ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা চামড়া শিল্পনগরী ও ঢাকার নিরাপত্তা জোরদারে বিটিএ’র পিকআপ ভ্যান উপহার কুষ্টিয়ার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আগুন হোসেনপুরে হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর মিনহাজ চৌধুরীর কব্জায় ঢাকা ওয়াসার ওয়াটার এটিএম! অমিতাভ বচ্চনের মেসেজের রিপ্লাই দেন না প্রীতি জিনতা

লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের চানপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা চানপুর-হাটুভাঙ্গা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করে এলাকাবাসী তাদের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই একটি প্রতিবাদ, নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি এক ধরনের নীরব প্রতিবাদের ভাষা? হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এমন করুণ অবস্থা কীভাবে বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত থাকে—সেই প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ফজলে রাব্বি, খন্দকার সাজিদ, খন্দকার হৃদয়সহ আরোও অনেকে জানান, সড়কটি কাঁচা হলেও চানপুর থেকে হাটুভাঙ্গা যাতায়াতের জন্য এটিই একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে এলাকাবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
এলাকাবাসী বিনীতভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “আমরা একটি জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলেও চরম বিপাকে পড়ি। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।”
স্থানীয়দের মতে, উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতির মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের একমাত্র সড়কের এমন বেহাল চিত্র শুধু দুর্ভোগই নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ধানের চারা রোপণের এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে কি না এবং কবে নাগাদ এলাকাবাসী তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়। এই রাস্তাটি নষ্ট হওয়ার পিছেনে আরেকটি কারণ আছে ইটভাটা।। এই ইট ভাটার কারনে রাস্তাটি দিন দিন খারাপ হতে চলছে আগে যা হেটে চলাচল করা যেত এখন তাও যায় না।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা

আপডেট সময় ০১:১৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের চানপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা চানপুর-হাটুভাঙ্গা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করে এলাকাবাসী তাদের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই একটি প্রতিবাদ, নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি এক ধরনের নীরব প্রতিবাদের ভাষা? হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এমন করুণ অবস্থা কীভাবে বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত থাকে—সেই প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ফজলে রাব্বি, খন্দকার সাজিদ, খন্দকার হৃদয়সহ আরোও অনেকে জানান, সড়কটি কাঁচা হলেও চানপুর থেকে হাটুভাঙ্গা যাতায়াতের জন্য এটিই একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে এলাকাবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
এলাকাবাসী বিনীতভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “আমরা একটি জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলেও চরম বিপাকে পড়ি। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।”
স্থানীয়দের মতে, উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতির মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের একমাত্র সড়কের এমন বেহাল চিত্র শুধু দুর্ভোগই নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ধানের চারা রোপণের এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে কি না এবং কবে নাগাদ এলাকাবাসী তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়। এই রাস্তাটি নষ্ট হওয়ার পিছেনে আরেকটি কারণ আছে ইটভাটা।। এই ইট ভাটার কারনে রাস্তাটি দিন দিন খারাপ হতে চলছে আগে যা হেটে চলাচল করা যেত এখন তাও যায় না।