ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলো ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান দুই বছর পর ভ্রমণ ভিসায় ভারতে যাত্রী পারাপার শুরু থাইল্যান্ড-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াসহ নতুন গন্তব্যে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ মেসিকে ‘লুজার’ বলেই সমালোচনার মুখে গওহর খান শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কেন ৯০ মিনিটের হয় ফুটবল ম্যাচ, জানুন পেছনের গল্প রাজৈরে লিবিয়ার সাগরে নিখোঁজ সোহেল, ৩০ দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ভুক্ত ভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন বড়লেখায় পিরানহা মাছ বিক্রির দায়ে জরিমানা, ৩৮ কেজি মাছ ধ্বংস আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী আরএনবিতে বেপরোয়া বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

ট্রাম্পের এক মন্তব্যে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বুধবার (৮ জুলাই) ভারতের শেয়ারবাজারে গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় একদিনের পতন দেখা গেছে।

দিন শেষে ভারতের প্রধান শেয়ার সূচক নিফটি-৫০ ২ দশমিক ১২ শতাংশ কমে ২৩ হাজার ৮৮২ দশমিক ৫ পয়েন্টে এবং বিএসই সেনসেক্স ২ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে ৭৬ হাজার ৫০৩ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে আসে। উভয় সূচকের জন্য এটি তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন।

ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর তারা বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করেছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ভারতীয় রুপির মান ০ দশমিক ৬২ শতাংশ কমে প্রতি ডলারে ৯৫ দশমিক ৫৫৫০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি সরকারি বন্ডের দামও কমেছে।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

ওয়েলথমিলস সিকিউরিটিজের ইক্যুইটি কৌশল বিভাগের পরিচালক ক্রান্তি বাথিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দাম নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যা ভারতের বাজার ও অর্থনীতির জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে বিদেশি বিনিয়োগও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দিনের শেষ দিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের শেয়ার বিক্রির কারণেই বাজারে পতন আরও তীব্র হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে আর্থিক, তথ্যপ্রযুক্তি, তেল ও গ্যাস, অটোমোবাইল এবং এফএমসিজি খাত। এছাড়া তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে তেল বিপণন কোম্পানি, রং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, বিমান পরিবহন এবং টায়ার নির্মাতা কোম্পানিগুলোর শেয়ারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
সূত্র: রয়টার্স

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলো ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

ট্রাম্পের এক মন্তব্যে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা

আপডেট সময় ০৩:৩০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বুধবার (৮ জুলাই) ভারতের শেয়ারবাজারে গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় একদিনের পতন দেখা গেছে।

দিন শেষে ভারতের প্রধান শেয়ার সূচক নিফটি-৫০ ২ দশমিক ১২ শতাংশ কমে ২৩ হাজার ৮৮২ দশমিক ৫ পয়েন্টে এবং বিএসই সেনসেক্স ২ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে ৭৬ হাজার ৫০৩ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে আসে। উভয় সূচকের জন্য এটি তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন।

ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর তারা বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করেছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ভারতীয় রুপির মান ০ দশমিক ৬২ শতাংশ কমে প্রতি ডলারে ৯৫ দশমিক ৫৫৫০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি সরকারি বন্ডের দামও কমেছে।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

ওয়েলথমিলস সিকিউরিটিজের ইক্যুইটি কৌশল বিভাগের পরিচালক ক্রান্তি বাথিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দাম নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যা ভারতের বাজার ও অর্থনীতির জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে বিদেশি বিনিয়োগও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দিনের শেষ দিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের শেয়ার বিক্রির কারণেই বাজারে পতন আরও তীব্র হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে আর্থিক, তথ্যপ্রযুক্তি, তেল ও গ্যাস, অটোমোবাইল এবং এফএমসিজি খাত। এছাড়া তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে তেল বিপণন কোম্পানি, রং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, বিমান পরিবহন এবং টায়ার নির্মাতা কোম্পানিগুলোর শেয়ারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
সূত্র: রয়টার্স