সংবাদ শিরোনাম ::
জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১ সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র

নীলফামারী জেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা আদায় প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধরের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে নির্ধারিত ইজারা মূল্য উল্লেখ না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া মসজিদের নামে চাঁদা তুললেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় এক যুবককে মারধর ও তার মোবাইলফোন ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা তোলা হলেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হয় না। হাটে কোথাও নির্ধারিত ইজারা মূল্যের তালিকা টাঙানো নেই। অনেক বিক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও রশিদে তা উল্লেখ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বসুনিয়া হাট জামে মসজিদের সহকারী সেক্রেটারি মো. আহেদ আলী বলেন, ‘প্রতি হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হলেও মসজিদে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো সমাধান হয়নি।’
এদিকে, রশিদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় মমিনুর নামে স্থানীয় এক যুবক মারধরের শিকার হন। এ সময় মোবাইলফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে তার মোবাইলফোন ভেঙে ফেলা হয়।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফুলবাড়ি থেকে আসা গরু বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গরু বিক্রির পর আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পারি, নির্ধারিত ইজারা ৬০০ টাকা।’
ডোমারের পাঙ্গা মটকপুর থেকে আসা আরেক বিক্রেতা জিয়ারুল অভিযোগ করেন, ‘আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রশিদে সেই টাকার পরিমাণ উল্লেখ নেই।’
এ বিষয়ে বসুনিয়া হাটের ইজারাদার জাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রশিদ অনুযায়ী ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন খরচের কারণে বর্তমানে অতিরিক্ত ১০০-২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ হাট উপলক্ষ্যে সামনে ১ হাজার টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য হাটে কোনো চার্ট টাঙানো হয়নি।’
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে

নীলফামারী জেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা আদায় প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়া হাটে গরু বিক্রির রশিদে নির্ধারিত ইজারা মূল্য উল্লেখ না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া মসজিদের নামে চাঁদা তুললেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় এক যুবককে মারধর ও তার মোবাইলফোন ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা তোলা হলেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হয় না। হাটে কোথাও নির্ধারিত ইজারা মূল্যের তালিকা টাঙানো নেই। অনেক বিক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও রশিদে তা উল্লেখ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বসুনিয়া হাট জামে মসজিদের সহকারী সেক্রেটারি মো. আহেদ আলী বলেন, ‘প্রতি হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হলেও মসজিদে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো সমাধান হয়নি।’
এদিকে, রশিদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় মমিনুর নামে স্থানীয় এক যুবক মারধরের শিকার হন। এ সময় মোবাইলফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে তার মোবাইলফোন ভেঙে ফেলা হয়।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফুলবাড়ি থেকে আসা গরু বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গরু বিক্রির পর আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পারি, নির্ধারিত ইজারা ৬০০ টাকা।’
ডোমারের পাঙ্গা মটকপুর থেকে আসা আরেক বিক্রেতা জিয়ারুল অভিযোগ করেন, ‘আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রশিদে সেই টাকার পরিমাণ উল্লেখ নেই।’
এ বিষয়ে বসুনিয়া হাটের ইজারাদার জাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রশিদ অনুযায়ী ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন খরচের কারণে বর্তমানে অতিরিক্ত ১০০-২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ হাট উপলক্ষ্যে সামনে ১ হাজার টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য হাটে কোনো চার্ট টাঙানো হয়নি।’
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।