ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বো’মা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন  গোদাগাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে জখম  পীরগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ

নিজেদের ভূখণ্ডে রুশ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন রাখা বেলারুশের সশস্ত্র বাহিনী এসব অস্ত্র রণক্ষেত্রে ব্যবহারের ওপর মহড়া শুরু করেছে। সোমবার বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই মহড়া শুরুর তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌‌প্রশিক্ষণ চলাকালীন রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমাণবিক গোলাবারুদ সরবরাহ এবং সেগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্রস্তুত করার মহড়া চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

‌‌‘‘এই মহড়ার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রস্তুতি যাচাই করা হবে।’’

মন্ত্রণালয় বলছে, নিজেদের অবস্থান গোপন রাখা, দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম এবং সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নিখুঁত হিসাব-নিকাশের অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বেলারুশের সাথে রাশিয়া ও ইউক্রেন ছাড়াও ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

‘ইরানে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলা শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র’
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পর ২০২৩ সালে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বেলারুশে মোতায়েন করতে রাজি হন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, এই অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে মস্কোর হাতেই।

পুরো সংঘাতজুড়ে পুতিন বারবার রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলো একে ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সহায়তা করার বিরুদ্ধে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে।

গত সপ্তাহে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের নতুন ‘সারমাত’ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে এবং মস্কো তাদের পারমাণবিক বাহিনীকে আধুনিক করার কাজ অব্যাহত রাখবে।

বেলারুশ বলেছে, চলমান এই মহড়া অন্য কোনও রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য কোনও হুমকি সৃষ্টি করবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বো’মা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ

আপডেট সময় ০৪:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

নিজেদের ভূখণ্ডে রুশ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন রাখা বেলারুশের সশস্ত্র বাহিনী এসব অস্ত্র রণক্ষেত্রে ব্যবহারের ওপর মহড়া শুরু করেছে। সোমবার বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই মহড়া শুরুর তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌‌প্রশিক্ষণ চলাকালীন রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমাণবিক গোলাবারুদ সরবরাহ এবং সেগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্রস্তুত করার মহড়া চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

‌‌‘‘এই মহড়ার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রস্তুতি যাচাই করা হবে।’’

মন্ত্রণালয় বলছে, নিজেদের অবস্থান গোপন রাখা, দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম এবং সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নিখুঁত হিসাব-নিকাশের অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বেলারুশের সাথে রাশিয়া ও ইউক্রেন ছাড়াও ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

‘ইরানে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলা শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র’
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পর ২০২৩ সালে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বেলারুশে মোতায়েন করতে রাজি হন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, এই অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে মস্কোর হাতেই।

পুরো সংঘাতজুড়ে পুতিন বারবার রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলো একে ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সহায়তা করার বিরুদ্ধে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে।

গত সপ্তাহে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের নতুন ‘সারমাত’ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে এবং মস্কো তাদের পারমাণবিক বাহিনীকে আধুনিক করার কাজ অব্যাহত রাখবে।

বেলারুশ বলেছে, চলমান এই মহড়া অন্য কোনও রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য কোনও হুমকি সৃষ্টি করবে না।