ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চেয়ারম্যান-ভাগ্নি জামাই সিন্ডিকেটে দুর্নীতি ও আস্থাহীনতার সংকটে সাউথইস্ট ব্যাংক অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর প্রকাশে গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলা  সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে মারধর শিশুটি তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরতে চায় দেশে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন মোল্লারহাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবিশ পরেশ সমাদ্দারকে ঘিরে নানা অভিযোগ একদিনেই ৬টি যুদ্ধবিমান-ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের দাবি আইআরজিসির শিশুর দুই চোখে সুপার গ্লু ঢেলে দিয়েছেন দুলাভাই জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে : অর্থমন্ত্রী ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতে বন্দী, ১১ মাস পরে ফিরলো লাশ হয়ে

একদিনেই ৬টি যুদ্ধবিমান-ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের দাবি আইআরজিসির

একদিনেই ইরানের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান এবং পাঁচটি ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশপথে বড় ধরনের সংঘাত চলাকালীন তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী শত্রুপক্ষের কয়েকটি  লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করেছে। চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে দেশের আকাশসীমার ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ যে বাড়ছে; এই অভিযান তারই প্রমাণ বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি নির্ণায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি যুদ্ধবিমান এবং আরও পাঁচটি আকাশযান ভূপাতিত করেছে। এটি ইরানি আকাশে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য একটি চরম পরাজয়ের দিন।

আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স খোমেইন ও জানজান প্রদেশের আকাশে দু’টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ইসফাহানের আকাশে দুটি এমকিউ-৯ অ্যাটাক ড্রোন এবং বুশেহরের আকাশে একটি হার্মিস ড্রোন ধ্বংস করেছে। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা উন্নত সিস্টেম ব্যবহার করে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের এই বিপ্লবী গার্ড বাহিজনী বলেছে, ইরানের মধ্যাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইউনিটগুলো শত্রুপক্ষের উন্নতমানের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। হুঁশিয়ারি দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুনির্দিষ্ট ও উদ্ভাবনী পর্যবেক্ষণের ফলে দেশটির আকাশসীমা শত্রু বিমানের জন্য ক্রমশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চেয়ারম্যান-ভাগ্নি জামাই সিন্ডিকেটে দুর্নীতি ও আস্থাহীনতার সংকটে সাউথইস্ট ব্যাংক

একদিনেই ৬টি যুদ্ধবিমান-ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের দাবি আইআরজিসির

আপডেট সময় ০৭:০৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

একদিনেই ইরানের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান এবং পাঁচটি ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশপথে বড় ধরনের সংঘাত চলাকালীন তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী শত্রুপক্ষের কয়েকটি  লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করেছে। চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে দেশের আকাশসীমার ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ যে বাড়ছে; এই অভিযান তারই প্রমাণ বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি নির্ণায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি যুদ্ধবিমান এবং আরও পাঁচটি আকাশযান ভূপাতিত করেছে। এটি ইরানি আকাশে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য একটি চরম পরাজয়ের দিন।

আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স খোমেইন ও জানজান প্রদেশের আকাশে দু’টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ইসফাহানের আকাশে দুটি এমকিউ-৯ অ্যাটাক ড্রোন এবং বুশেহরের আকাশে একটি হার্মিস ড্রোন ধ্বংস করেছে। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা উন্নত সিস্টেম ব্যবহার করে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের এই বিপ্লবী গার্ড বাহিজনী বলেছে, ইরানের মধ্যাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইউনিটগুলো শত্রুপক্ষের উন্নতমানের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। হুঁশিয়ারি দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুনির্দিষ্ট ও উদ্ভাবনী পর্যবেক্ষণের ফলে দেশটির আকাশসীমা শত্রু বিমানের জন্য ক্রমশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠবে।