ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

‘এক কেজি আলুর দাম এক কাপ চায়ের দামের চেয়েও কম’

এ বছর আলুর দামে আবার ধস নেমেছে। এক কেজি আলুর দাম এক কাপ চায়ের দামের চেয়ে কম। অথচ সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে চাষির খরচ হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ টাকা। গত কয়েক বছর ধরে এভাবে লোকসান করতে করতে আলুচাষিরা আলু চাষের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রংপুর নগরীর কাচারি বাজার সড়কে প্রধান ডাকঘরের সামনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশ থেকে আলুচাষিরা এসব কথা বলেন।

আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করাসহ দুর্নীতি ও কালোবাজারি বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আহসানুল আরেফিন তিতু, আলুচাষি এমদাদুল হক বাবু ও আবুল কাশেম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আলুর বাজারদর কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকাতে নেমেছে এবং দেশজুড়ে বোরো আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আলু আমাদের প্রধান সবজি এবং অর্থকরী ফসল। বিশ্বব্যাপী আলুর চাহিদা ব্যাপক। অথচ দেশের বাজারে আলু চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।

আলুচাষিরা বলেন, রংপুরের জমি ও আবহাওয়া আলু চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এই অঞ্চলের প্রতিবছর আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষক লাভের মুখ দেখতে পারে না। আলু পচনশীল সবজি, বেশিদিন আলু ঘরে রাখতে পারনে না কৃষকরা। বাধ্য হয়ে কখনো কখনো ক্ষেত থেকেই বিক্রি করতে হয়। এই সময়ে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট আলুর বাজারে ধস নামিয়ে দেয়। এ কারণে কৃষকেরা কোল্ড স্টোরে আলু রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু আলুর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কোম্পানি স্টোর মালিকদের সাথে যোগসাজশ করে স্টোরের বেশিরভাগ জায়গা আগেই বুকিং করে রাখে। ফলে কৃষকরা কোল্ড স্টোরেও জায়গা পায় না। সরকারের শক্ত হস্তক্ষেপ না থাকায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় কৃষকেরা বাধ্য হয়ে পানির দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সিন্ডিকেটের কারণে এবারো আলুর দামে ধস নেমেছে। লোকসান লুকাতে না পেরে বিভিন্ন এলাকায় আলুর পরিবর্তে কৃষকেরা তামাক চাষ শুরু করেছে। যা আমাদের কৃষির জন্য অশনিসংকেত। এই আলু বিদেশ থেকে আমদানি করলে কয়েকগুণ বেশি দামে জনগণকে তা কিনে খেতে হবে। প্রশাসনের তদারকির অভাবে গতবছর কোল্ড স্টোর মালিকরা রাতারাতি আলুর ভাড়া দ্বিগুণ করে দিয়েছে। এক বস্তা আলুর স্টোর ভাড়া ছিল ২৮০ টাকা, গতবছর তা বাড়িয়ে একই পরিমাণ আলু রাখার জন্য স্টোর ভাড়া বাড়িয়ে ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। এভাবে খরচ বৃদ্ধি এবং দাম কমে যাওয়ায় আলুচাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, চলমান বোরো মৌসুমে দেশজুড়ে সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক জায়গায় কেজি প্রতি ৮-১০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিটা ফসলের মৌসুমে সারের ডিলার এবং ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দ্বিগুন, তিনগুণ দামে কৃষককে সার কিনতে বাধ্য করে। প্রশাসন বিভিন্নস্থানে নামমাত্র অভিযান পরিচালনা করলেও তা কাজে আসছে না। কালোবাজারি ও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কৃষক আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আলুচাষিরা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে আমরা আশা করেছিলাম কৃষকদের অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র আরও বেশি মনযোগী হবে। কিন্তু আমরা দেখছি কৃষক তার ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে। তাই কৃষি ও কৃষক রক্ষায় আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে সার, ওষুধের দাম কমিয়ে ধান চালের মতো সরকারি পদ্ধতিতে আলুর দাম নির্ধারণ করার দাবি জানান তারা।

এসময় তারা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো, ১. আলুর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগে আলু ক্রয়-বিক্রয় ও রপ্তানি করতে হবে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২. সারের দুর্নীতি, কালোবাজারি বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৩. প্রতি কেজি আলুর ভাড়া ৮ টাকা বাতিল করে ১.৫০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। অগ্রিম বুকিং এর নামে বস্তা প্রতি ১০০ টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে। ৪. অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে প্রতি উপজেলায় বিশেষায়িত বীজ হিমাগার নির্মাণ করতে হবে। সকল হিমাগারে প্রকৃত কৃষকের জন্য ৬০ ভাগ জায়গা বরাদ্দ বাধ্যতামূলক করতে হবে। ৫. লাভজনক দামে আলু বিক্রি করতে না পারা কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বছর আলুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ হাজার ৫০ হেক্টর। গত বছর ছিল ৬৬ হাজার ২৮০ হেক্টর। যা গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কমেছে ১৩ হাজার হেক্টর। বর্তমানে আলুর দাম কিছুটা কম হলেও ইনপুট শুরু হলে আলুর দাম বৃদ্ধি পাবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

