ফিফা বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শেষে সেরা পারফরম্যান্স করা ফুটবলারের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। তবে মর্যাদাপূর্ণ এই স্বীকৃতির সঙ্গে কোনো ধরনের নগদ অর্থ বা প্রাইজমানি দেওয়া হয় না।
২০০২ সালে কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপ থেকে চালু হওয়া ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার শুরুতে নির্ধারণ করত ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ। ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপে বিশেষজ্ঞদের এই প্যানেলই ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করত।
২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনে ফিফা। এরপর থেকে সংস্থার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে সমর্থকদের ভোটের ভিত্তিতে প্রতিটি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করা হচ্ছে।
অনেকের ধারণা, ম্যাচসেরা হওয়া ফুটবলাররা নগদ অর্থও পান। বাস্তবে তা নয়। ফিফা এই পুরস্কারের সঙ্গে কোনো প্রাইজমানি দেয় না। বিজয়ী ফুটবলার কেবল ট্রফি ও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিই পান।
একই নিয়ম প্রযোজ্য বিশ্বকাপের অন্যান্য ব্যক্তিগত পুরস্কারের ক্ষেত্রেও। গোল্ডেন বল (সেরা খেলোয়াড়), গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) এবং গোল্ডেন গ্লাভস (সেরা গোলরক্ষক) জিতলেও ফিফার পক্ষ থেকে কোনো নগদ অর্থ দেওয়া হয় না।
তবে এসব পুরস্কারের পরোক্ষ আর্থিক মূল্য অনেক বেশি। বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত সাফল্যের পর একজন ফুটবলারের বাজারমূল্য বাড়তে পারে, ক্লাব বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয় এবং স্পনসরশিপ ও বাণিজ্যিক চুক্তি থেকেও উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
ব্যক্তিগত পুরস্কারে অর্থ না থাকলেও দলগত সাফল্যের জন্য বড় অঙ্কের প্রাইজমানি দেয় ফিফা। বিশ্বকাপজয়ী দলের জন্য নির্ধারিত থাকে ৫ কোটি মার্কিন ডলারের পুরস্কার, যা সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের তহবিলে প্রদান করা হয়।
ক্রীড়া ডেস্ক 























