ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

ফুলবাড়ীতে রমজানের শুরু থেকেই খিরার আশানুরূপ দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাহে রমজানের শুরু থেকেই খিরার দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ায় আশানুরূপ দাম পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে খিরা চাষিদের। রমজানের আগে প্রতি কেজি খিরা প্রকার ভেদে ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হলেও রমজাদেনর প্রথম দিন থেকেই একই খিরার দাম প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

খিরা চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, কমবেশি সারা বছরই খিরার চাষিদা থাকলেও রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম মুখরোচক খাদ্য উপকরণ হিসেবে এর চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি। এ কারণে অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে খিরা ও শসার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়ে যায়।

উপজেলার ৬নং দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক পরীক্ষিত চন্দ্র রায় বলেন, ৫০ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের খিরা চাষ করেছেন। সবমিলিয়ে তার খরচ হয়ে ৬০ হাজার টাকা। তবে প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার মান ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। দামও ভালো থাকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮৫ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। এখন পর্যন্ত জমিতে যে পরিমাণ খিরা রয়েছে তাতে আরও ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

উপজেলার বুজরুজ সমশেরনগর গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, তিনিসহ এলাকার বেশ কয়েকজন চাষি বেশ কয়েকটি জাতের খিরা চাষ করেছেন। খিরার ফলন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে খিরার দাম কম পাওয়া গেলেও এখন আশানুরূপ দাম পাওয়া যাচ্ছে। এ বছর খিরা আবাদ করে প্রত্যেক খিরা চাষি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, উপজেলার পৌর এলাকারসহ সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে খিরা ও শসা আবাদ করা হয়েছে। আবাদের প্রথম থেকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। গত রমজানে খিরা ও শসার দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর এলাকার চাষিরা গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে খিরা ও শসা চাষ করেছেন। রোগবালাই কিংবা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার আকার প্রকার ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। এ ছাড়াও বাজারে খিরার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে খিরা ও শসার আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন এই কর্মকর্তা।#

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

ফুলবাড়ীতে রমজানের শুরু থেকেই খিরার আশানুরূপ দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাহে রমজানের শুরু থেকেই খিরার দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ায় আশানুরূপ দাম পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে খিরা চাষিদের। রমজানের আগে প্রতি কেজি খিরা প্রকার ভেদে ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হলেও রমজাদেনর প্রথম দিন থেকেই একই খিরার দাম প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

খিরা চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, কমবেশি সারা বছরই খিরার চাষিদা থাকলেও রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম মুখরোচক খাদ্য উপকরণ হিসেবে এর চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি। এ কারণে অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে খিরা ও শসার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়ে যায়।

উপজেলার ৬নং দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক পরীক্ষিত চন্দ্র রায় বলেন, ৫০ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের খিরা চাষ করেছেন। সবমিলিয়ে তার খরচ হয়ে ৬০ হাজার টাকা। তবে প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার মান ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। দামও ভালো থাকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮৫ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। এখন পর্যন্ত জমিতে যে পরিমাণ খিরা রয়েছে তাতে আরও ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

উপজেলার বুজরুজ সমশেরনগর গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, তিনিসহ এলাকার বেশ কয়েকজন চাষি বেশ কয়েকটি জাতের খিরা চাষ করেছেন। খিরার ফলন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে খিরার দাম কম পাওয়া গেলেও এখন আশানুরূপ দাম পাওয়া যাচ্ছে। এ বছর খিরা আবাদ করে প্রত্যেক খিরা চাষি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, উপজেলার পৌর এলাকারসহ সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে খিরা ও শসা আবাদ করা হয়েছে। আবাদের প্রথম থেকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। গত রমজানে খিরা ও শসার দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর এলাকার চাষিরা গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে খিরা ও শসা চাষ করেছেন। রোগবালাই কিংবা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসায় খিরার আকার প্রকার ও ফলন দুই-ই ভালো হয়েছে। এ ছাড়াও বাজারে খিরার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে খিরা ও শসার আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন এই কর্মকর্তা।#