‘এক কেজি আলুর দাম এক কাপ চায়ের দামের চেয়েও কম’

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

এ বছর আলুর দামে আবার ধস নেমেছে। এক কেজি আলুর দাম এক কাপ চায়ের দামের চেয়ে কম। অথচ সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে চাষির খরচ হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ টাকা। গত কয়েক বছর ধরে এভাবে লোকসান করতে করতে আলুচাষিরা আলু চাষের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রংপুর নগরীর কাচারি বাজার সড়কে প্রধান ডাকঘরের সামনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশ থেকে আলুচাষিরা এসব কথা বলেন।

আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করাসহ দুর্নীতি ও কালোবাজারি বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আহসানুল আরেফিন তিতু, আলুচাষি এমদাদুল হক বাবু ও আবুল কাশেম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আলুর বাজারদর কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকাতে নেমেছে এবং দেশজুড়ে বোরো আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আলু আমাদের প্রধান সবজি এবং অর্থকরী ফসল। বিশ্বব্যাপী আলুর চাহিদা ব্যাপক। অথচ দেশের বাজারে আলু চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।

আলুচাষিরা বলেন, রংপুরের জমি ও আবহাওয়া আলু চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এই অঞ্চলের প্রতিবছর আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষক লাভের মুখ দেখতে পারে না। আলু পচনশীল সবজি, বেশিদিন আলু ঘরে রাখতে পারনে না কৃষকরা। বাধ্য হয়ে কখনো কখনো ক্ষেত থেকেই বিক্রি করতে হয়। এই সময়ে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট আলুর বাজারে ধস নামিয়ে দেয়। এ কারণে কৃষকেরা কোল্ড স্টোরে আলু রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু আলুর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কোম্পানি স্টোর মালিকদের সাথে যোগসাজশ করে স্টোরের বেশিরভাগ জায়গা আগেই বুকিং করে রাখে। ফলে কৃষকরা কোল্ড স্টোরেও জায়গা পায় না। সরকারের শক্ত হস্তক্ষেপ না থাকায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় কৃষকেরা বাধ্য হয়ে পানির দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সিন্ডিকেটের কারণে এবারো আলুর দামে ধস নেমেছে। লোকসান লুকাতে না পেরে বিভিন্ন এলাকায় আলুর পরিবর্তে কৃষকেরা তামাক চাষ শুরু করেছে। যা আমাদের কৃষির জন্য অশনিসংকেত। এই আলু বিদেশ থেকে আমদানি করলে কয়েকগুণ বেশি দামে জনগণকে তা কিনে খেতে হবে। প্রশাসনের তদারকির অভাবে গতবছর কোল্ড স্টোর মালিকরা রাতারাতি আলুর ভাড়া দ্বিগুণ করে দিয়েছে। এক বস্তা আলুর স্টোর ভাড়া ছিল ২৮০ টাকা, গতবছর তা বাড়িয়ে একই পরিমাণ আলু রাখার জন্য স্টোর ভাড়া বাড়িয়ে ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। এভাবে খরচ বৃদ্ধি এবং দাম কমে যাওয়ায় আলুচাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, চলমান বোরো মৌসুমে দেশজুড়ে সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক জায়গায় কেজি প্রতি ৮-১০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিটা ফসলের মৌসুমে সারের ডিলার এবং ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দ্বিগুন, তিনগুণ দামে কৃষককে সার কিনতে বাধ্য করে। প্রশাসন বিভিন্নস্থানে নামমাত্র অভিযান পরিচালনা করলেও তা কাজে আসছে না। কালোবাজারি ও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কৃষক আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আলুচাষিরা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে আমরা আশা করেছিলাম কৃষকদের অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র আরও বেশি মনযোগী হবে। কিন্তু আমরা দেখছি কৃষক তার ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে। তাই কৃষি ও কৃষক রক্ষায় আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সারের সংকট ও দাম বৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে সার, ওষুধের দাম কমিয়ে ধান চালের মতো সরকারি পদ্ধতিতে আলুর দাম নির্ধারণ করার দাবি জানান তারা।

এসময় তারা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো, ১. আলুর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগে আলু ক্রয়-বিক্রয় ও রপ্তানি করতে হবে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২. সারের দুর্নীতি, কালোবাজারি বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৩. প্রতি কেজি আলুর ভাড়া ৮ টাকা বাতিল করে ১.৫০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। অগ্রিম বুকিং এর নামে বস্তা প্রতি ১০০ টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে। ৪. অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে প্রতি উপজেলায় বিশেষায়িত বীজ হিমাগার নির্মাণ করতে হবে। সকল হিমাগারে প্রকৃত কৃষকের জন্য ৬০ ভাগ জায়গা বরাদ্দ বাধ্যতামূলক করতে হবে। ৫. লাভজনক দামে আলু বিক্রি করতে না পারা কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বছর আলুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ হাজার ৫০ হেক্টর। গত বছর ছিল ৬৬ হাজার ২৮০ হেক্টর। যা গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কমেছে ১৩ হাজার হেক্টর। বর্তমানে আলুর দাম কিছুটা কম হলেও ইনপুট শুরু হলে আলুর দাম বৃদ্ধি পাবে।