হিসেবে দলগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

চার বছরের বর্তমান আর্থিক চক্রে ফিফার মোট আয় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের চক্রের ৭.৬ বিলিয়ন ডলার আয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এবার সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ডলারে, অর্থাৎ চ্যাম্পিয়নরা অতিরিক্ত ৮০ লাখ ডলার বেশি পাচ্ছে। একইভাবে রানার্স-আপ দলও আগের আসরের তুলনায় ৩০ লাখ ডলার বেশি প্রাইজমানি পাচ্ছে।

ফাইনাল শেষে সেরা খেলোয়াড়কে দেওয়া হবে গোল্ডেন বল, সেরা গোলরক্ষক পাবেন গোল্ডেন গ্লাভস এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা জিতবেন গোল্ডেন বুট। এছাড়া চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পাবে। তবে এসব ব্যক্তিগত পুরস্কারের সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো অর্থ প্রদান করা হবে না।