পেলে-এমবাপেকে ছাড়ালেন মেসি, ভোজিনহার অনন্য ৮

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯ বার পড়া হয়েছে

গ্রুপ পর্বে সহজেই ম্যাচ জেতা আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলো কেপ ভার্দের বিপক্ষে। লিওনেল মেসি করলেন এই আসরের সপ্তম গোল। কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহাও চমক দেখিয়েছেন। মেসির পাঁচটি প্রচেষ্টা গোলমুখ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। এই ম্যাচে হয়েছে একাধিক কীর্তি।
২০
প্রথম খেলোয়াড় (পুরুষ কিংবা নারী) হিসেবে লিওনেল মেসি বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের ২০ গোল করলেন।

১২

ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১২ গোলে অবদান রাখলেন মেসি। ছয়টি গোলের পাশাপাশি সমান সংখ্যক অ্যাসিস্ট। পেলে ও কিলিয়ান এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন তিনি।


মেসি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে টানা ৮ ম্যাচে গোল করলেন।

৭+
মেসি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০২২, ২০২৬) সাতটি বা তার বেশি গোল করলেন। এই বিশ্বকাপে ৬ গোল করা কিলিয়ান এমবাপেও এই কীর্তি গড়ার অপেক্ষায়।


আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডে গুইলারমো স্তাবিলের (৮ গোল, ১৯৩০) একেবারে কাছে মেসি। আর দক্ষিণ আমেরিকান হিসেবে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী আদেমিরের (৯ গোল, ১৯৫০) চেয়ে দুই গোল পেছনে তিনি।


বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেসি টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করলেন। হাঙ্গেরির জর্জি সারোসি (১৯৩৪-৩৮) ও ব্রাজিলের ভাভার (১৯৫৮-৬২) পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন মেসি।

১০
বিশ্বকাপে নিজের শেষ ছয়টি নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০ গোলে অবদান মেসির (৬ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট)। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ম্যাচেই গোল।

১৪
৩৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর মেসির ১৪ বিশ্বকাপ গোল। পরের সর্বোচ্চ ক্যামেরুনের রজার মিলার (৫)। ৩৫ বছরের বেশি অন্য খেলোয়াড়দের সব মিলিয়ে গোল ২৫টি।

১৪
বিশ্বকাপে ২২ দলের মুখোমুখি হয়ে ১৪টির বিপক্ষে গোল করেছেন মেসি।


তৃতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে মেসি বিশ্বকাপের নকআউটে গোল পেলেন (৩৯ বছর ও ৯ দিন)। তার উপরে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৪২ বছর ৩৯ দিন) ও পেপে (৩৯ বছর ২৮৩ দিন)।


লিসান্দ্রো মার্টিনেজ প্রথম আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হিসেবে ১৯৬৬ সালের পর এক বিশ্বকাপ ম্যাচে একটি গোল ও অ্যাসিস্ট করলেন।

৩০ ও ১৩
বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে মেসি ৩০তম ম্যাচ খেললেন। তার পরে আছেন রোনালদো (২৬)। প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ৩০ বা তার বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন তিনি (নারী বিশ্বকাপে ৩০ ম্যাচ খেলেন ক্রিস্টিন লিলি)।

এছাড়া নকআউটে এটি মেসির ১৩তম ম্যাচ, তার উপরে আছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৪)।


দেরয় দুয়ার্তে কেপ ভার্দের হয়ে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউটে গোল করলেন। ২৭তম জন্মদিনের আগের দিন তিনি প্রথম আফ্রিকান খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নকআউটে গোল করলেন।

১০০
লিওনেল স্কালোনি তার শততম ম্যাচে আর্জেন্টিনার ডাগআউটে দাঁড়ালেন। তার অধীনে আর্জেন্টিনা ৭২তম জয় পেল, এছাড়া ড্র ১৮ ও হার ৯।


ভোজিনহা (৪০ বছর ও ৩০ দিন) ৪০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী পঞ্চম খেলোয়াড় (রোনালদো, মদ্রিচ, জেকো ও ন্যয়ার) হিসেবে এই বিশ্বকাপের নকআউটে খেললেন। এই আসরের আগে কেবল দুজন ৪০ বছর বয়সী বিশ্বকাপের নকআউটে খেলেন (১৯৮২ সালে ডিনো জোফ, ১৯৯০ সালে পিটার শিল্টন)।

১৮
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আটটি সেভ করেছেন ভোজিনহা। এই আসরে তার ১৮টি। কুরাসাওয়ের এলয় রুম (২০) ও প্যারাগুয়ের অরল্যান্ডো গিলের (১৯) পর সর্বোচ্চ।


বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো আফ্রিকান গোলকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ ৮ সেভ করলেন ভোজিনহা। আগের রেকর্ড ছিল আলজেরিয়ার রাইস এম’বোলহির, ২০১৪ সালে জার্মানির বিপক্ষে। ভোজিনহার ৮ সেভের পাঁচটিই মেসির বিরুদ্ধে।

৫৩
সেট পিস থেকে এই বছরের বিশ্বকাপে ৫৩ গোল হলো, ১৯৬৬ সালের পর এক আসরে যা সর্বোচ্চ।

১২
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময়ে জিতল ১২তম ম্যাচ, যা যৌথভাবে রেকর্ড। তাদের পাশে আছে জার্মানি।৪

