ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এক অমানবিক চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি থাকতেও আজ খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে এক অসহায় পরিবারকে। আপন ভাতিজা ও তার সহযোগীদের বাধার মুখে বসত ঘরে উঠতে পারছেন না ভুক্তভোগী নাজমা বেগম ও নুরে আলম।
গত (২৭ মার্চ ২০২৬) হইতে কয়েকদিন ধরে মশারী টানিয়ে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা, কিন্তু মেলেনি কোনো প্রতিকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মজিদ আলী রাড়ী বাড়ির বাসিন্দা নাজমা ও নুরে আলম তাদের দীর্ঘদিনের পাওনা জমি ও বসত ঘরে উঠতে গেলে বাধা প্রদান করেন তাদেরই আপন ভাতিজা নাজিমউদ্দীন ও তার দলবল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তারা বারবার ঘরে ওঠার চেষ্টা করলেও নাজিমউদ্দীন গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং শারীরিক লাঞ্ছনা করছে।
আমাদের নিজেদের ঘর থাকতেও আজ রাস্তায় থাকতে হচ্ছে। জমি বা ঘর চাইলে উল্টো মারধর করা হয়। আমরা কার কাছে বিচার চাইব? প্রতিটা মূহুর্তে আতংকে থাকি, এই বুজি নাজিমউদ্দীন গংরা তার দলবল নিয়ে এসে আমাদের হামলা করলো এই আতংকে না ঘুমিয়ে রাত কটে। এলাকাট গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কান্নাকাটি করেও কারও মন গলছে না।” > — কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন ভুক্তভোগী নাজমা বেগম।
ভুক্তভোগী পরিবারটি বোরহানউদ্দিন থানায় নাজিমউদ্দীন গংদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় থাকা পরিবারটি এখন প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের অপেক্ষায়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজসেবকদের কাছে তারা আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন দ্রুত এই অন্যায়ের অবসান ঘটে এবং তারা নিরাপদে নিজ ঘরে ফিরতে পারেন।
বর্তমানে অসহায় পরিবারটি বাড়ির আঙিনায় মশারী টানিয়ে বসবাস করছেন। তীব্র গরম এবং মশার উপদ্রবের মধ্যে নারী ও শিশুদের নিয়ে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে অসহায় পরিবারটিকে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
রিয়াজ ফরাজী (ভোলা) 



















