ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির ৯টি প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলম গ্রুপের বলে জাতীয় সংসদে প্রকাশিত তালিকায় উঠে এসেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে এ তালিকা উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী লিখিতভাবে এ তথ্য দেন। স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইসপাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ বর্তমানে তদন্তের মুখোমুখি রয়েছে। গ্রুপটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে গ্রুপটির ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছে, যার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকও রয়েছে।

এছাড়া শেল কোম্পানি ও জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অফশোর সম্পদ অধিগ্রহণসহ অর্থ পাচারের অভিযোগেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রুপটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলেও জানানো হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির ৯টি প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের

আপডেট সময় ০৬:০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টিই এস আলম গ্রুপের বলে জাতীয় সংসদে প্রকাশিত তালিকায় উঠে এসেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে এ তালিকা উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী লিখিতভাবে এ তথ্য দেন। স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইসপাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ বর্তমানে তদন্তের মুখোমুখি রয়েছে। গ্রুপটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে গ্রুপটির ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছে, যার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকও রয়েছে।

এছাড়া শেল কোম্পানি ও জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অফশোর সম্পদ অধিগ্রহণসহ অর্থ পাচারের অভিযোগেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রুপটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলেও জানানো হয়।