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেলে-এমবাপেকে ছাড়ালেন মেসি, ভোজিনহার অনন্য ৮

আপডেট সময় ১১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

গ্রুপ পর্বে সহজেই ম্যাচ জেতা আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলো কেপ ভার্দের বিপক্ষে। লিওনেল মেসি করলেন এই আসরের সপ্তম গোল। কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহাও চমক দেখিয়েছেন। মেসির পাঁচটি প্রচেষ্টা গোলমুখ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। এই ম্যাচে হয়েছে একাধিক কীর্তি।
২০
প্রথম খেলোয়াড় (পুরুষ কিংবা নারী) হিসেবে লিওনেল মেসি বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের ২০ গোল করলেন।

১২

ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১২ গোলে অবদান রাখলেন মেসি। ছয়টি গোলের পাশাপাশি সমান সংখ্যক অ্যাসিস্ট। পেলে ও কিলিয়ান এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন তিনি।


মেসি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে টানা ৮ ম্যাচে গোল করলেন।

৭+
মেসি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০২২, ২০২৬) সাতটি বা তার বেশি গোল করলেন। এই বিশ্বকাপে ৬ গোল করা কিলিয়ান এমবাপেও এই কীর্তি গড়ার অপেক্ষায়।


আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডে গুইলারমো স্তাবিলের (৮ গোল, ১৯৩০) একেবারে কাছে মেসি। আর দক্ষিণ আমেরিকান হিসেবে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী আদেমিরের (৯ গোল, ১৯৫০) চেয়ে দুই গোল পেছনে তিনি।


বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেসি টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করলেন। হাঙ্গেরির জর্জি সারোসি (১৯৩৪-৩৮) ও ব্রাজিলের ভাভার (১৯৫৮-৬২) পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন মেসি।

১০
বিশ্বকাপে নিজের শেষ ছয়টি নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০ গোলে অবদান মেসির (৬ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট)। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ম্যাচেই গোল।

১৪
৩৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর মেসির ১৪ বিশ্বকাপ গোল। পরের সর্বোচ্চ ক্যামেরুনের রজার মিলার (৫)। ৩৫ বছরের বেশি অন্য খেলোয়াড়দের সব মিলিয়ে গোল ২৫টি।

১৪
বিশ্বকাপে ২২ দলের মুখোমুখি হয়ে ১৪টির বিপক্ষে গোল করেছেন মেসি।


তৃতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে মেসি বিশ্বকাপের নকআউটে গোল পেলেন (৩৯ বছর ও ৯ দিন)। তার উপরে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৪২ বছর ৩৯ দিন) ও পেপে (৩৯ বছর ২৮৩ দিন)।


লিসান্দ্রো মার্টিনেজ প্রথম আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হিসেবে ১৯৬৬ সালের পর এক বিশ্বকাপ ম্যাচে একটি গোল ও অ্যাসিস্ট করলেন।

৩০ ও ১৩
বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে মেসি ৩০তম ম্যাচ খেললেন। তার পরে আছেন রোনালদো (২৬)। প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ৩০ বা তার বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন তিনি (নারী বিশ্বকাপে ৩০ ম্যাচ খেলেন ক্রিস্টিন লিলি)।

এছাড়া নকআউটে এটি মেসির ১৩তম ম্যাচ, তার উপরে আছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৪)।


দেরয় দুয়ার্তে কেপ ভার্দের হয়ে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউটে গোল করলেন। ২৭তম জন্মদিনের আগের দিন তিনি প্রথম আফ্রিকান খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নকআউটে গোল করলেন।

১০০
লিওনেল স্কালোনি তার শততম ম্যাচে আর্জেন্টিনার ডাগআউটে দাঁড়ালেন। তার অধীনে আর্জেন্টিনা ৭২তম জয় পেল, এছাড়া ড্র ১৮ ও হার ৯।


ভোজিনহা (৪০ বছর ও ৩০ দিন) ৪০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী পঞ্চম খেলোয়াড় (রোনালদো, মদ্রিচ, জেকো ও ন্যয়ার) হিসেবে এই বিশ্বকাপের নকআউটে খেললেন। এই আসরের আগে কেবল দুজন ৪০ বছর বয়সী বিশ্বকাপের নকআউটে খেলেন (১৯৮২ সালে ডিনো জোফ, ১৯৯০ সালে পিটার শিল্টন)।

১৮
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আটটি সেভ করেছেন ভোজিনহা। এই আসরে তার ১৮টি। কুরাসাওয়ের এলয় রুম (২০) ও প্যারাগুয়ের অরল্যান্ডো গিলের (১৯) পর সর্বোচ্চ।


বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো আফ্রিকান গোলকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ ৮ সেভ করলেন ভোজিনহা। আগের রেকর্ড ছিল আলজেরিয়ার রাইস এম’বোলহির, ২০১৪ সালে জার্মানির বিপক্ষে। ভোজিনহার ৮ সেভের পাঁচটিই মেসির বিরুদ্ধে।

৫৩
সেট পিস থেকে এই বছরের বিশ্বকাপে ৫৩ গোল হলো, ১৯৬৬ সালের পর এক আসরে যা সর্বোচ্চ।

১২
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময়ে জিতল ১২তম ম্যাচ, যা যৌথভাবে রেকর্ড। তাদের পাশে আছে জার্মানি।৪