ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে টাকার লেনদেন, ‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’ ৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয় ঘুষ-দুর্নীতি ও সরকারি গাড়ির অপব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় ঠাকুরগাঁও এলজিইডির প্রকৌশলী মামুন সেই ফজলুল হকই এখন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ দু’নেতাকে অব্যাহতি: তৃণমূলে ক্ষোভ ও উত্তেজনা শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ লালমনিরহাটের আদিতমারীতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির দোয়া মাহফিল কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনাই, হাওরা ও বিজনা  নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে ইটভাটার মাটির ব্যবসা।।

ইটভাটায় মাটি নিতে নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে মাটির ব্যবসা। নদীর বুকে মাটি ফেলে বাঁধ দিয়ে তৈরি হয়েছে রাস্তা। নদীর পাড় কেটে ওই মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ভাটায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনটি  নদীতে বাঁধ দিয়ে ইনটভাটার মাটির ব্যবসা চলছে বলে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের সত্যতা  জানতে গিয়ে জানা যায়, আখাউড়ার ধরখার ইউনিয়নের বনগঞ্জ স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন   ফাইভ স্টার  ইটভাটার মাটি পরিবহনের জন্য ধরখার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ শেখ হুমায়ুন কবির জীবন,  মোঃ সার্জেন্ট  দিন ইসলাম, মোঃ আবুল বাশারের নেতৃত্বে হাওড়া নদীতে একটি বাধ দিয়ে  মাটি পরিবহন করছে ইট ভাটার ব্যবসায়ীরা।
অপর প্রান্তে সৌরভ ইটভাটার পাশে বিজনা  নদীতে একটি বাদ দিয়েছেন ওই এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম তরিক, তার নেতৃত্বে মাটির ব্যবসা করছে ওই এলাকার মানুষ ।
জানা  যায় এখান  থেকে মাটি পরিবহনে করে কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হয়।
আরো জানা যায়, বিজয়নগরের বুধন্তী  ইউনিয়নের শশই এলাকায় অবৈধ ইটভাটা আকাশ,মোল্লা ,জনতা ও রোলেক্স ইট ভাটার কাছে সোনাই নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে।
এই বাধ কারা দিয়েছে পার্শ্ববর্তী এলাকাবাসীর কাছে খোঁজ নিতে গেলে  তারা ভয়ে কিছু বলতে চায়না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানা যায়, ইট ভাটার মাটি পরিবহনের জন্য  জন্য এ বাধ  দুটি দেওয়া হয়।
নিয়মিত  রাত দিন   এখান দিয়ে মাটি যায় ইটভাটায়। ফলে এলাকার পরিবেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বিপন্ন হচ্ছে  নদী গুলো । প্রবহমান নদীতে বাঁধ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ অবৈধ। এতে নদীতে বাধার সৃষ্টি হয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। নদীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়নগর  উপজেলা নির্বাহী  অফিসার সখিনা আক্তার  জেলা  বলেন নদীর স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখার জন্য বেশ কয়েকবার বাধঁ কেটে দেওয়া হয়েছে। যদি এখন বাধঁ থেকে থাকে তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কেটে  দেওয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে টাকার লেনদেন, ‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনাই, হাওরা ও বিজনা  নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে ইটভাটার মাটির ব্যবসা।।

আপডেট সময় ০৪:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
ইটভাটায় মাটি নিতে নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে মাটির ব্যবসা। নদীর বুকে মাটি ফেলে বাঁধ দিয়ে তৈরি হয়েছে রাস্তা। নদীর পাড় কেটে ওই মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ভাটায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনটি  নদীতে বাঁধ দিয়ে ইনটভাটার মাটির ব্যবসা চলছে বলে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের সত্যতা  জানতে গিয়ে জানা যায়, আখাউড়ার ধরখার ইউনিয়নের বনগঞ্জ স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন   ফাইভ স্টার  ইটভাটার মাটি পরিবহনের জন্য ধরখার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ শেখ হুমায়ুন কবির জীবন,  মোঃ সার্জেন্ট  দিন ইসলাম, মোঃ আবুল বাশারের নেতৃত্বে হাওড়া নদীতে একটি বাধ দিয়ে  মাটি পরিবহন করছে ইট ভাটার ব্যবসায়ীরা।
অপর প্রান্তে সৌরভ ইটভাটার পাশে বিজনা  নদীতে একটি বাদ দিয়েছেন ওই এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম তরিক, তার নেতৃত্বে মাটির ব্যবসা করছে ওই এলাকার মানুষ ।
জানা  যায় এখান  থেকে মাটি পরিবহনে করে কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হয়।
আরো জানা যায়, বিজয়নগরের বুধন্তী  ইউনিয়নের শশই এলাকায় অবৈধ ইটভাটা আকাশ,মোল্লা ,জনতা ও রোলেক্স ইট ভাটার কাছে সোনাই নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে।
এই বাধ কারা দিয়েছে পার্শ্ববর্তী এলাকাবাসীর কাছে খোঁজ নিতে গেলে  তারা ভয়ে কিছু বলতে চায়না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানা যায়, ইট ভাটার মাটি পরিবহনের জন্য  জন্য এ বাধ  দুটি দেওয়া হয়।
নিয়মিত  রাত দিন   এখান দিয়ে মাটি যায় ইটভাটায়। ফলে এলাকার পরিবেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বিপন্ন হচ্ছে  নদী গুলো । প্রবহমান নদীতে বাঁধ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ অবৈধ। এতে নদীতে বাধার সৃষ্টি হয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। নদীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়নগর  উপজেলা নির্বাহী  অফিসার সখিনা আক্তার  জেলা  বলেন নদীর স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখার জন্য বেশ কয়েকবার বাধঁ কেটে দেওয়া হয়েছে। যদি এখন বাধঁ থেকে থাকে তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কেটে  দেওয়া হবে।