ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও পোশাক জব্দ করেছে বিজিবি হ্যারি কেইনকে ডিফেন্সে নামানো ভুল ছিল, টুখেলের সমালোচনায় ট্রাম্প আত্রাইয়ে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই যুবকের কারাদণ্ড  কালীগঞ্জে সতি নদী থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার পরীক্ষা কক্ষে নকলের মহোৎসব! ভিডিও ভাইরাল সাদুল্লাপুরে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু ১০৪তম আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা ও চারাগাছ বিতরণ বেরোবির ওয়েবসাইটে মিলছে না শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য, বাড়ছে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থান: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা চুক্তিভিত্তিক সচিব কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উপেক্ষা করে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি

২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই বছর তার কোনো হদিস ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাদে জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে।

সরকারি বেতন-ভাতা আত্মসাৎ ও কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি পেলেন ভোলার লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা মিললেও, সরকারি নিয়ম ও চূড়ান্ত দাপ্তরিক সিদ্ধান্তের দোহাই দিয়ে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই বছর তার কোনো হদিস ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাদে জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে। এসব অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে কয়েকটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এসব নিয়ে চরম বিতর্কের মুখেও পড়েন তিনি।

অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, বিদ্যালয়ের ২১৫টি দোকান রয়েছে। ওইসব দোকানগুলো ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে বরাদ্দ দেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব (তখন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন)। বরাদ্দের নামে দোকান প্রতি ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। দোকানগুলোর বরাদ্দের চুক্তিতে তার স্বাক্ষর রয়েছে। কেবল এই দোকান বরাদ্দ দিয়েই ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন। বিদ্যালয়ের জমি অবৈধভাবে বিক্রির সঙ্গেও সম্পৃক্ততা ছিল তার।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি ২০২৫খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বের একাধিক অনিয়মের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তবে এরমধ্যে প্রধান শিক্ষক এলপিআর-এ চলে যান। তদন্ত কমিটি সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক না করতে এবং তার বেতন-ভাতা স্থগিত করাসহ তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

তবে তদন্ত কমিটির ওইসব সুপারিশ আমলে না নিয়ে গত ১৭ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষমতা প্রদান করেন। এই আদেশ পাওয়ার পরই দীর্ঘ দুই বছর পর প্রকাশ্যে আসেন তিনি। এরপর থেকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন আবু তৈয়ব।
এদিকে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর আবু তৈয়বের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এরপরও আবু তৈয়ব বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

অভিযোগের ব্যাপারে আবু তৈয়ব জানান, তদন্ত কমিটি কোনো বিষয় জানতে আমাকে ডাকেননি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, তখন আমি কোনো আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলাম না। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তদন্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। এছাড়া ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে আমি বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত ছিলাম।

এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ মন্ত্রণালয়, শাস্তি আরোপও করতে পারে মন্ত্রণালয়। যার জন্য তদন্ত কমিটির ওই প্রতিবেদনটি আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যক্রম চলমান থাকবে। অফিসিয়ালভাবে অপরাধের ফাইনাল সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সঠিক।

তবে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগনামা গঠিত হবে। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমপর্ণ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যদি তখন তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারেন তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া তিনি যদি কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন-ভাতা ভোগ করে থাকেন তাহলে তিনি তা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও পোশাক জব্দ করেছে বিজিবি

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উপেক্ষা করে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি

আপডেট সময় ০২:৫১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই বছর তার কোনো হদিস ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাদে জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে।

সরকারি বেতন-ভাতা আত্মসাৎ ও কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি পেলেন ভোলার লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা মিললেও, সরকারি নিয়ম ও চূড়ান্ত দাপ্তরিক সিদ্ধান্তের দোহাই দিয়ে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই বছর তার কোনো হদিস ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাদে জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে। এসব অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে কয়েকটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এসব নিয়ে চরম বিতর্কের মুখেও পড়েন তিনি।

অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, বিদ্যালয়ের ২১৫টি দোকান রয়েছে। ওইসব দোকানগুলো ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে বরাদ্দ দেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব (তখন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন)। বরাদ্দের নামে দোকান প্রতি ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। দোকানগুলোর বরাদ্দের চুক্তিতে তার স্বাক্ষর রয়েছে। কেবল এই দোকান বরাদ্দ দিয়েই ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন। বিদ্যালয়ের জমি অবৈধভাবে বিক্রির সঙ্গেও সম্পৃক্ততা ছিল তার।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি ২০২৫খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বের একাধিক অনিয়মের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তবে এরমধ্যে প্রধান শিক্ষক এলপিআর-এ চলে যান। তদন্ত কমিটি সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক না করতে এবং তার বেতন-ভাতা স্থগিত করাসহ তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

তবে তদন্ত কমিটির ওইসব সুপারিশ আমলে না নিয়ে গত ১৭ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষমতা প্রদান করেন। এই আদেশ পাওয়ার পরই দীর্ঘ দুই বছর পর প্রকাশ্যে আসেন তিনি। এরপর থেকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন আবু তৈয়ব।
এদিকে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর আবু তৈয়বের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এরপরও আবু তৈয়ব বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

অভিযোগের ব্যাপারে আবু তৈয়ব জানান, তদন্ত কমিটি কোনো বিষয় জানতে আমাকে ডাকেননি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, তখন আমি কোনো আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলাম না। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তদন্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। এছাড়া ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর থেকে আমি বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত ছিলাম।

এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ মন্ত্রণালয়, শাস্তি আরোপও করতে পারে মন্ত্রণালয়। যার জন্য তদন্ত কমিটির ওই প্রতিবেদনটি আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যক্রম চলমান থাকবে। অফিসিয়ালভাবে অপরাধের ফাইনাল সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সঠিক।

তবে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগনামা গঠিত হবে। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমপর্ণ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যদি তখন তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারেন তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া তিনি যদি কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন-ভাতা ভোগ করে থাকেন তাহলে তিনি তা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন।