ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গেল ডিজিটে সুদহার ও রিজার্ভ থেকে অর্থ চান ব্যবসায়ীরা শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক বেশি, মাদ্রাসা যেন দুর্নীতির আখড়া! ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিভার জামিন এফওয়াইপির আয়োজনে ‘পালস বাংলাদেশ কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত সংসদে ‘ভোটার তালিকা সংশোধন বিল ২০২৬’ পাস সংবিধান পুরোপুরি বাতিল করার সুযোগ নেই, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে এবার পরীক্ষায় নকল হবে না : শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁয়ে মহাসড়কের ওপর গড়ে ওঠা এক হাজার অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে ধ্বংসস্তূপ ভবন, নিহত ৪ কর্মজীবনের শেষ যাত্রায় ভালোবাসার বহর, ঘোড়ার গাড়িতে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে ব্যতিক্রমী বিদায়

শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির ৯টি প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলম গ্রুপের বলে জাতীয় সংসদে প্রকাশিত তালিকায় উঠে এসেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে এ তালিকা উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী লিখিতভাবে এ তথ্য দেন। স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইসপাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ বর্তমানে তদন্তের মুখোমুখি রয়েছে। গ্রুপটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে গ্রুপটির ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছে, যার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকও রয়েছে।

এছাড়া শেল কোম্পানি ও জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অফশোর সম্পদ অধিগ্রহণসহ অর্থ পাচারের অভিযোগেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রুপটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলেও জানানো হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গেল ডিজিটে সুদহার ও রিজার্ভ থেকে অর্থ চান ব্যবসায়ীরা

শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির ৯টি প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের

আপডেট সময় ০৬:০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলম গ্রুপের বলে জাতীয় সংসদে প্রকাশিত তালিকায় উঠে এসেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে এ তালিকা উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী লিখিতভাবে এ তথ্য দেন। স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইসপাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ বর্তমানে তদন্তের মুখোমুখি রয়েছে। গ্রুপটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে গ্রুপটির ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছে, যার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকও রয়েছে।

এছাড়া শেল কোম্পানি ও জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অফশোর সম্পদ অধিগ্রহণসহ অর্থ পাচারের অভিযোগেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রুপটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলেও জানানো হয়।