ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

ইবি শিক্ষিকা রুনার জানাজা সম্পন্ন, ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে নিহত শিক্ষকের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমানকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা সম্পন্ন হয়ে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় পৌর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

নিহত শিক্ষকের জানাজায় কুষ্টিয়া ৩ আসনে সংসদ সদস্য ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ ও প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. ইয়াকুব আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ চার সন্তানের জননী। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী ও স্বজনরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

ইবি শিক্ষিকা রুনার জানাজা সম্পন্ন, ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে নিহত শিক্ষকের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমানকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা সম্পন্ন হয়ে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় পৌর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

নিহত শিক্ষকের জানাজায় কুষ্টিয়া ৩ আসনে সংসদ সদস্য ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ ও প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. ইয়াকুব আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ চার সন্তানের জননী। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী ও স্বজনরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।