ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ২ বারের নির্বাচিত জনপ্রিয় সংসদ সদস্য মরহুম এটি এম ওয়ালী আশরাফ এর মেয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা রাইকা ওয়ালী খান কে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ ও বাঞ্ছারামপুরবাসী। ঢাকার ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে শুরু করে লন্ডনের University of Bristol থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে প্রথম ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ইউএনডিপি (টঘউচ) থেকে কর্মজীবন শেষ করে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। বিভিন্ন দলীয় ও সামাজিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। সুখ দুঃখে মানুষের পাশে সাথী হয়ে থাকেন।
রাইকা ওয়ালী খানের বাবা ২বারের নির্বাচিত এমপি ছিলেন। এবং তাঁর শশুর মরহুম উইং কমান্ডার এম হাবিবুল্লাহ খান মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং ৩ বারের নির্বাচিত বিএনপি দলীয় এমপি ছিলেন।
ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন সাবেক ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য রুবি আক্তার বলেন, দেশে নারী শিক্ষা উন্নয়নের জন্য, নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য রাইকা আপা কে নারী আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চাই। নারীদের উন্নয়ন নারী শিক্ষা, নারীদের ক্ষমতায়ন, বাল্যবিবাহ ও নারীদের সকল সমস্যা নিয়ে তিনি আমাদের মাঝে কাজ করবে।
ছাত্তার সরকার বলেন, তার বাবা (ওয়ালী আশরাফ) অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিল। সাবেক এমপি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাঞ্ছারামপুরের রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছে। তাঁর মেয়ে রাইকা ওয়ালী খান যদি বিএনপির থেকে নারী সংসদ সদস্য হয় তাহলে অত্যন্ত ভালো হবে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বি এন পির সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদ বলেন, রাইকা ওয়ালী খান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হয়ে নারীদের নিয়ে কাজ করলে অনেক ভালো হবে। অনেক উন্নত হবে। আমরা চাই ওনাকে নারী সংসদ সদস্য হিসেবে এমপি হিসেবে।
এরশাদ চেয়ারম্যান বলেন, তিনি আমাদের ওয়ালী আশরাফের মেয়ে। তার বাবার সাথে আমরা রাজনীতি করেছি তার বাবা অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিল। তাকে নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্যের মেয়ে মরহুম এ টি এম ওয়ালী আশ্ররাফের মেয়ে রাইকা ওয়ালী খান সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবা এবং আমার শ্বশুর দুইজনই মুক্তিযোদ্ধা। আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। বি এন পি ই আমার রাজনীতির ঠিকানা। বাবার আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে আমি রাজনীতিতে এসেছি। দল যদি আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন করে তবে আমি নারী উন্নয়ন তথা এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সর্বাওক চেষ্টা করব। বাঞ্ছারামপুরবাসী আমার পাশে থাকলে অবশ্যই আমি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবো।
আমার বাবার মত আমাকে সুযোগ করে দিন। আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের পাশে আছি পাশে থাকবো। রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য ও নারী শিক্ষা বৃদ্ধি করার জন্য আমি কাজ করে যাব।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রতিনিধি 





















